নৌকায় উঠার মুখে ছােট্ট দুর্ঘটনা ঘটল, শেফার চোখ থেকে চশমা খুলে পানিতে পড়ে গেল। শেয়ার মাইয়োশিয়া, চশমা ছাড়া প্রায় কিছুই লেখে না। সে একবার ভাবল, মা আমার চশমা বলে বিকট চিৎকার দিয়ে সবার নিলে চমকে দেবে। সে তা করল না, যেন কিছুই হয়নি এমন ভঙ্গিতে নৌকায় উঠে এল। চশমা গানিতে পড়ে যাবার ব্যাপারটা এখন এটিকে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মীরার গ্রামের বাড়ি খন্ড-১
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া শেষ খন্ড
জাহেদ বলল, দিন। আপনাদের বংশে পাগলের হিস্ট্রি আছে? ‘জ্বি না।” ‘আজকাল অবশ্যি হিস্ট্রি ফিস্ট্রি লাগে না। এম্নিতেই লােকজন পাগল হয়ে যাচ্ছে। খোজ নিলে দেখবেন ডিসপেনসারিগুলিতে নার্ভ ঠাণ্ডা রাখার অষুধ সবচে বেশি বিক্রি হয়। ঘুমের অষুধ ছাড়া কেউ ঘুমুতে পারে না। সন্ধ্যাবেলা জাহেদ তার মামাকে মেন্টাল হােমে ভর্তি করিয়ে দিয়ে এল। তিন হাজার টাকা অগ্রীম জমা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া শেষ খন্ড
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৬
জাহেদ মহাবিপদে পড়েছে। মিজান সাহেব দেশের বাড়িতে পৌঁছে ঘােষণা দিয়েছেন – এখানেই থাকবেন – আর শহরে ফিরবেন না। গ্রামে থাকার ব্যবস্থা নেই বললেই হয়। টিনের ঘর দু’টির ভগ্নদশা। ভিটের ভেতর মানুষ সমান ঘাস গজিয়েছে। বাড়ির দরজা জানালা লােকজনে খুলে নিয়েছে। খাট–চৌকি কিছুই নেই। মেঝেতে বিছানা করে ঘুমুতে হবে। মেঝেময় গর্ত। সাপের না ইদুরের, কে বলবে?… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৫
‘হঁ্যা। ‘শুয়ে আছিস যখন শুয়ে থাক। আমি পরে টেলিফোন করতে বলি। ‘না, আমি যাচ্ছি। মেয়েটা কে ? ‘তুমি চিনবে না, মা। আমার বন্ধু ছিল সাবের – ওর বড় বােন।। রেহানা বললেন, শুভ্র, আমার শােবার ঘরের টেলিফোন নাম্বার তুই সবাইকে দিয়ে বােড়াবি না। অপরিচিত কারাের টেলিফোন ধরতে আমার ভাল লাগে না। কাউকে যদি টেলিফোন দিতেই হয়… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৪
শুভ্র বলল, বাবা, তুমি কি চাও যে আমি নীতু মেয়েটিকে বিয়ে করি? ‘হ্যা, আমি চাই। তােমার পছন্দের কেউ যদি থাকতাে আমি বলতাম না। তােমার পছন্দের কেউ নেই। তােমাকে এ ব্যাপারে অনেক বার জিজ্ঞেস করা হয়েছে। তুমি প্রতিবারই না বলেছ।‘ শুভ্র বলল, আমি ভুল বলেছি, বাবা। আমার পছন্দের একজন আছে। ইয়াজউদ্দিন সাহেব হতভম্ভ হয়ে বললেন, তার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৩
চোখের ডাক্তার প্রফেসর মনজুরে এলাহী শুভ্রর দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বললেন, কি খবর আমাদের শুভ্র বাবুর ? মনজুরে এলাহী শুভ্র’র চোখ ওর এগারাে বছর বয়স থেকে দেখে আসছেন। তখনাে তিনি শুভ্র বাবু ডাকতেন – এখনাে ডাকেন। শুভ্র বলল, চাচা, আমি ভাল আছি। ‘তােমার চোখ কেমন আছে?” ‘বুঝতে পারছি না। মনে হয় ভালই আছে। ‘কোন রকম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩৩
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩২
‘যাবার সময় আমাকে কিছু বলেও যায় নি। ‘আমাকে বলে গেছে। আমি তােমাকে বললাম। মাহিন সাহেব করুণ গলায় বললেন, কয়েক মিনিটের জন্যে তুই কি আমার পাশে বসবি? নীতু কিছু না বলেই বাবার পাশে বসল। মাহিন সাহেব বললেন, তাের মা আমার ছাত্রীই ছিল। জানিস তাে? ‘জানি। তােমাকে বিয়ে করার পর মা’র আর পড়াশােনা হয় নি —… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩২
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩১
ফুপিয়ে ফুপিয়ে কে যেন কঁদছে। মাহিন সাহেব কান্নার শব্দ শুনছেন। সব শব্দ তাঁর চেনা। এই কান্নার শব্দ অপরিচিত। অবশ্যি তিনি জানেন কে কঁদছে। এ বাসায় তিনি ছাড়া আর একজন মানুষই বাস করে – নীতু। নীতুই কাঁদছে। নীতু ছাড়া আর কে হবে? কিন্তু এরকমভাবে কাদছে কেন? মাহিন সাহেব ডাকলেন, নীতু! নীতু ! নীতু দরজা ধরে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩০
এক একবার এমন হয় – পার্টি জমতে চায় না। হৈচৈ হয়, খাওয়া–দাওয়া সবই হয়, তারপরেও পার্টিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় না। পার্টি শেষ হলে খুব ক্লান্ত লাগে। আবার কোন কোন দিন হুট করে পার্টি জমে যায়। কেউ পর্টি ছেড়ে উঠতে চায় না। সামান্যতেই সবাই হেসে গড়াগড়ি করে। রিয়া আজ মনে–প্রাণে চাচ্ছে পার্টি জমে উঠুক। খুব ভাল… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৯
চুল উড়ছে। শুভ্র সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুমালাে। রেহানা কয়েকবার খোজ নিয়ে গেলেন। এতক্ষণ তাে শুভ্র ঘুমায় না। জ্বর–টর হয়নি তাে? তিনি একবার কপালে হাত দিলেন। গা গরম লাগছে। সারাদিন রােদে রােদে ঘুরলে জ্বর তাে আসবেই। সন্ধ্যায় রেহানা শুভ্রকে ডেকে তুললেন। সন্ধ্যাবেলা ঘুমুতে নেই। সন্ধ্যায় ঘুমুলে আয়ু কমে যায়। ‘শুভ্র, তাের কি শরীর খারাপ লাগছে, বাবা?… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৯