অবসর ভেঙে নেতৃত্বে ফিরতে রাজি মাইকেল ক্লার্ক।

অস্ট্রেলিয়ার মতো একটি দল ম্যাচ জিততে প্রতারণার আশ্রয় নেবে, বিষয়টি কিছুতেই মানতে পারছেন না মাইকেল ক্লার্ক। ২০১৫ সালের অ্যাশেজ হারের পর অবসরে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক পুরো বিষয়টিকে ‘লজ্জাজনক’ অ্যাখ্যা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, দলের এই দুঃসময়ে যদি প্রয়োজন হয়, তবে অবসর ভেঙে নেতৃত্বে ফিরতেও রাজি আছেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলতি পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। ক্যামেরুন বেনক্রফটকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবেই তারা বল টেম্পারিং করেছেন, স্বীকার করে নিয়েছেন অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ।

এই ঘটনার জেরে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে স্মিথকে। সঙ্গে সহ-অধিনায়কত্ব হারিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নারও। চলতি টেস্টের বাকি সময় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন টিম পেইন।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে এটা কলঙ্কজনক এক অধ্যায়। ক্লার্ক কিছুতেই মানতে পারছেন না, তার উত্তরসূরীরা এমন একটি কাজ করতে পারে। অজি দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘ক্যামেরুন বেনক্রফট, মাত্র অষ্টম টেস্ট খেলতে নেমেছে। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, দলের নেতারা মিলে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা আবার এটার জন্য বেছে নিয়েছে তরুণ এক বালককে। নেতা হিসেবে আপনি কখনও কাউকে এটা করতে বলতে পারেন না, যেটা আপনি করবেন না।’

স্মিথের মতো একটা ছেলে এই কাজটা করেছে, এটাও বিশ্বাস হচ্ছে না ক্লার্কের। দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে সাবেক এই ব্যাটসম্যান বলছিলেন, ‘স্টিভেন স্মিথ এত অপূর্ব, অপূর্ব একটা ছেলে…তার জন্য সত্যিই খারাপ লাগছে। আমাদের দলে বিশ্বের সেরা বোলিং আক্রমণ আছে। কাউকে হারানোর জন্য তো আমাদের প্রতারণা করার দরকার নেই।’

কথা প্রসঙ্গে ক্লার্কের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বয়সটা তো মাত্র ৩৬; দলের এই দুঃসময়ে নেতৃত্বে ফিরতে পারেন কি না? অজি দলের সাবেক অধিনায়কের উত্তর, ‘যদি আমাকে সঠিক ব্যক্তিটি এই কথা বলে, তবে অবশ্যই এর উত্তর নিয়ে ভাবব।’

Leave a comment

Your email address will not be published.