জোড়া শতকে হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ে

odi

এলেন, খেললেন, জয় করলেন। এই তিনটা শব্দ একসাথে করলে আপাতত ‘সৌম্য সরকার’ নামটার বিশেষণ দাঁড়ায়। কি অসাধারণ খেললেন ইমরুল কায়েসকে সঙ্গে নিয়ে! জাতীয় লিগ থেকে আগের দিন খুলনা থেকে চট্টগ্রাম। এই ম্যাচে খেলবেন কি না সেটারও কোনও নিশ্চয়তা ছিল না।সফরকারী জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৮৭ রানের লক্ষ্য টপকানোর মিশনে নেমে কাইল জার্বিসের ওভারে ইনিংসের প্রথম বলেই লেগ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফিরলেন লিটন দাস।ওপেনিংয়ের হাল টা তাই সৌম্যকেই ধরতে হলো ইমরুলের সঙ্গে। অথচ এই সৌম্যকে বাইরে রেখেই ঘোষনা করা হয়েছিল ওয়ানডে সিরিজের দল। এই সিরিজে অভিষিক্ত ফজলে রাব্বির টানা দুই শূন্যতে বলা যায় কপাল খুলে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের।

ইমরুল-সৌম্য মিলে করলেন ২২০ রানের জুটি। এই রান করতে দুজনে খেলেছেন ২৯.৫ ওভার।সৌম্য যখন সাজঘরের পথে তখন তার নামের পাশে ৯২ বলে ১১৭ রানের ইনিংস। এই ইনিংসে ছিল নয়টি চার আর ছয়টি ছয়। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকটা উদযাপন করলেন শূন্যে ভেসে।আগের ম্যাচে নার্ভাস নাইন্টিতে আউট হওয়ায় এই ম্যাচে সতর্কতার কমতি ছিল না ওপেনার ইমরুল কায়েসের। ধীরে-সুস্থে অর্ধশতক পূর্ণ। এই অর্ধশতকের ইনিংস নিয়ে গেলেন শতকে। স্বপ্নের মতো একটা সিরিজ খেলে টপকে গেলেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালকেও। তিন ম্যাচের সিরিজে যেখানে তামিমের ছিল সর্বোচ্চ ৩১২ রান। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৪৪, দ্বিতীয় ম্যাচে ৯০ আর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১১৫ রান। সব মিলে ইমরুল কায়েস করলেন ৩৪৯ রান।এই বাংলাদেশের সামনে ২৮৭ রানও যেন মামুলি লক্ষ্য। সৌম্য-ইমরুলের বিদায়ের পর শেষের ফিনিশিংটা দেন মুশফিকুর রহিম। ৩৯ বলে ২৮ রান করে  ৭ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাটের মিঃ ডিপেন্ডেবল।এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে শেন উইলিয়ামসের শতকে ২৮৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশের সামনে।

শতক হাঁকানোয় ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠে সৌম্য সরকারের হাতে। তিন ম্যাচের সিরিজে দুই শতক আর এক অর্ধশতকের পুরস্কার হিসেবে সিরিজ সেরার পুরস্কার উঠে ইমরুল কায়েসের হাতে।ওয়ানডে সিরিজের ধবল ধোলাইয়ের ক্ষত নিয়ে আগামী ৩ নভেম্বর সিলেটে প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে জিম্বাবুয়ে।

 

source-rtv

Leave a comment

Your email address will not be published.