মুম্বাই জয় পেয়েছে ১৩ রানের।

শেষ চারের আশা টিকিয়ে রাখতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। আর এমন চেষ্টায় সফলতার দিকেই যাচ্ছে দলটি। পয়েন্ট টেবিলের তলানি থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রবিবার (৬ মে) প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কেকেআরকে ১৮২ রানের লক্ষ্য দেয় মুম্বাই। এমন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ছ‘উইকেট হারিয়ে রানে ১৬৮ রান করে থেমে যায় কিং খানের ছেলেরা। ফলে ১৩ রানের জয় পায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তবে এই জয়টিও গ্ল্যারিতে বসে দেখতে হলো মোস্তাফিজকে।

এই জয়ের পরও নিরাপদ চার নিশ্চিত হয়নি। তবে হেরে গেলে বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যেত এমন ম্যাচে ২ পয়েন্ট তাদের আশা ভালোমতোই বাঁচিয়ে রাখল। যদিও এই ম্যাচটাও দর্শক হয়ে দেখতে হলো মোস্তাফিজুর রহমানকে। মোস্তাফিজের বদলি হিসেবে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন যিনি, সেই বেন কাটিং অবশ্য আজও বল হাতে ২ ওভারে ২৩ রান দিয়েছেন। বেশির ভাগ দিনেই কাটিংকে পুরো ব্যবহার করছে না মুম্বাই। আজও যেমন ব্যাটিং পাওয়া হয়নি তার।

এদিন প্রথমে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সূর্যকুমার যাদবের ৫৯, লুইসের ৪৩, হার্দিক পান্ডিয়ার অপরাজিত ৩৫ রানের উপর ভর করে নর্ধিারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে কিং খানের ছেলেদের ১৮২ রানের টার্গেট দেয় মুম্বাই।

কলকাতার হয়ে দুটি করে উইকেট পেয়েছেন অ্যান্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারিন।

১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে কলকাতা। দলীয় ২৮ রানে পৌছাতেই দুই উইকেট হারায় কেকেআর। তবে কাঙ্খিত লক্ষের দিকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পার ফিফটি ও রানার ৩১ রানের ইনিংস। তবে তাদের বিদায়ের পর স্বপ্ন ভাঙ্গে কেকেআরের। দলের হয়ে কেউ আর বলার দমতো কিছুই করতে পারেননি। শেষের দিকে অধিনায়ক কার্তিকের অপরাজিত ৩৬ রানরে ফলে ১৬৮-তে থেমে যায় কেকেআর।

মুম্বাইয়ের হয়ে দুটি উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন বুমরা, মারকান্দে, ক্রনাল পান্ডিয়া ও মিচেল ম্যাকক্লেঘান।

Leave a comment

Your email address will not be published.