চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ১৬ রানে জয়ী।

২২১ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়েও দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-ইমরুল কায়েসদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন ঢাকা প্লাটুনের শ্রীলংকান অলরাউন্ডার থিসেরা পেরেরা। শেষ পর্যন্ত তরুণ পেসার মেহেদী হাসান রানার কৌশলী বোলিংয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ঢাকার প্রয়োজন ছিল ৩৪ রান। ১৯তম ওভারে চট্টগ্রামের ক্যারিবীয় বোলার কেসরিক উইলিয়ামসনকে প্রথম দুই বলে ছক্কা ব্যবধান অনেকটাই কমিয়ে ফেলেন থিসেরা পেরেরা।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২১ রান। ব্যাটিংয়ে ছিলেন থিসেরা পেরেরা ও অনকোরো ব্যাটসম্যান সালাউদ্দিন শাকিল। শেষ ওভারে মেহেদী হাসান রানা নিচু লেন্থে বোলিং করায় চেষ্টা করেও মাটি কামড়ানো বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেননি পেরেরা। বাউন্ডারি হাঁকাতে ব্যর্থ হওয়ায় দলকে জয়ের দুয়ারে নিয়ে যেতে পারেননি এই শ্রীলংকান। শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ২৭ বলে তিনটি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪৭ রান করেন পেরেরা। তাকে কেউ সঙ্গে দিতে পারলে অসম্ভবকে সম্ভব করে দলকে জয় উপহার দিতে পারতেন এ অলরাউন্ডার।

বিপিএল সপ্তম আসরের ১২তম ম্যাচে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও লেন্ডল সিমন্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেটে ২২১ রানের পাহাড় গড়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২০৫ রানে অলআউট হয় ঢাকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন ওপেনার মুমিনুল হক সৌরভ। তার ইনিংসটি ৩৫ বলে তিন চার ও দুটি ছক্কায় সজানো। এছাড়া ৪৭ রান করেন পেরেরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর

চট্টগ্রাম: ২০ ওভারে ২২১/৪ (মাহমুদউল্লাহ ৫৯, সিমন্স ৫৭, ইমরুল ৪০, ওয়ালটন ২৭*, ফার্নান্দো ২৬)।

ঢাকা প্লাটুন: ২০ ওভারে ২০৫/১০ (মুমিনুল ৫৩, পেরেরা ৪৭, জাকির আলী ২৭, মাশরাফি ২৩; মেহেদী হাসান রানা ৩/২৩)।

ফল: চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ১৬ রানে জয়ী।

Leave a comment

Your email address will not be published.