সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৪)

শ্রীবাস্তব একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “দ্বিতীয়বার যখন হার্ট অ্যাটাক হল, আর আমি ওঁকে দেখতে গেলাম, তখন উনি একটা কিছু আমাকে বলতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু পারলে না। তবে একটা কথা আমি শুনতে পেয়েছিলাম ।   “কী কথা ? ‘দুবার বলেছিলেন—“এ স্পাই… “এ স্পাই…”।  ধী»োকা সােফা ছেড়ে উঠে পড়লেন।  না ডক্টরজি-পিয়ারিলাল যাই বলে থাকুক—আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৪)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৩)

দেখলাম আংটিটার উপরে ঠিক মাঝখানে একটা প্রায় চার আনির সাইজের ঝলমলে পাথর–নিশ্চয়ই হিরে-~~আর তাকে ঘিরে লাল নীল সবুজ সব আরও অনেকগুলাে ছােট ছােট পাথর।  এত অদ্ভুত সুন্দর আংটি আমি কোনওদিন দেখিনি।   ফেলুদার দিকে আড়চোখে চেয়ে দেখি সে একটা শুকনাে ইউক্যালিপটাসের পাতা নিয়ে কানের মধ্যে ঢুকিয়ে সেটাকে পাকাচ্ছে, যদিও তার চোখটা রয়েছে আংটির দিকে।বাবা বললেন,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৩)

বিমান কাহিনি – তারাপদ রায়

সার্থকনামা মানুষ বিমানচন্দ্র। তাঁর পদবি এই ক্ষুদ্র কাহিনিতে প্রয়োজনীয় নয়। শুধু বিমানচন্দ্র লিখলেই চলবে। বিমানচন্দ্রের বয়েস, মাত্র দু-এক বছর আগে, পঞ্চাশের কোঠায় এসে পৌঁছেছে। চর্বিহীন, সুন্দর সুগঠিত দেহ। তাকে যুবক না বললেও বৃদ্ধ, এমনকী প্রৌঢ় বলাও সঙ্গত হবে না। একটিও চুল পাকেনি, একটিও দাঁত নড়েনি। ঋজু, দীর্ঘ শরীর। বিমানচন্দ্র জন্মেছিলেন সেই চল্লিশের দশকের গোড়ায় কলকাতার… Continue reading বিমান কাহিনি – তারাপদ রায়

কন্যা-সহ ঐশ্বরিয়া রাইও এবার আক্রান্ত

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিংবদন্তি অভিনেতা বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও তার ছেলে বলিউড তারকা অভিষেক বচ্চন । অমিতাভ বচ্চনকে শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । রাতে অমিতাভের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিব আসে । সেই দুঃসংবাদের  রেশ কাটতে না কাটতেই তার ছেলে বলিউড তারকা অভিষেক বচ্চনের করোনার পরীক্ষার ফল পজিটিব আসে ।… Continue reading কন্যা-সহ ঐশ্বরিয়া রাইও এবার আক্রান্ত

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১২)

ফেলুদা চোখটা ঢুলুঢুলু করে ঘাড়টা দুবার নাড়িয়ে চুপ করে গেল। বুঝলাম ও আর কথা বলবে না। এখন ও শহরের পথঘাট বাড়িঘর লােকজন এক্কা টাঙ্গা সৰ খুব মন দিয়ে লক্ষ করছে ।  ধীরুকাকা কুড়ি বছর আগে লখনৌতে প্রথম আসেন উকিল হয়ে। সেই থেকে এখানেই আছেন, এবং এখন নাকি ওঁর বেশ নামডাক। কাকিমা তিনবছর হল মারা গেছেন,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১২)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১১)

বাদশাহী আংটি  বাবা যখন বললেন, তাের ধীরুকাকা অনেকদিন থেকে বলছেন—তাই ভাবছি এবার পুজোর ছুটিটা লখনৌতেই কাটিয়ে আসি’—-তখন আমার মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস ছিল লখনৌটা বেশ বাজে জায়গা। অবিশ্যি বাবা বলেছিলেন ওখান থেকে আমরা হরিদ্বার লছমনবুলাও ঘুরে আসব, আর লছমনঝুলাতে পাহাড়ও আছে—কিন্তু সে আর কদিনের জন্য ? এর আগে প্রত্যেক ছুটিতে দাজিলিং না হয়… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১১)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১০)

রাজেনবাবু হেসে বললেন, ‘আর তা ছাড়া আমার চাকরটা খুব ভাল রান্না করে। আজ মুরগির মাংস রাঁধতে বলেছি। স্যানাটোরিয়ামে অমনটি খেতে পাবে না। রাজেনবাবু আমাদের ঘরটা দেখিয়ে দিয়ে নিজের ঘরে চলে গেলেন। ফেলুদা সৃটান খাটের উপর শুয়ে পড়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে কড়িকাঠের দিকে তাগ করে পর পর পাঁচটা ধোঁয়ার রিং ছাড়ল ।  তার পর আধবােজা চোখে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১০)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৯)

রাজেনবাবু বললেন, “আমার চাকরটার পাহারা দেবার কথা ছিল, কিন্তু আমি নিজেই কাল দশটার সময় তাকে ছুটি দিয়ে দিয়েছি। ওর বাড়িতে খুব অসুখ। বুড়াে বাপ আছে, তার এখন-তখন অবস্থা !’  ফেলুদা বলল, ‘মাস্কটা কেমন ছিল মনে আছে ? রাজেনবাবু বললেন, ‘খুবই সাধারণ নেপালি মুখােশ, দার্জিলিং শহরেই অন্তত আরও তিন-চার শ খোঁজ করলে পাওয়া যাবে। আমার এই… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৯)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৮)

আমি অবাক হয়ে ফেলুদার দিকে চাইলাম। ওর চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে। তিনকড়িবাবু বললেন, কী কারণ?  ফেলুদা গলাটা নামিয়ে নিয়ে বলল, “যে দোকান থেকে ওঁরা জিনিস কেনেন, সেখানে কিছু ভাল নতুন মাল আজ বিকেলে আসছে।‘  এবার তিনকড়িবাবুর চোখও জ্বলজ্বল করে উঠল । ‘বুঝেছি। হুমকি চিঠি পেয়ে রাজেন মজুমদার ঘরে বন্দি হয়ে রইলেন, আর সেই ফাঁকতালে অবনী… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৮)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৭)

ছাতে উঠে দেখি, কোণের টেবিলটায় চুরুট হাতে তিনকড়িবাবু বসে কফি খাচ্ছেন। ফেলুদাকে দেখতে পেয়েই হাত তুলে তাঁর টেবিলে গিয়ে বসতে বললেন আমাদের।   আমরা তিনকড়িবাবুর দু দিকে দুটো টিনের চেয়ারে বসলাম । তিনকড়িবাবু ফেলুদাকে বললেন, ‘ডিটেশনে তােমার পারদর্শিতা দেখে খুশি হয়ে আমি তােমাদের দুজনকে দুটো হট চকোলেট খাওয়াব—আপত্তি আছে ? | হট চকোলেটের নাম শুনে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৭)