হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫ হুমায়ূন আহমেদ

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫

এলিতা শব্দ করে হাসছে। তার হাসি দেখতে এবং হাসির শব্দ শুনতে ভাল লাগছে। বাংলাদেশের কিশোরীরা শব্দ করে হাসে। একটু বয়স হলেই হাসির শব্দ গিলে ফেলে হাসার চেষ্টা করে। চেষ্টাতে সাফল্য আসে। এক সময় হাসির শব্দ পুরোপুরি গিলে ফেলতে শিখে যায়। হারিয়ে ফেলে চমৎকার একটি জিনিস।

এলিতা বলল, প্রচণ্ড ঘুম পাচ্ছে।ঘুমিয়ে পর। যথাসময়ে জাগিয়ে দিব।একবার ঘুমিয়ে পড়লে কেউ আমাকে জাগাতে পারে না।চিন্তা নেই, ঘুমন্ত অবস্থাতেই ধরাধরি করে তোমাকে হোটেলের রুমে নিয়ে তুলব।তুমি যে বাড়িতে থাক সেখানে আমাকে নিয়ে যাও।আমি কোনো বাড়িতে থাকি না। মেসে থাকি। সেখানে তোমাকে নেয়া যাবে না।কেন?

মোস হচ্ছে পায়রার খুপড়ির মত ছোট ছোট কিছু রুম। সেই সব রুমে আলো বাতাস ঢোকা নিষিদ্ধ। কমন বাথরুম। বাথরুম ব্যবহার করতে হলে লাইনে দাঁড়াতে হয়। মেসের মালিক মশা, মাছি, তেলাপোকা এইসব পুষেন।বল কি। কোন পুষেন? যারা মেসে থাকে তাদের জীবন অতিষ্ঠ করার জন্যে পুষেন।তুমি ঠাট্টা করছ?

না।আমি প্রথম তোমার মেসে যাব তারপর অবস্থা দেখে ডিসিসান নেব।তা করতে পার।আমি এখন ঘুমিয়ে পড়ব।এমনি এমনি ঘুমিয়ে পড়বে? না-কি আমাকে ঘুম পাড়ানি গান গাইতে হবে? তুমি ঘুমপাড়ানি গান জান? জানি। তবে আমাদের দেশে পুরুষদের ঘুম পাড়ানি গান গাওয়া নিষিদ্ধ। ঘুম পাড়ানি গান শুধু মা গাইবেন।আশ্চর্য তো।আশ্চর্যের সবে শুরু। তুমি আরো অনেক আশ্চর্যের সন্ধান পাবে।

প্লীজ একটা ঘুম পাড়ানি গান গাও। আমি গাইলাম,

খুকু ঘুমালো

পাড়া জুড়ালো

বর্গি এল দেশে

বুলবুলিতে ধান খেয়েছে

খাজনা দেব কিসে?

এলিতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তুৰ্গেনিভের এক উপন্যাস পড়েছিলাম, “যে নারীকে ঘুমন্ত অবস্থাতে সুন্দর দেখায় সেই প্রকৃত রূপবতী।” এলিতাকে প্রকৃত রূপবতী বলা যেতে পারে। রবীন্দ্ৰনাথ ইয়েলো ক্যাবে উপস্থিত থাকলে বিড় বিড় করে বলতেন–

দেখিানু তারে উপমা নাহি জানি

ঘুমের দেশে স্বপন একখানি,

পালঙ্কেতে মগন রাজবালা,

আপন ভরা লাবণ্যে নিরালা।

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫

পকেটে মোবাইল বাজছে। মাজেদা খালা ধার হিসেবে আমাকে এই মোবাইল দিয়েছেন। যত দিন এলিতা বাংলাদেশে থাকবে ততদিন মোবাইল আমার সঙ্গে থাকবে যাতে আমি সব সময় খালার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি।হিমু এলিতা কি এসেছে? হুঁ।তার অবস্থা কি? সে গোঁফ কমিয়ে মেয়ে হয়ে গেছে।ফোনটা এলিতার কাছে দে কথা বলি। তোকে কিছু জিজ্ঞেস করা অর্থহীন।এলিতা ঘুমাচ্ছে। কিছুক্ষণ আগে তাকে ঘুমপাড়ানি গান গেয়ে ঘুম পাড়িয়েছি। এখন সে আছে গভীর ঘুমে। এই মুহুর্তে স্বপ্ন দেখছে।

বুঝলি কি করে স্বপ্ন দেখছে?

REM হচ্ছে। তাই দেখে বুঝছি?

REM আবার কি?

Rapid eye movement. চোখের পাতা দ্রুত কাঁপছে। সুন্দর কোনো স্বপ্ন দেখার সময় এই ঘটনা ঘটে। যখন ভয়ংকর স্বপ্ন কেউ দেখে তখন চোখের পাতার সঙ্গে ঠোঁটও কাঁপে।আমার সঙ্গে চালাবাজি করবি না।আচ্চা যাও করব মা।এলিতা উঠবে কোথায়? এখনো বুঝতে পারিছ না ঘুম ভাঙ্গুক তারপর ডিসিসান হবে।ও তোর ঘাড়ে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে না কি? না।এক কাজ কর আস্তে করে মেয়েটার মাথা তোর কাঁধে এনে ফেল। ও যেন বুঝতে না পারে।লাভ কি?

ঘুম ভেঙ্গে এলিতা দেখবে তোর ঘাড়ে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে তাতে লজ্জা পাবে। লজ্জা থেকে প্ৰেম।লজ্জা থেকে প্রেম হয় এটা জানা ছিল না।খালা বললেন, রাগ থেকে প্রেম হয়, ঘৃণা থেকে প্রেম হয়, অপমান থেকে প্রেম হয়, লজ্জা থেকে হয়।আমি বললাম, তোমার কথায় মনে হচ্ছে সব কিছু থেকে প্রেম হয়। হয় না কি থেকে সেটা বল।তুইতো বিপদে ফেললি।খালা সুসংবাদ আছে এলিতা নিজে থেকেই আমার ঘাড়ে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে।ভেরি গুড। একটা ছবি তুলতে পারবি? ছবি কিভাবে তুলব?

তোকে যে মোবাইলটা ধার দিয়েছি সেখানে ছবি তোলার অপসান আছে। অপসানে যা। এক হাতে মোবাইলটা তোদের দু’জনের মুখের কাছে এনে বাটনে টিপ দে।আমি ছবি তুললাম না। এলিতার নিদ্রাভঙ্গের অপেক্ষায় থাকলাম।এলিতা এখনো ঘুমুচ্ছে। মেসে আমার বিছানায় বাচ্চাদের মত কুকড়িমুকড়ি ঘুম। এই ঘরে দিনের বেলাতেও কিছু ড্রাকুলা মশাকে দেখা যায়।

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫

ড্রাকুলা মশাদের বিশেষত্ব হচ্ছে এরা কানের কাছে ভন ভন করে না। সরাসরি রক্তপান। ধর তক্তা মার পেরেক টাইপ। ড্রাকুলা মশাদের হাত থেকে এলিতাকে বাচানোর জন্যে তার বিছানায় আলম মশারি খাটিয়ে দিয়েছেন।ঘুম ভাঙ্গলেই এলিতার ক্ষিধে পাবে। সেই ব্যবস্থাও আলম করে রেখেছেন। গফরগায়ের গোল বেগুনের চাক্তি হলুদ লবণ মাখিয়ে রাখা হয়েছে।

নতুন আলু কুচি কুচি করে লবণ পানিতে ভেজানো। দেশি মুরগির ডিমে সামান্য দুধ দিয়ে প্রবলভাবে ফেটানো হয়েছে। কালিজিরা চাল এনে রাখা হয়েছে। দশ মিনিটের নোটিসে খাবার দেয়া হবে।আমি আলমের ঘরে বসে আছি। বালক হাজতি কাদের নেই। কোথায় গেছে কখন ফিরবে কিছুই বলে যায় নি।আলম বলল, হিমু ভাই আমি চিন্তা করে একটা বিষয় পেয়েছি।কি পেয়েছেন?

একটা রহস্যের সমাধান পেয়েছি।এখন বলা যাবে না। অন্য কোনো সময় বলব।আপনার যখন বলতে ইচ্ছা করবে, বলবেন।আমি যে দিনরাত দরজা জানালা বন্ধ করে ঘরে বসে থাকি, খামাখা বসে थकेि नीं। छिा कझिं।এখন কি নিয়ে চিন্তা করছেন? আজ কোনো চিন্তা শুরু করতে পারি নাই। গতকাল চিন্তা করেছি, মশা নিয়ে।মশা নিয়ে কি চিন্তা?

দুপুরবেলা মশা গালে কামড় দিয়েছে। গাল ফুলে গেছে তখন শুরু করলাম মশা নিয়ে চিন্তা। মানুষের যেমন শেষ বিচারের দিনে হিসাব নেয়া হবে মশারও কি হবে? আমাদের যেমন দোজখ বেহেশত আছে মশাদের কি আছে? দুষ্ট মশাদের আল্লাহপাক কি দোজখের আগুনে পুড়াবেন? আপনার কি মনে হয়? আমার মনে হয় পুড়াবেন না। অতি তুচ্ছ মশা মাছিকে শাস্তি দেয়ার কিছু নাই।আমি বললাম, আল্লাহর কাছে মানুষতো মশা মাছির মতই তুচ্ছ। মানুষকে তিনি কেন শাস্তি দিবেন?

আলম গভীর হয়ে বলল, এটাও একটা বিবেচনার কথা। এটা নিয়ে আলাদা ভাবে চিন্তা করতে হবে।এলিতার ঘুম ভাঙ্গল রাত আটটা বাজার কিছু আগে। লোডশেডিং হচ্ছে বলে বাতি জুলছে না। টেবিলের উপর দুটা মোমবাতি জ্বলছে। মশারির ভেতর এলিতা অবাক হয়ে বসে আছে। ঘরে আলো আধারের খেলা। এলিতা বিম্মিত গলায় বলল, আমি কোথায়?

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫

আমি বললাম, তুমি আমাদের মেস বাড়ির একটা ঘরে।আমার মাথার উপরে জালের মত এই তাবুটা কি? একে বলে মশারি। ঘুমের মধ্যে যেন মশা বা মাছি তোমাকে বিরক্ত না করে তার জন্যেই এই ব্যবস্থা।আমি ভেবেছিলাম মারা গেছি। মৃত্যুর পর আমার আত্মাকে আটকে রাখা হয়েছে। কি যে ভয় পেয়েছিলাম।ভয় কেটেছে?

হ্যাঁ। প্রচণ্ড ক্ষিধে পেয়েছে।দশ মিনিটের মধ্যে তোমার খাবার ব্যবস্থা হবে। আজ আমরা যা দিব তাই খাবে। খাওয়া দাওয়া শেষ হলে তোমাকে হোটেলে পৌঁছে দেব। এখানকার টয়লেটগুলির অবস্থা খুবই খারাপ তারপরেও একটা পরিষ্কার করে রাখা হয়েছে। একটা মোমবাতি হাতে নিয়ে আমার পেছনে পেছনে আসা আমি দেখিয়ে দিচ্ছি।

এলিতা বলল, আমি তোমাকে বলেছিলাম আমার ভয় কেটেছে, আসলে কাটে নি। আমার এখনো মনে হচ্ছে। আমি মৃত আমার ‘soul’ তোমার সঙ্গে ঘুরছে।আমি বললাম, কিছুক্ষণের মধ্যেই তুমি আলো ঝলমল ফাইভস্টার হোটেলে যাবে তখন আর নিজেকে মৃত মনে হবে না।খেতে বসে এলিতা বলল, কাঁটাচামচ কোথায়? আমিতো হাত দিয়ে খেতে পারি না।আমি বললাম, বাংলাদেশের খাবার হাত দিয়ে স্পর্শ করে তারপর মুখে দিতে হয়। এটাই নিয়ম। একবেলা আমাদের মত খেয়ে দেখ।

এলিতা খাওয়া শেষ করল গম্ভীর মুখে। খাবার তার পছন্দ হচ্ছে কি না তা তার মুখ দেখে বুঝা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে ভু্রু কুচকাচ্ছে তা দেখে মনে হয়। খাবার ভাল লাগছে না।এলিতা খাওয়া শেষ করে সিগারেট ধরাতে ধরাতে বলল, আমি আমার জীবনে ভাল যত খাবার খেয়েছি আজকেরটা তার মধ্যে আছে। আমি ‘Food’ শিরোনামে যে সব ছবি তুলব। সেখানে এই খাবারের ছবিও থাকবে। গরম ভাত থেকে ধোঁয়া উড়ছে। গরম ভাত একজন হাত দিয়ে স্পর্শ করছে।আজকের খাবারের শেফ কে?

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫

আমি আলমকে পরিচয় করিয়ে দিলাম। এলিতা অবাক হয়ে বলল, আপনার চোখে পানি কেন? আলম বলল, সামান্য খানা বিষয়ে এত ভাল কথা বলেছেন এই জন্যে চোখে পানি এসেছে। সিস্টার আমি ক্ষমা চাই।এলিতা বলল, আপনার চোখের পানি দেখে আমি খুবই অবাক হয়েছি। আপনি কি ফুল টাইম শেফ? কোন রেক্টরেন্টে কাজ করেন?

আলমের চোখে পানির পরিমাণ আরো বাড়ল। তার চরিত্রে যে এমন স্যাঁত স্যাঁতে ব্যাপার আছে তা এই প্রথম জানলাম। আমি এলিতাকে বললাম, আলম কোনো প্রফেশনাল কুক না। তিনি নিজের খাবার নিজে রেধে খান। দরজা জানালা বন্ধ করে দিন রাত চিন্তা করেন।এলিতা বিস্মিত গলায় বলল, কি চিন্তা করেন? জটিল সব বিষয় নিয়ে চিন্তা করে যেমন–গতকাল চিন্তা করছেন মশাদের soul আছে কি-না তা নিয়ে– বল কি?

তোমার যদি চিন্তার কোনো সাবজেক্ট থাকে, আলমকে বললেই তিনি চিন্তা শুরু করে দেবেন।চিন্তার জন্যে তিনি কি কোন ফিস নেন? না।আমরা এলিতাকে সোনারগাঁ হোটেলে নামিয়ে দিয়ে এলাম। আলম বললেন, সিস্টার যাই? এই দু’টি শব্দ বলতে গিয়ে তার গলা ভেঙ্গে গেল এবং চোখ ছলছল করতে লাগল। এলিতা অবাক হয়ে বলল, Oh God! what a strange man.

এলিতা তার প্রথম ছবির সন্ধানে বের হবে। বাহন হিসেবে সে সাইকেল চেয়েছিল। সাইকেলের বদলে রিকশার ব্যবস্থা হয়েছে। রিকশা এলিতার পছন্দ হয়েছে। এলিতার পেছনে পেছনে আমার থাকার কথা, আমি আরেকটা রিকশা নিয়েছি। আমাদের সঙ্গে একটা ভ্যানগাড়িও আছে। সেখানে আলম এবং কাদের বসে আছে। তাদের সঙ্গে নানান ধরনের রিফ্লেকটর, সান গান। ছবি তুলতে এত কিছু লাগে জানতাম না।এলিতা বলল, আমরা দু’জনতো এক রিকশাতেই যেতে পারি।

আমি বললাম, তা সম্ভব না।

সম্ভব না কেন?

গায়ের সঙ্গে গা লেগে যেতে পারে।

তাতে অসুবিধা কি?

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৫

আমি বললাম, গাতের সঙ্গে গা লাগলে তোমার শরীরের ইলেকট্রন আমার শরীরে ঢুকবে। আমার কিছু ইলেকট্রন যাবে তোমার শরীরে। দু’জনের মধ্যে বন্ধন তৈরি হবে। এটা ঠিক হবে না।এলিতা বিরক্ত গলায় বলল, এমন উদ্ভট কথা আমি আগে শুনি নি। আমি অনেকের সঙ্গে গায়ে গা লাগিয়ে বাসে ট্রেনে ঘুরেছি।

কারো সঙ্গেই আমার কোনো বন্ধন তৈরি হয় নি।আমি বললাম, কেন হয় নি বুঝতে পারছি না। বন্ধন হবার কথা। একজন সাধুর সঙ্গে তুমি যদি কিছুদিন থাক তোমার মধ্যে সাধু স্বভাব চলে আসবে। দুষ্ট লোকের সঙ্গে কিছুদিন থাক তোমার মধ্যে ঢুকবে দুষ্ট স্বভাব।বক্তৃতা বন্ধ করা। বেশি কথা বলা মানুষ আমি পছন্দ করি না।

আমি বললাম, হুট করে মাঝখান থেকে বক্তৃতা বন্ধ করা যায় না। শেষটা শোন। আমাদের কালচার বলে পাশাপাশি সাত পা হাঁটলে বন্ধুত্ব হয়। তুমি ছবি তুলতে এসেছ, দেশের কালচার মাথায় রেখে ছবি তুলবে। এখন বল কিসের ছবি তুলবে? ডাষ্টবিনের ছবি। ডাস্টবিনে মানুষ খাদ্য অনুসন্ধান করছে এরকম ছবি।এই ছবি তুলতে পারবে না।কেন পারব না? তোমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে এই জন্যে পারব না?

আমি বললাম, এলিতা শোন। দেশের ভাবমূর্তি নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। এই ছবি তুলতে পারবে না। কারণ ডাস্টবিনে এখন কেউ খাদ্য খুঁজে না।এলিতা বলল, তুমি স্বীকার করতে চাইছ না। কিন্তু আমি জানি তোমাদের দেশে ডাষ্টবিনে খাবার খোঁজা হয়। আমি ভিডিও ফুটেজ দেখেছি।বানানো ফুটেজ দেখেছি। আমাদের দারিদ্র্য দেখতে তোমাদের ভাল লাগে বলেই নকল ছবি তোলা হয়। আমি তোমাকে ঢাকা শহরের প্রতিটি ডাষ্টবিনে নিয়ে যাব। যদি এরকম দৃশ্য পাও অবশ্যই ছবি তুলবে।এলিতা বলল, তুমি রেগে যাচ্ছ কেন?

আমি বললাম, আমি মোটেও রেগে যাচ্ছি না। তুমি চাইলে ডাস্টবিনে খাবার খুঁজছে এমন কিছু নকল ছবি তোলার ব্যবস্থা করা যাবে। কয়েকজন টোকাইকে বললেই এরা খাবার খোঁজার চমৎকার অভিনয় করবে। টোকাইরা ভাল অভিনয় জানে। বাংলাদেশে টোকাই নাট্য দল পর্যন্ত আছে।টোকাই কি?

 

Read more

হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী পর্ব:০৬ হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Your email address will not be published.