হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

প্রথম দুই ওয়ানডেতে মিঠুন একাই লড়াই করেছিলেন। তৃতীয় ওয়ানডেতে ইনজুরির কাছে পরাস্ত তিনি। তাই এদিন দায়িত্ব তুলে নেন সাব্বির। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিলেও দলকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে বাঁচাতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশ মূলত হেরেছে টিম সাউদির পেস তোপে। তিনি একাই তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট।পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই তামিম ও সৌম্যকে ফেরত পাঠান সাউদি। তৃতীয় ওভারে আবারও সাউদির আঘাত। এবার ফেরত যান লিটন। স্কোরবোর্ডে ৬০ রান তুলতেই নেই পাঁচ উইকেট। যেখানে সাউদির সংগ্রহ তিনটি।

ষষ্ঠ উইকেটে সাইফুদ্দিনকে নিয়ে ১০১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সাব্বির। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক তুলে নেয়ার আগে বোল্টের বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ। তার আগে ৭৯ বলে ৪টি চারের সাহায্যে করেন ৪৪ রান।শেষদিকে মিরাজের সঙ্গে ৬৭ রানের আরেকটি পার্টনারশিপ গড়েন সাব্বির। মিরাজ সাউদির শিকার হলেও অন্যপ্রান্তে থেকে যান সাব্বির। সঙ্গে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত দশম উইকেট হিসেবে সাউদির বলে আউট হওয়ার আগে ১১০ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। যেখানে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছয়ের মার।

হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সাউদি ৬টি, বোল্ট ২টি ও গ্র্যান্ডহোম ১টি উইকেট লাভ করেন। ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করা সাউদি পান প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার আর দুটি সেঞ্চুরি করে দুর্দান্ত সিরিজ খেলা গাপটিলের হাতে ওঠে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজের পুরস্কার।এর আগে টস জিতে মাশরাফি মুর্তজা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফিল্ডিং করার। এমন সিদ্ধান্ত কিছুটা কাজেও দিয়েছে। গত দুই ম্যাচে কিউইদের মোট ৪টি উইকেট নিয়েছিল টাইগার বোলাররা। সেই তুলনায় আজ ৬টি উইকেট নিয়েছে সাইফউদ্দিন-রুবেলরা।শুরুটা করেন মাশরাফি। ইনিংসের ৪.১ ওভারের মাথায় কলিন মুনরোকে ৮ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন। এরপর ১১তম ওভারের শেষ বলে তামিমের দুর্দান্ত ক্যাচে সাইফউদ্দিন ফেরান গত দুই ম্যাচে শতক হাঁকানো মার্টিন গাপটিলকে। গাপটিলের ব্যাটে আজ আসে ৪০ বলে ২৯ রান।এরপর রস টেইলর আর নিকোলসের ৯২ রানের জুটিতে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। ৮২ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলে টেইলর বিদায় নিলেও ওয়ানডেতে আট হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই ব্যাটসম্যান।

নিকোলসকে ৬৩ রানে বিদায় করেন মেহেদী মিরাজ।এই ম্যাচের অধিনায়ক টম ল্যাথামও করেন অর্ধশতক। মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে খেলেন ৫১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস। এর আগে জিমি নেশামকেও ৩৭ রানে বোল্ড করেন মুস্তাফিজ। শেষদিকে গ্র্যান্ডহোমের ৩৭ আর মিচেল স্যাটনারের ১৫ রানে ভর করে বাংলাদেশের সামনে স্বাগতিকরা দাঁড় করায় পাহাড়সম লক্ষ।বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজ নেন ১০ ওভারে ৯৩ রান দিয়ে ২ উইকেট। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফি মুর্তজা, রুবেল হোসেন, সাইফউদ্দিন ও মেহেদী মিরাজ।

 

 

 

 

 

 

source-rtv

Leave a comment

Your email address will not be published.