প্রাণ ফিরেছে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে 

করোনার কারনে দীর্ঘ চার মাস স্টেডিয়ামগুলো বন্ধ থাকার পর অবশেষে ক্রিকেটারদের আগমন খুলে গেল বন্ধ দুয়ার । ক্রিকেট চালু হওয়ার পর এত দীর্ঘ সময় মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামকে ‘নিস্তব্ধপুরী’ হয়ে থাকতে দেখেননি কেউ । 

দলীয় অনুশীলন শুরু না করলে ও ব্যাক্তিগত অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছে বিসিবি । বিশেষ করে চার বিভাগীয় শহরের চারটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম সীমিত পরিসরে ক্রিকেটারদের অনুশীলন করার জন্য রবিবার খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন ৩ স্টেডিয়ামে ৮ জন ক্রিকেটার পর্যায়ক্রমে অনুশীলন  করেন ।

করোনা সংক্রমন এড়াতে বিসিবি কিছু নিয়ম করে দেয় । একই সময় একজন ক্রিকেটার অনুশীলন করতে পারবেন সাথে একজন ট্রেনার থাকবে । তিনিও সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে অনুশীলন করাবেন। ওই সময় বিসিবির কোনো গ্রাউন্ডসম্যান, র্স্টাফ কিংবা কর্মকর্তা মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না । সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে-ছবি নিতে পারবেন এবং টিভির ক্যামেরাম্যানরা দূর থেকে ফুটেজ নিতে পারবেন । প্রথম ক্রিকেটার অনুশীলন করে উঠে যাওয়ার পরই দ্বিতীয় ক্রিকেটার মাঠে নামতে পারবেন । 

রবিবার মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টিডিয়ামে অনুশীলন করেন মি.ডিপেন্ডাবল মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন ও পেসার শফিউল ইসলাম সোমবার দিন অনুশীলন করবেন ইমরুল কায়েস । 

সিলেটের দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছেন পেসার খালেদ আহমেদ ও বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ । খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান ,অফ স্পিনার মেহেদি হাসান , এবং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ । চট্রোগ্রাম অনুশীলন করার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারনে মাঠেই নামতে পারেননি স্পিনার নাইম হাসান। 

ট্রেনারের তত্ত্বাবধানে চলে ক্রিকেটারদের রানিং । নেটে ছিলেন না কোনো বলার । বোলিং মেশিনে ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন মুশফিক-মিঠুনরা । 

বিসিবি পরিচালক এবং ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান জানান, তারা গত মে মাস থেকেই ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ফেরার অনুরোধ পেয়ে আসছিলেন কিন্ত্ত করোনার প্রকোপ দিনে দিনে বাড়ার কারনে, তারা খেলোয়াড়দের অনুৎসাহিত করেছে আউটসাইডে অনুশীলনের ব্যাপারে।  

Leave a comment

Your email address will not be published.