পাঠানের ঝড়ো ইনিংস এ হায়দারাবাদের বিজয়

ফের জ্বলে উঠেছিল পৃথ্বী শ ও শ্রেয়স আইয়ারের ব্যাট। শনিবার সাকিব আল হাসানদের সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জিতে দলকে আশার আলো দেখাতে মরিয়া লড়াই করলেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের দুই তরুণ ব্যাটসম্যান। কিন্তু তাদের লড়াই বিফলে গেল আলেক্স হেলস, শিখর ধওয়ন ও ইউসুফ পাঠানের পাল্টা ব্যাটিংয়ে। সাত উইকেটে এই হারে আইপিএল প্লে-অফের দৌড় থেকে কার্যত ছিটকে গেল দিল্লি (১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট)। লিগ তালিকায় সাত নম্বরে তারা। ফের শীর্ষে উঠে এল হায়দরাবাদ। ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের দোরগোড়ায় তারা।

শনিবার হায়দরাবাদে ১৮তম ওভারে ব্যাট করতে নামেন প্রাক্তন কেকেআর তারকা ইউসুফ পাঠান। ১২ বলে ২৭ রান করেন দু’টি চার ও দু’টি ছয় মেরে। তিনি কোনও রান করার আগেই ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে দাঁড়িয়ে তাঁর ক্যাচ ফেলেন বিজয় শঙ্কর। সেই ক্যাচ ছেড়ে যেমন ম্যাচ ছাড়ল দিল্লি, তেমনই প্লে-অফের আশাও কার্যত ছাড়তে হল তাদের। পৃথ্বী (৬৫) ও শ্রেয়সের (৪৪) ৮৬ রানের জুটি দিল্লিকে সানরাইজার্সের জন্য ১৬৪ রানের লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করে। লেগস্পিনার রশিদ খান ২৩ রান দিয়ে ফেরান পৃথ্বী ও ঋষভ পন্থকে। এক বল বাকি থাকতে জয়ের রান তুলে ফেলে সানরাইজার্স। ঘরের মাঠে এটাই সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয় তাদের।

পাঠানের ঝড়ো ইনিংস

পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে আবেশ খানের বলে চারটি ছয় মারেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার আলেক্স হেলস‌ (৩১ বলে ৪৫) ও শিখর ধওয়ন (৩০ বলে ৩৩)। তার পরে শেষ পাঁচ ওভারেই ফের ঝড় ওঠে। খেলা শেষের ১৭ বল বাকি থাকতে মণীশ (১৭ বলে ২১) ফিরে যান। সেই ওভারেই ইউসুফ পাঠানের ক্যাচ ফস্কান বিজয় শঙ্কর। যার চরম মাশুল দিতে হয় দিল্লিকে। শেয দু’ওভারে যখন ২৮ রান বাকি, তখন ট্রেন্ট বোল্টকে একটি ছয় ও একটি চার মারেন পাঠান। শেষ ওভারে জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। দ্বিতীয় বলেই ড্যান ক্রিশ্চিয়ানের ফুলটসে সোজা ছয় মারেন পাঠান। পরের বলেই পুল করে চার। যা জেতার জন্য ছিল যথেষ্ট।

জেতার পরে উইলিয়ামসন বলেন, ‘‘দিল্লি আমাদের চাপে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু বোলাররা আমাদের ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।’’ পাঠানের ঝোড়ো ইনিংস নিয়ে বলেন, ‘‘পাঠান খুব ভাল শট মারে। কঠিন সময়ে ভালো খেলে দিলো। এখনও আমাদের অনেকগুলো ম্যাচ বাকি। সেই ম্যাচগুলোতে আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।’’ অন্য দিকে, হতাশ দিল্লি অধিনায়ক শ্রেয়স বলেন, ‘‘একটা সময় পর্যন্ত জয়ের দিকে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ছবিটা বদলে গেল।’’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *