সিগারেট খায় ? ‘তুমি নিশ্চিত যে খায় না ?”। রেহানা হাসিমুখে বললেন, ও কি করে না করে আমি জানব না? ইয়াজউদ্দিন বিরক্ত গলায় বললেন, না, ও কি করে না করে তুমি জান না। গলির ভেতর গাড়ি ঢােকে না। শুভ্র গাড়ি রেখে হেঁটে হেঁটে জাহেদের বাসার সামনে এল। জাহেদের বাসায় কোন কলিংবেল নেই। অনেকক্ষণ দরজার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৮
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৭
মতি? মতি বিস্মিত হয়ে তাকাচ্ছে। প্রশ্নটা অর্থহীন। ইয়াজউদ্দিন সাহেবের হাতে ঘড়ি আছে, দেয়ালে ঘড়ি। এ বাড়ির এমন কোন ঘর নেই যেখানে দেয়ালে ঘড়ি টিক টিক করছে না। “স্যার, এগারােটা বাজে। ‘আচ্ছা যাও। শুভ্র বলল, বাবা, তােমার কি শরীর খারাপ লাগছে? তুমি ঘামছ। ‘শরীর খারাপ লাগছে না। গরম লাগছে। তুমি কি আমার সঙ্গে খানিকক্ষণ বারান্দায়… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৬
কাপড় এবং চটি জুতা পায়ে দোতলায় উঠেন। দোতলায় না উঠা পর্যন্ত সচরাচর কথা বলেন না। তাঁর সব কিছুই ঘড়ি ধরা। ডিনার খেতে বসেন ন‘টা ত্রিশে। ঘুমুতে যান সাড়ে দশটায়। আজ নিয়মে কিছু উলট–পালট হয়েছে। ইয়াজউদ্দিন সাহেব ডাইনিং রুমে যখন ঢুকলেন তখন দশটা কুড়ি বাজে। শুভ্র একা বসে আছে। টেবিলে খাবার দেয়া হয়েছে। মতি মিয়া একটু… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৫
শুভ্র মা‘র হাত ধরে থমকে দাঁড়াল। নিচু গলায় বলল, মা, তুমি আমার চশমাটা লুকিয়ে রেখেছিলে, যাতে আমি আমার বন্ধুর বিয়েতে যেতে না পারি। তুমি চাও না। আমি আমার দরিদ্র বন্ধুদের সঙ্গে মিশি। ওরা কিন্তু মা, আমাকে খুব পছন্দ করে। আমিও ওদের পছন্দ করি। তােমাকে যতটা করি ততটা করি না, কিন্তু করি ….. রেহানা চট করে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৪
‘ভূত নামানাে হবে মানে কি? | ‘সুইডেন থেকে জামানের এক বন্ধু এসেছে। ও না–কি ভূত আনার ব্যাপারে এক্সপার্ট। খুব ভাল মিডিয়াম। তা তুমি হঠাৎ টেলিফোন করেছ কেন?” ‘এম্নি তুমি কখনাে টেলিফোন কর না। কারণটা দয়া করে বলে ফেল। ‘শুভ্র’র জন্যে খারাপ লাগছে।” কেন! ওর কি হয়েছে?” ‘ওর মন খারাপ, বন্ধুর বিয়েতে যাবার কথা ছিল।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৩
শুভ্র বলল, কটা বাজে মা? ‘খুব বেশি বাজে নি। মাত্র ছটা। তুই কাপড় পরে তৈরি হয়ে থাক। ড্রাইভারকে বলি মাইক্রোবাস বের করে রাখতে। তুই আমার সঙ্গে বসে চা খা। বােকা ছেলে ! এত অল্পতে এমন নার্ভাস হলে চলে? ‘আমার দেরি হলে জাহিদ খুব অস্থির হয়ে পড়বে। আজ ওর বিয়ে। আজ কি ওকে অস্থির করা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৩
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১২
চশমা হারালে তার এ রকম হয়। মাঝে মাঝে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। নিজেকে এত অসহায় লাগে ! মনে হয় অচেনা অজানা দেশের হাজার হাজার মানুষের মাঝখানে সে হারিয়ে গেছে। চোখে দেখতে পাচ্ছে না, কথা বলতে পারছে না। শুধু বুঝতে পারে অসংখ্য মানুষ তাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে। সে যেমন ওদের দেখতে পাচ্ছে না, ওরাও তাকে দেখতে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১২
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১১
খুব সুন্দর লাগছিল। এখনাে চোখে ভাসে। ‘ছেলেটাকে সুন্দর লাগছিল বলেই আমাকে সুন্দর লাগবে এমন তাে কোন কথা নেই। ‘তর্ক করবে না। যা করতে বলছি করবে। ‘আচ্ছা, আমি উঠি এখন?” ‘না, বােস আরাে খনিকক্ষণ। কোন কথা বলার দরকার নেই। চুপচাপ বসে থাক। তারা দু‘জনই চুপচাপ বসে রইল। কেয়ার বােনের ছােট মেয়েটি ছাদে এসে গম্ভীর গলায় বলল,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১০
সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না কেয়ার মন এত খারাপ কেন? উঁচু দালানের ছাদ ভাল লাগে না। সব সময় এক ধরনের অস্বস্তি লেগে থাকে। মনে হয় পৃথিবী থেকে অনেক দূরে ছাদে উঠবার মুখে সিঁড়িটা ভাঙা। কেয়া বলল, আমার হাত ধর। সিঁড়ি ভাঙা। জাহেদ হাত ধরল। কত সহজ, কত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে সে এই মেয়েটির হাত ধরতে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৯
জাহেদ বলল, আপা গয়নাটা এনে রেখেছে কি–না জানেন দুলাভাই? ‘কোন গয়না?” ‘ঐ যে মা’র গলার একটা হার। পালিশ করতে দিয়েছিল। “ও আচ্ছা – হ্যাঁ – একটা ঝামেলা হয়ে গেছে, বুঝলে? বিরাট ঝামেলা। জাহেদ হতভম্ব গলায় বলল, কি ঝামেলা? ‘দোকানই উঠে গেছে। হিন্দু দোকান ছিল, মনে হয় কাউকে কিছু না জানিয়ে ইন্ডিয়া চলে গেছে। ইন্ডিয়া… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৯