‘যাবার সময় আমাকে কিছু বলেও যায় নি। ‘আমাকে বলে গেছে। আমি তােমাকে বললাম। মাহিন সাহেব করুণ গলায় বললেন, কয়েক মিনিটের জন্যে তুই কি আমার পাশে বসবি? নীতু কিছু না বলেই বাবার পাশে বসল। মাহিন সাহেব বললেন, তাের মা আমার ছাত্রীই ছিল। জানিস তাে? ‘জানি। তােমাকে বিয়ে করার পর মা’র আর পড়াশােনা হয় নি —… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩২
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩১
ফুপিয়ে ফুপিয়ে কে যেন কঁদছে। মাহিন সাহেব কান্নার শব্দ শুনছেন। সব শব্দ তাঁর চেনা। এই কান্নার শব্দ অপরিচিত। অবশ্যি তিনি জানেন কে কঁদছে। এ বাসায় তিনি ছাড়া আর একজন মানুষই বাস করে – নীতু। নীতুই কাঁদছে। নীতু ছাড়া আর কে হবে? কিন্তু এরকমভাবে কাদছে কেন? মাহিন সাহেব ডাকলেন, নীতু! নীতু ! নীতু দরজা ধরে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩০
এক একবার এমন হয় – পার্টি জমতে চায় না। হৈচৈ হয়, খাওয়া–দাওয়া সবই হয়, তারপরেও পার্টিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় না। পার্টি শেষ হলে খুব ক্লান্ত লাগে। আবার কোন কোন দিন হুট করে পার্টি জমে যায়। কেউ পর্টি ছেড়ে উঠতে চায় না। সামান্যতেই সবাই হেসে গড়াগড়ি করে। রিয়া আজ মনে–প্রাণে চাচ্ছে পার্টি জমে উঠুক। খুব ভাল… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৯
চুল উড়ছে। শুভ্র সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুমালাে। রেহানা কয়েকবার খোজ নিয়ে গেলেন। এতক্ষণ তাে শুভ্র ঘুমায় না। জ্বর–টর হয়নি তাে? তিনি একবার কপালে হাত দিলেন। গা গরম লাগছে। সারাদিন রােদে রােদে ঘুরলে জ্বর তাে আসবেই। সন্ধ্যায় রেহানা শুভ্রকে ডেকে তুললেন। সন্ধ্যাবেলা ঘুমুতে নেই। সন্ধ্যায় ঘুমুলে আয়ু কমে যায়। ‘শুভ্র, তাের কি শরীর খারাপ লাগছে, বাবা?… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৮
জলিল সাহেব চেঁচিয়ে বললেন, আরে না, ছাদে যাবে কেন? জ্বর নিয়ে ছাদে যাবার কোন দরকার নেই। গল্প–গুজব যা করার এখানে বসেই কর। স্বামী–স্ত্রীর গল্প বলার তাে কিছু নাই। হা হা হা। কেয়া কিছুই বলল না। দরজা খুলে রওনা হল। তার গায়ে পাতলা একটা চাদর। চাদরে বােধহয় শীত মানছে না। সে অল্প অল্প কাঁপছে। সিড়ি দিয়ে উঠার সময় সে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যেতে ধরল। জাহেদ তাকে ধরে ফেলল। জাহেদ বলল, শরীর এত… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৭
মিজান সাহেব বেশ স্বাভাবিক আছেন। তিনি নাপিতের দোকান থেকে চুল কাটিয়েছেন। একেবারে কদমছাট। মাথাটা কালো রঙের কদম ফুলের মতই দেখাচ্ছে। চুল কাটার জন্যেই তাকে অন্য রকম দেখাচ্ছে। এ ছাড়া তার মধ্যে আর কোন অস্বাভাবিকতা নেই। কথাবার্তা, চালচলন খুব স্বাভাবিক। হঠাৎ হঠাৎ স্ত্রীর। দিকে তাকিয়ে দু–একটা কুৎসিত বাক্য বলে আবার স্বাভাবিক হয়ে যান। যেমন, আজ দুপুরে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৬
ছ‘বছরে কি দেখলে ?” মনিরুল ঢোঁক গিলল। সে স্পষ্টতই ভয় পেয়েছে। ইয়াজুদ্দিন সাহেব বললেন, শােন মনিরুল, আমি যখন যাত্রা শুরু করেছিলাম তখন আমার সঙ্গে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বােটানীর একটি এম.এসসি. ডিগ্রী এবং তিনশ’ টাকা। আজ আমার সম্পদের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা। আমার লেগেছে ত্রিশ বছর। ত্রিশ বছরে এই অবস্থায় আসতে যে জিনিস লাগে তার নাম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৫
‘বাবা, আমি ওদের দুজনকে খুব সুন্দর একটা উপহার দিতে চাই। ‘অবশ্যই দেবে। তােমার বন্ধুরা নিশ্চয়ই তােমার কাছে দামী গিফট আশা করে। ‘আমি নতুন ধরনের কোন গিফট দেবার কথা ভাবছি। দামী কিছু না। ‘যেমন? ‘জয়দেবপুরে আমাদের যে বাগানবাড়ি আছে আমি ভাবছি ঐ বাড়িতে তাদের আমি কয়েকদিন থাকতে বলব। ওরা খুব পছন্দ করবে, বাবা। এত সুন্দর… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৪
সালাদ খান নি। পেপের টুকরার দুখণ্ড মুখে দিয়েছেন। চায়ের মগ সামনে আছে। ঠাণ্ডা হচ্ছে, তিনি চুমুক দিচ্ছেন না। পর পর তিনটি সিগারেট খাওয়া হয়ে গেছে। তিনি প্রচণ্ড টেনশান অনুভব করছেন, যদিও আচার আচরণে তা প্রকাশ পাচ্ছে না। তাঁর সামনে এ সপ্তাহের নিউজ উইক। তিনি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর উপর একটি প্রবন্ধ পড়ছেন। মন দিয়েই পড়ছেন। … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৩
সিঙ্গারা খেয়ে পেপসিটা খাও। এখানকার পানি ভাল না। ‘কি জন্যে ডেকেছেন, আপা?” ‘বাবা সম্পর্কে তােমার সঙ্গে আলাপ করবার জন্যে। তুমি তাে প্রায়ই বাবার সঙ্গে কথা বল। আজও বললে, কিছু বুঝতে পারছ? কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করেছ? ‘জিনা। কি পরিবর্তনের কথা বলছেন?” ‘বাবার মাথা ঠিক নেই, শুদ্র। বাসায় তালা দিয়ে আসার এও একটা কারণ। আমাদের বাড়িতে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৩