পুতিন সুরক্ষিত, বাকি সবাই অরক্ষিত।

বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজল। জয়ের উল্লাসে আপ্লুত ফ্রান্স। পরাজয়ের বিষাদে বিমর্ষ ক্রোয়েশিয়া। অবশেষে এলো পুরস্কার বিতরণের ক্ষণ। মাঝপথে বাধ সাধল বেরসিক বৃষ্টি। যেনতেন বৃষ্টি নয়, একেবারে মুষলধারে বৃষ্টি। বৃষ্টিতেই চলল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সেখানে দেখা গেল এক অদ্ভুত চিত্র- শুধু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ­াদিমির পুতিনের মাথার ওপর ছাতা।

অথচ পাশেই দাঁড়িয়ে ভিজছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা গ্রাবার কিতারোভিচ ও ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। কিন্তু পুরস্কার বিতরণীর সময় শুধু পুতিনের মাথায় ছাতা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। পুতিনের এমন ছাতাকাণ্ডে পুরো বিশ্ব অবাক। সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিশ্বগণমাধ্যমে। ছি ছি পড়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয়। খবর বিবিসি ও এএফপির।

অনেকের মনেই প্রশ্ন, রাশিয়ার কর্মকর্তারা আরও কয়েকটি ছাতা নিয়ে এলে কী এমন ক্ষতি হতো! বৃষ্টিতে ভিজে একাকার পুতিন বাদে বাকি সবাই। বিজয়ী ফ্রান্স ও বিজিত ক্রোয়াশিয়া দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ফরাসি নেতা ম্যাক্রোঁ যখন করমর্দন করছিলেন, বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার কালো সুট আরও কালো হয়ে গেছে। কে জানে হয়তো তার মনও!

ক্রোয়েশিয়ার কোলিন্ডা অবশ্য বেশ উৎফুল্লই ছিলেন। লাস্যময়ী এ প্রেসিডেন্ট এবারের বিশ্বকাপে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছেন তার সৌন্দর্য দিয়ে, ফুটবলপ্রীতি দিয়ে। বৃষ্টি যেন তার সেই রূপ আরও মোহনীয় করে তুলল। ঠিক যেন, এক উচ্ছল তরুণীর বৃষ্টিতে অবগাহন। পুতিন তার কৌশল ও রাজনৈতিক মাইন্ডগেমের জন্য সারা বিশ্বে এরই মধ্যে ‘স্ট্রংম্যান’ হিসেবে খ্যাত।

ছাতাকাণ্ডের এই দৃশ্য দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিসহ অনেকে লিখেছেন, ‘এটাই বাস্তব চিত্র। পুতিন সুরক্ষিত, বাকি সবাই অরক্ষিত। এ ছবি পুতিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

source-jugantor

Leave a comment

Your email address will not be published.