ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে পিএসজি 

ফান্সের ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে।প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে এই ৫০ বছরের মধ্য ৯ বার লিগ ওয়ানের শিরোপার পাশাপাশি জিতেছে ডোমেস্টিকের নানা শিরোপা । ১৯৯৪-৯৫ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠলেও কখনও ফাইনালে খেলার সুযোগ পায়নি পিএসজি । 

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠল পিএসজি । ২০১১ সালে ক্লাবের মালিকানা পরিবর্তন হওয়ার পর থেকেই ক্লাবটির টার্গেট ছিল চ্যাম্পিয়্নস লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়া । সেই মাহেন্দ্রক্ষনের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে পিএসজি । 

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে আর বি লিপজিগকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠল নেইমারের পিএসজি । 

পর্তুগালের লিসবন স্টেডিয়ামে রাত ১ টায় পিএসজি- লিপজিগ এর সেমিফাইনাল ম্যাচটি মাঠে গড়ায় । প্রথম থেকেই পিএসজি লিপজিগকে চেপে ধরে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে । ম্যাচের ৬ মিনিটে সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি নেইমার।তবে ১৩ মিনিটের মাথায় ডি-মারিয়ার সেট-পিস থেকে মারকুইনসের অসাধারণ হেডে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি । ম্যাচের ৪২ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান নেইমারের পাস থেকে গোলটি করেন আর্জেন্টাইন তারকা ডি-মারিয়া । খেলার দ্বিতীয়র্ধে ৫৬ মিনিটে ডি-মারিয়ার অ্যাসিস্টে জুয়ান বার্নাটের ট্যাপ ইন হেড থেকে ৩-০ এগিয়ে যায় পিএসজি । এরপর বেশ কিছু আক্রমণ হলেও কোন দল গোলের দেখা পায়নি। 

৫৭.৬ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল পিএসজি । লিপজিগ ৪২.৪ শতাংশ । দুই দলই গোলমুখে সমান ১৪ টি করে শট নিয়েছে। 

নেইমার বা এমবাপে কেউই গোল না করতে পারলেও খেলেছেন চমৎকার । ২০১৩ তে চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেকের পর থেকে এই পর্যন্ত অ্যাসিস্ট করেছেন ২৪ টি । ইউরোপের আর কোন খেলোয়াড়ের গোলে এতগুলো অবদান নেই । ২য় স্থানে থাকা রোনালদো এই বছরে করেছেন ২০ অ্যাসিস্টি।  

Leave a comment

Your email address will not be published.