গাপটিলের সেঞ্চুরিতে সিরিজ নিউজিল্যান্ডের

প্রথম ওয়ানডের মতো দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও বাংলাদেশের পরাজয়ের কারণ ওই মার্টিন গাপটিল। টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে সিরিজটিই নিজেদের করে নিলেন তিনি। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। এতে করে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে কিউইরা। বাংলাদেশের করা ২২৬ রান টপকানোর লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে নিকোলসকে নিয়ে ৭.৪ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৪৫ রান যোগ করেন গাপটিল। টাইগার বোলারদের পরিবর্তন করিয়েও কোনও সুফল পাচ্ছিলেন না অধিনায়ক মাশরাফি। পরে ৬ষ্ঠ ওভারে বল তুলে দেন মুস্তাফিজের হাতে। তিনি চতুর্থ বলেই ব্রেকথ্রু দেন। প্যাভিলিয়নের পথ দেখান নিকোলসকে। ওটাই শেষ এরপর ক্রিজে এসে উইলিয়ামসন জুটি বাঁধেন গাপটিলের সঙ্গে। করেন ১৪৩ রানের পার্টনারশিপ। যা দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।

দলীয় ১৮৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে ফিরে যান মার্টিন গাপটিল। এবারও সেই মুস্তাফিজ। ২৯তম ওভারের পঞ্চম বলে ফিজের শটপিচ ডেলিভারি হুক করতে গিয়ে বাউন্ডারির কাছাকাছি লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত হন গাপটিল।যদিও তার আগে কাজের কাজটি তিনি করে যান। ৮৮ বলে ১৪ চার ও ৪ ছয়ে ১১৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। তার বিদায়ের পরপরই অর্ধশত তুলে নেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৬৫ রানে ও টেইলর ২১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অনবদ্য সেঞ্চুরির সুবাদে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার যায় গাপটিলের হাতে।বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেটই লাভ করেন মুস্তাফিজুর রহমান

গাপটিলের সেঞ্চুরিতে সিরিজ নিউজিল্যান্ডের

এর আগে টস হেরে বৃষ্টিস্নাত সকালে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। কিউই বোলারদের পেসে কিছুতেই পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। দলের অর্ধশত পূরণের আগেই প্রথম সারির তিন ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। শুরুর এ ধাক্কা সামলাতে সময় লেগেছে ৩৪ ওভার পর্যন্ত। হেগলি ওভালে যেখানে তিনশ’র বেশি রান করাও সম্ভব, সেখানে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নাজেহাল হয়েছে কিউই পেসারদের কাছে।গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও অর্ধশতক তুলে নেন মিঠুন । ৬৯ বলে সাতটি চার আর এক ছয়ে করেন ৫৭ রান।মিঠুনের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন সাব্বির রহমান। মাঝে মেহেদী মিরাজ করেন ২০ বলে ১৬ রান।মিঠুনের পর সাব্বিরও যখন অর্ধশতকের কাছে তখনই বাঁধান বিপত্তি।

ফার্গুসনের স্লোয়ার বলে জিমি নেশামের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৬৫ বলে ৪৩ রান করে।শেষদিকে সাইফউদ্দিনের ১০, মাশরাফির ১৩ আর মুস্তাফিজের ৫ রানে ভর করে ৪৯.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে উইকেটে ২২৬ রান পর্যন্ত তুলতে পারে বাংলাদেশ।নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ২ উইকেট করে নেন টড এস্টলে  ও জিমি নেশাম। ১টি করে উইকেট নেন হেনরি, ট্রেন্ট বোল্ট, গ্র্যান্ডহোম।আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ডুনেডিনে কিউইদের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। শুধু লক্ষ্য থাকবে হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

source-rtv

Leave a comment

Your email address will not be published.