উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ টিপস

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ টিপস

টেকনিক্যাল

  • কৃশিকাজে ব্যবহৃত কয়েকটি হস্তচালিত যন্ত্র হচ্ছে – লাঙল, জোয়াল, কোদাল, আঁচড়া, কাচিঁ ইত্যাদি ।
  • মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানি pH হতে হয় – ৬.৫- ৮.৫ ।
  • কৃষকের ভায়ায় মাটি বলা হয় – ভূ-পৃষ্ঠের ১৫-১৮ সে.মি. গভীর স্তরকে ।
  • দেশি লাঙলের চাষের গভীরতা – ৭.৯ সে.মি ।
  • ভূমিক্ষয় – ২ প্রকার ।
  • ক্ষেত থেকে যখন ফসল কাটা হয় তখন এর আর্দ্রতা থাকে – ১৮-৪০% ।
  • সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনার উপাদান – ৪টি ।
  • সাইলেজ তৈরির জন্য যে যে ঘাস বেশি উপযোগী – ভুট্টা, নেপিয়ার ও গিনি ।
  • বীজ উৎপাদনের জন্য নির্বাচিত জমিতে জৈব পর্দাথ থাকা উচিত কমপক্ষে – ২% ।
  • মাটির উপরের গাছের সম্পূর্ণ অংশ উপরে ফেলাকে বলে – হাম পুলিং ।
  • পুকুরে পানির গুণাগুণ – দুই প্রকার ।
  • বাংলাদেশে বর্তমানে মোট মাছ উৎপাদনের শতকরা ৮০ ভাগ আসে – অভ্যন্তরীণ জলাশয় হতে ।
  • মাছ ধরার ক্ষেত্রে যত দৈর্ঘ্যের কম ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল নিষিদ্ধ – ৪.৫ সে.মি ।
  • বীজ বপন যন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ – বীজের হার নির্ধারক ।
  • ‘জাটকা’ নামে পরিচিত – ৯ ইঞ্চির কম আকৃতির ইলিশ ।
  • শুষ্ক মৌসুমে একটানা যত বা তার বেশিদিন বৃষ্টি না হলে তাকে খরা বলা হয় – ২০ দিন ।
  • বর্তমানে লবণাক্ততায় আক্রান্ত জমির পরিমাণ – ১০.৫৬ হেক্টর ।
  • রবণাক্ততা বেড়ে চলেছে এমন জলাশয়ে চাষযোগ্য – চিংড়ি ও কাঁকড়া ।
  • সবচেয়ে বেশি খরা সহনশীল মাছ – তেলাপিয়া ।
  • চারা রোপণ করার পর ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হয় – ৩ কিস্তিতে ।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ টিপস

  • কয়েকটি দেশি পাটের জাত হলো – সিভিএল-১, সিভিই-৩, সিসি-৪৫, ডি-১৫৪ ইত্যাদি ।
  • বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশি পাটের জাত উদ্ভাবন ও অবমুক্ত করেছে – ১৭ টি ।
  • ডাস্টিং-এর জন্য অতিপ্রয়োজনীয় যন্ত্র হলো – স্পিড লিভার ।
  • পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি – শস্যপর্যায় অবলম্বন, নিবিড় ও সমন্বিত চাষাবাদ পদ্বতি ব্যবহার ইত্যাদ ।
  • বাংলাদেশে পাহাড়ি বনভূমির পরিমাণ – ১৩.১৬ লক্ষ হেক্টর ।
  • বাংলাদেশের প্রধান প্রধান পাহাড়ি বৃক্ষ হচ্ছে – গর্জন, গামার, সেগুন ইত্যাদি ।
  • প্ল্যাংকটন হচ্ছে – মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য ।
  • পুকুরের পানির pH কমে গেলে প্রয়োগ করতে হয় – চুন ।
  • জৈব পদার্থের উপস্থিতিতে মাটিস্থ অণজীবগুলো – ক্রিয়াশীল হয় ।
  • উদ্ভিদতত্ত্ব অনুসারে বীজ বলা হয় – নিষিক্ত ও পরিপক্ব ডিম্বককে ।
  • ইউরিয়া সারের কাঁচামাল – মিথেন গ্যাস ।
  • ‘সূর্যের কন্যা’ বলা হয় – তুলা গাছকে ।
  • বাংলাদেশে প্রথম সেগুন বাগান করা হয় – ১৯৭৩ সালে ।
  • চাষাবাদ প্রক্রিয়ার যে যে অংশ এদেশে এখন পর্যন্ত যান্ত্রায়িত হয়েছে – জমি কর্ষণ, চারা রোপন, বালাই দমন ও পানি সেচ ।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ টিপস

  • যে ঘরে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানো হয় তাকে বলে – হ্যাচারি ।
  • বীজ বপন করা যায় – তিন ভাবে ।
  • জীবদেহের গঠন ও কাজের একক – কোষ ।
  • জমির আর্দ্রতা সংরক্ষণ করার জন্য – মালচিং করা হয় ।
  • আনারস, পুদিনা, চন্দ্রমল্লিকার কান্ড যে ধরনের – সাকার ।
  • ব্রকলি যে ধরনের সবজি – ফুল জাতীয় ।
  • পেঁয়াজের চারা রোপণ করা উচিত – ২০-৩০ দিন বয়সে ।
  • ৩ মি. ১ মি. বীজতলায় চুন প্রয়োগ করা উচিত – ২০০ গ্রাম ।
  • বীজতলার ঢাকনি খুলে দিতে হয় – প্রতিদিন বিকালে ।
  • বাংলাদেশের যে বনভূমি থেকে প্রচুর পরিমাণে মধু আহরণ করা হয় – সুন্দরবন ।
  • বাংলাদেশের লোনা পানিতে যে চিংড়ি চাষ সবচেয়ে লাভজনক – বাগদা চিংড়ি ।
  • যে হাঁস মাংসের জন্য প্রসিদ্ধ – পেকিন ।
  • সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন করে কোষের যে অংশ – ক্লোরোপ্লাস্ট ।
  • পরাগায়ন – দুই প্রকার, স্বপরাগায়ন ও পরপরাগায়ন ।
  • আমাদের দেশের কৃষিকাজে পশুশক্তির ব্যবহারের সবচেয়ে বড় বাঁধা – পশুখাদ্যের অভাব ।
  • মূলের যে অংশ মাটি থেকে খাদ্য শোষণ করে – মূলরোম অঞ্চল ।
  • উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টির উপাদান – ৮টি ।
  • ‘সুমাত্রা’ ও ‘ম্যানিলা’ হলো – উন্নজাতের তামাক ।
  • ধান গাছের ক্রোমোজোম সংখ্যা – ২২ জোড়া ।
  • ধানের ব্লাস্ট রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী – ছত্রাক ।
  • উদ্ভিদ মাটি থেকে যে ‍পুষ্টি উপাদান পেয়ে থাকে – সালফার ।
  • ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন-এর পরিমাণ – প্রায় ৪৬ ভাগ ।
  • রোগিং বলতে বোঝায় – সুস্থ সবল গাছ জন্মানোকে ।
  • পাতার একটি স্বাভাবিক কাজ হলো – প্রস্বেদন ।
  • প্লাস্টিকের তৈরি একটি আধুনিক বপন যন্ত্রের নাম – ড্রাম সিডার ।
  • মাশরুম এক ধরনের – ছত্রাক ।
  • আলু উৎপাদন বেশি হয় – বেলে-দোআঁশ ও দোআঁশ মাটিতে ।
  • খাঁচা পদ্ধতিতে একটি হাঁসের জন্য জায়গা দরকার – ০.০৭ ব. মি. ।
  • পাটের ক্রোমোজোমের সংখ্যা – ১৪টি ।

Leave a comment

Your email address will not be published.