স্বপ্নভঙ্গের দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে আফগানিস্তান।

 

কিছুদিন আগে এই দলটাই দুবাইতে জিম্বাবুয়েকে নাস্তানাবুদ করেছে। প্রস্তু

তি ম্যাচে হারিয়েছে গেইল-লুইসদের ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তবে বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার রাউন্ডে হটাৎ খেই হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান। প্রথমে আফগানদের চমকে দিল স্কটল্যান্ড, এরপর জিম্বাবুয়ের সঙ্গে নিশ্চিত জয়ের ম্যাচে ২ রানের আক্ষেপে পুড়তে হলো তাদের। এর চেয়েও বড় ধাক্কা অপেক্ষা করে ছিল আইসিসির সাম্প্রতিকতম পূর্ণ সদস্যদের একটি আফগানিস্তানের জন্য। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে এবার আফগানিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে হংকং। গ্রুপ-পর্বে আর একটি ম্যাচ বাকি আছে আফগানিস্তানের, যেটা শুধু জিতলেই হবে না তাদের- মেলাতে হবে নেট রান-রেটের অনেক হিসাবও। খাতা-কলমে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের স্বপ্নটা এখনও টিকে আছে তাদের, তবে স্বপ্নভঙ্গের দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়েই দেখতে হবে সেই স্বপ্ন।

৫ রানের ব্যবধানেই ৩ উইকেট হারিয়েছিল হংকং- ৩৮ রানে ০ উইকেট থেকে তারা পরিণত হয়েছে ৪৩ রানে ৩ উইকেটে। অধিনায়ক বাবর হায়াতের সঙ্গে আনশুমান হাথের এরপর ৫০ রানের জুটি। ৩১ রান করে হায়াত  আউট হয়েছেন মোহাম্মদ নবীর বলে।

৫ম উইকেটে স্কট ম্যাকেকনির সঙ্গে ৬৭ রান যোগ করেছেন রাথ। মুজিবের বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ার আগে করেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫ম ফিফটি, ৯০ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে করেছেন ৬৫ রান। রাথ হয়েছেন মুজিব-উর-রেহমানের তৃতীয় শিকার, ১০ ওভার বোলিং করে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন এই ১৭ বছর বয়স্ক স্পিনার। এরপর হংকংকে টেনেছে তাদের লেট মিডল ও লোয়ার অর্ডার। ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ব্যাটোসম্যান মিলে যোগ করেছেন ৮৫ রান। ৯ নম্বরে নামা তানউইর আফজাল করেছেন ৯ বলে ২২ রান!  মুজিবের মতো ৩টি উইকেট নিয়েছেন নবীও।

স্বপ্নভঙ্গের দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে আফগানিস্তান

সেই আফজালই হেনেছেন আফগান ইনিংসে প্রথম আঘাত। এরপর ঝলক এহসান খানের। ১ রান ও ৪ বলের ব্যবধানে তিনি ফিরিয়েছেন রহমত শাহ ও ইহসানউল্লাহকে। ২০তম ওভারে বোলিং করতে এসে অফস্পিনার এহসান বোল্ড করেছেন শামিউল্লাহ শেনওয়ারিকে- আফগান ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ডই যেন তিনি ভেঙ্গে দিয়েছেন ওই এক স্পেলে।

ভাঙা মেরুদন্ড নিয়ে আফগানদের চলার পথে সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন এরপর মোহাম্মদ নবী। সঙ্গে ছিলেন নাজিবুল্লাহ জাদরান। দুইজনের ৫৯ রানের জুটি ভেঙেছেন নাদিম আহমেদ, এলবিডাব্লিউ হয়েছেন জাদরান। এরপর রান-আউট নবী, রশীদ খান ও দাওলাত জাদরানের জুটি থমকে দাঁড়িয়েছে প্রবল বৃষ্টিতে। ৭ উইকেটে আফগানিস্তানের রান তখন ১৬৭, ডি-এল পদ্ধতিতে তখন প্রয়োজন ছিল ২০২ রানের।

বৃষ্টি থামার পর নতুন লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ৪৬ ওভারে ২২৬, খেলা শুরুর প্রথম ওভারে রশীদ খানকে ফিরিয়েছেন এহসান। তার পরের ওভারে ২০ রান নিয়েছেন দাওলাত, তবে তা শুধু নেট রান-রেটের হিসাবেই যা একটু প্রভাব ফেলেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published.