হার দিয়ে শুরু টি-টোয়েন্টি

west indies

খোলস বদলের সঙ্গে যেন নিজেরাও বদলে গেল! টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডে সিরিজটাও নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রত্যাশা টি-টোয়েন্টি সিরিজটাও নিজেদের করে নেয়ার। যদিও বাকি আছে তিন ম্যাচের সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ।সিলেটে টাইগারদের হার অব্যাহতই রয়ে গেল। এই মাঠে এখন পর্যন্ত তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। মাঝে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটাই সফলতা এনে দেয়।সিরিজের প্রথম ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

ব্যাটিং করতে নেমে ক্যারিবীয় বোলারদের তোপের মুখে শক্ত প্রতিরোধ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। সাকিব ছাড়া বাকি ৯ ব্যাটসম্যানের সবাই ছিল আসা-যাওয়ায় ব্যস্ত।সাকিবের ৬১ রানের সঙ্গে বাকি নয়জন মিলে যোগ করেন ৬৮ রান। গোটা ২০ ওভারও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তাতে সব উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে সংগ্রহ ১২৯ রান।ক্যারিবীয়দের হয়ে ৪ উইকেট নেন শেলডন কট্রেল। কেমো পল নেন ২ উইকেট। ১ উইকেট করে নেন ওশান থমাস, কার্লোস ব্রেথওয়েট ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন।এই ফরম্যাটের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভার থেকেই চড়াও হোন টাইগার বোলারদের উপর।ওয়ানডে সিরিজে টানা দুই শতক পাওয়া শাই হোপ টি-টোয়েন্টিতে এসেও খেললেন দুর্দান্ত ইনিংস। তুলে নেন এই ফরম্যাটে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক।

মাহমুদুল্লাহর বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ২৩ বলে ৫৫ রানের ইনিংসে ছিল ৩টি চার আর ৬টি ছয়।হোপ ছাড়াও আরেক ওপেনার এভিন লুইস করেন ১৮ রান। নিকোলাস পুরান করেন ২৩ আর কেমো পল করেন ২৯ রান।বাংলাদেশের হয়ে ১ উইকেট করে নেন সাইফুদ্দিন আর মাহমুদুল্লাহ।৮ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল ক্যারিবীয়রা। চার উইকেট নেওয়ায় ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে শেলডন কট্রেলের হাতে।সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায় আগামী ২০ ডিসেম্বর।

 

 

 

 

source-rtv

Leave a comment

Your email address will not be published.