বেলজিয়াম ২-০ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে জিতে নেয় ব্রোঞ্জ মেডেল।

বিশ্বকাপ জয়ের আশা শেষ। লড়াইটা ছিল সম্মান রক্ষার। সেমিফাইনালে পরাজিত দুটি দল বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি তৃতীয় স্থানের লড়াইয়ে। তাতে বেলজিয়াম ২-০ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে জিতে নেয় ব্রোঞ্জ মেডেল। চলতি বিশ্বকাপেই বেলজিয়ামের কাছে দ্বিতীয় বারের মত হারল ইংলিশরা। সম্মান রক্ষার এই লড়াইয়ে থার্ড বয়ও হতে পারলো না হ্যারি কেন। তবে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে শীর্ষেই রইলেন তিনি। বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ৮টায় মুখোমুখি হয়েছিল সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দল ‍দুটি।

গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে হারতে হয়েছিল ইংল্যান্ডকে। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরেছে বেলজিয়াম আর ক্রোয়েশিয়ার কাছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তৃতীয় স্থানের জন্য খেলেছে বেলজিয়াম। এর আগে ১৯৮৬ সালে তৃতীয় স্থান নির্ধারনি ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল তারা। এবার ৪৫ এ পা দেয়া কোচ মার্টিনেজকে জন্মদিনের উপহার হিসেবে ব্রোঞ্জ পদকই তুলে দিলো শিষ্যরা।

অন্যদিকে গ্রুপ পর্যায়ে ম্যাচ হারের প্রতিশোধ নেয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামে থ্রি লায়ন্সরা। এর আগে ১৯৯০ সালে ইতালির কাছে তৃতীয় স্থানের ম্যাচ হেরেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেন্ট পিটার্সবার্গে পাঁচ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামা ইংলিশরা কিছু বুঝে উঠার আগেই মাত্র ৪ মিনিটে নাসের চাডলির বাড়ানো বলে মিউনিয়ের পরা¯Í করেন ইংলিশ গোলকিপার পিকফোর্ডকে (১-০)। তবে মাঝ মাঠ থেকে বেলজিয়ামের আক্রমণটি ছিল সম্মিলিত। যে আক্রমণে অবদান ছিল ডি ব্রæইন, লুকাকু ও হেজার্ডের। মিউনিয়ের বেলজিয়ামের দশম খেলোয়াড় হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপে গোল করলেন। ১৯৮২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের ভিন্ন ১০ জন খেলোয়াড় গোল করার কৃতিত্ব দেখান। ২০০৬ বিশ্বকাপে একই কীর্তি গড়েছিলেন ইতালির খেলোয়াড়রা। আর এবার বেলজিয়াম।

বেলজিয়াম ইংল্যান্ডকে হারিয়ে জিতে নেয় ব্রোঞ্জ মেডেল

এরপর বেশিরভাগ আক্রমনে যায় বেলজিকরা। কিন্তু সহজ সুযোগগুলি নস্ট করেন ফরোয়ার্ড ও মিডফিল্ডের খেলোয়াড়রা। তন্মধ্যে লুকাকু ও চাডলির মিসগুলো ÿমার অযোগ্য। ইংলিশরা সমতায় ফেরার মতো দুটি আক্রমনই করতে পেরেছে। হ্যারিকেন ও স্টালিংয়ের ভুল শটে আক্ষেপই থাকতে হয়। লিড নিয়েই বিরতিতে যায় বেলজিয়াম।

ফিরেই কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে হ্যাজার্ডরা। কিন্তু ইংলিশ রক্ষণের দৃঢ়তায় ব্যর্থ হয়। লুকাকুকে পেনাল্টি সিমানায় যে বলটি দিলেন হ্যাজার্ড সেটি আয়ত্বে নিতে পারলেন না লুকাকু। ৬৫ মিনিটে লিংগার্ডের ২৩ গজ দুর থেকে জোরালো শট রুখে দেন বেলজিয়াম কিপার কোর্তোজ। ৭০ মিনিটে দায়ার বল আয়ত্বে নিয়ে আগুয়ান কোর্তোজকে ফাকি দিয়ে বলটি উচু করে পোস্টে তুলে দেন। নিশ্চিত গোলটি রক্ষা করেন বেলজিয়ামের রÿনভাগের প্লেয়ার আলদারওয়ারেল্ড। ৮০ মিনিটে সম্মিলিত আক্রমনে মিউনিয়ের ভলি শট রুখে দেন পিকফোর্ড। ৮২ মিনিটে ডি ব্রুইনের বাড়ানো বলে হ্যাজার্ড চমৎকার প্লেসিং শটে পরাস্ত  পিকফোর্ডকে (২-০)। পরে আর কোন গোল না হলে তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করে বেলজিয়াম।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

source-nayadiganta

Leave a comment

Your email address will not be published.