হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৭

দিবে। চেষ্টা করিবে পত্রের বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ ভুলিয়া যাইতে । আমি বাবার উপদেশমতাে ফরিদার চিঠি কুচি কুচি করে হাওয়ায় উড়িয়ে দিলাম। দক্ষিণের মৌসুমী বায়ুর কারণে চিঠির কুচিগুলাে কিছুক্ষণ হাওয়ায় উড়ল। যে–কোনাে উড়ন্ত জিনিসই দেখতে ভালাে লাগে। আমার মনে কিছুক্ষণের জন্যে ভালাে লাগার বােধ তৈরি হলাে। ভালাে লাগার বােধ তৈরি হলেই ভালাে মানুষদের সঙ্গ পেতে ইচ্ছা করে।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৬

না, আমাদের মধ্যে কোনাে ঝগড়াঝাটি হয় নি। সবার কাছে আমাদের পরিচয় আদর্শ দম্পতি। আপনার বন্ধু ধরেই নিয়েছিল তার প্রতি ভালােবাসায় আমার হৃদয় টলমল করছে। সে হয়তাে ভেবেছে, যে বধূ তার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ দশ বছরে একটি বারও উঁচু গলায় কথা বলে নি, কঠিন করে। তাকায় নি সেই তরুণী বধূর হৃদয় ভালােবাসায় পূর্ণ। বােকা মানুষটা বুঝতেও… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৫

 আমি ঠিক ধরেছি না ।  জি, ঠিক ধরেছেন। | হিমু শােন, আমার বাড়িতে একটা লাইসেন্স করা পিস্তল আছে। তােমাকে আর যদি কোনােদিন আমার বাড়িতে দেখি পিস্তল দিয়ে গুলি করে মেরে ফেলব। আমার ফাসি হােক যাবজ্জীবন হােক কিছু যায় আসে না। মনে থাকবে হিমু ?  জি, মনে থাকব।  আমি কথা বলতে পারছি-1 am happy about that.… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৪

ভাগ্যিস তার জবান বন্ধ কী বললেন শুনতে পেলাম না। শুনতে পেলে অবশ্যই ভালাে লাগত না। পীর মামার বাড়িতে আমরা পৌছলাম রাত আটটার দিকে। পীর মামা তখন মাত্র এশার নামাজ আদায় করে হুজরাখানায় বসেছেন। নানান বয়সের নারী পরুষ তাকে ঘিরে বসে আছে। মামা কক্কেতে টান দিচ্ছেন। এই দৃশ্য ভক্তরা অতি ভক্তির সঙ্গে দেখছে। পীর-ফকিররা গাঁজা খেলে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৩

ফরিদা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আমার দম ফুরিয়ে গেছে। আমি একটু দম। নিয়ে নেই। আমি চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকব। আপনি কিন্তু চলে যাবেন  আমি চলে যাব না। | ফরিদা চোখ বন্ধ করল । এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমিয়ে পড়ল। আমি বসে। আছি তার পাশে। তাকিয়ে আছি একটি ঘুমন্ত মেয়ের মুখের দিকে। দেখেই মনে হচ্ছে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২২

কোন বিষয়ে বুঝাতে হবে ?  চিকিৎসার জন্যে আমি তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে চাই। সে যাবে না। হিমুভাই প্লিজ, আপনি তাকে রাজি করিয়ে দিন। যদি আপনি এটা করে দিতে পারেন তাহলে বাকি জীবন আমি আপনার মতাে হলুদ পাঞ্জাবি পরে কাটাব। পায়ে জুতা-স্যান্ডেল কিছুই থাকবে না। প্লিজ প্লিজ।   ফরিদা আমাদের কথা শুনছে কিন্তু তার মুখের… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২১

ঠিক আছে তাই করছি । তুমি খালু সাহেবের ব্যাপারে কী করলে?  ভিসা নিয়ে কী যেন ঝামেলা হচ্ছে। ভিসা পেলেই চলে যাবে। জবান এখনাে বন্ধ ? হ্যা। মহিলা পীরের চিকিৎসাটা করাবে না ? মহিলা পীরের কোন চিকিৎসা ?   বলেছিলাম না তােমাকে প্রচণ্ড আধ্যাত্মিক ক্ষমতা সঞ্চয় করা পীরনি। সবাই যাকে মামা ডাকে। উনার পায়ে পড়লেই…।  ভুলে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২০

খালি পেটে ঘুমের ওষুধ খেলেও বমি হয়। হালকা স্ন্যাকস জাতীয় কিছু খেয়ে নেবেন। সব ট্যাবলেট খাওয়ার পর গরম কফি খেতে পারেন। এতে Action ভালাে হয়।   Get out! | আমি ইমরুলকে নিয়ে ‘গেট আউট হয়ে গেলাম। হাবিবুর রহমান সাহেব ঘুমের ওষুধ খাবেন কি-না বুঝতে পারছি না। সম্ভাবনা যে একেবারে নেই তা  ফিফটি ফিফটি চান্স। মজার ব্যাপার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২০

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৯

আপনি থ মেরে গেছেন। সেখান থেকে অনুমান করছি। দুয়ে দুয়ে চার মিলাচ্ছি।  হাবিবুর রহমান বললেন, কুত্তাটার সাহস দেখে অবাক হয়েছি। বাসায় চলে এসেছে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্যে। স্যুট টাই মচমচা জুতা। সেন্ট মেখেছে। গা দিয়ে ভুরভুর করে গন্ধ বের হচ্ছিল। পাছায় লাথি দিয়ে বের করে দিতে চেয়েছিলাম।   দিলেন না কেন? এখন তাই চিন্তা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৯

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৮

আমি রাগী গলায় বললাম, যাবে না মানে কী ? ইমরুল বলল, আমি আসমা’র সঙ্গে থাকব।  আমি ম্যাডামের দিকে তাকিয়ে বললাম, ফাজিল ছেলের কাণ্ড দেখেছেন। চড় দিয়ে দু’তিনটা দাঁত তাে এক্ষুণি ফেলে দেয়া দরকার । আপনাকে নাম ধরে ডাকছে। কষে একটা চড় দিন তাে। দাঁত নরম আছে। কষে চড় দিলে দাঁত পড়ে যাবার কথা।   ম্যাডাম… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-১৮