সিক্সার্সরা হতাশ করল সিলেটকে

ঘরের মাঠে দুর্দান্ত শুরুর অপেক্ষায় ছিল সিলেট সিক্সার্স। স্বাগতিক দর্শকরাও ভালো একটা ম্যাচের অপেক্ষায় এসেছিল মাঠে। ঢাকার ম্যাড়ম্যাড়ে উইকেটকে বিশ্রাম দিয়ে সিলেট পর্বে বড় স্কোর দেখার আশা ছিল দেশের ক্রিকেটের সমর্থকদের।দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী কিংস আর খুলনা টাইটানসের ম্যাচটাও শেষ হয়েছিল কম রানে। যদিও আসরের প্রথম ম্যাচ জিতে খুলনা সেই আক্ষেপ ভুলিয়ে দিয়েছে।কিন্তু সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ম্যাচে যে এমন ভরাডুবি হবে সিলেটের সেটা কে জানতো! যে দলে ডেভিড ওয়ার্নার, নিকোলাস পুরান, আন্দ্রে ফ্লেচারদের মতো টি-টোয়েন্টি স্পেশালিষ্ট ব্যাটসম্যানরা আছে সেই দলটা নাম লেখাল বিপিএলের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে আউট হয়ে যাবার তালিকায়।

আজ নিজেদের মাঠে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের কাছে টসে হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় সিক্সার্সরা।ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার মিলে প্রথম ওভারটা সামাল দেন কোনোরকম। এরপরের ওভারে মেহেদী হাসানের বলে এক ওভারে তিন উইকেট খোয়ায় সিক্সার্সরা।এক থেকে ছয় নম্বর ব্যাটসম্যান ০, ৪, ৬, ০, ০, ৬ হলো তাদের রানের অংক। দলীয় ১৬ রানেই যখন ৬ উইকেট শেষ, তখন দলকে লজ্জা থেকে বাঁচান লোকাল বয় অলোক কাপালি।কাপালি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে। বাকি চার ব্যাটসম্যান মিলে করেন ১৪ রান।সব মিলে ১৪.৫ ওভারে ৬৮ রান পর্যন্ত তুলতে পারে সিলেট সিক্সার্স।

কুমিল্লার হয়ে ৪ উইকেট নেন মেহেদী হাসান, ৩ উইকেট নেন ওয়াহাব রিয়াজ। ২টি উইকেট নেন লিয়াম ডসন ও ১টি উইকেট নেন সাইফুদ্দিন।২০১৬ সালে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ৪৪ রানে অল আউট হয়ে বিপিএলে সর্বনিন্ম রানের রেকর্ডটা নিজেদের করে নিয়েছিল খুলনা টাইটানস। এরপর ২০১৫ সালের আসরে সিলেট সিক্সার্সের কাছে ৫৮ রানে অল আউট হয়ে যায় বরিশাল বুলস।বিপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বনিন্ম স্কোরটাও করেছিল এই সিলেট সিক্সার্স। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৫৯ রানে অল আউট হয়েছিল ২০১৫ সালের আসরে। আজ ৬৮ রানে অল আউট হয়ে এই তালিকায় ১১ নম্বরে এখন সিলেট সিক্সার্স।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

source-rtv

Leave a comment

Your email address will not be published.