ছেলেটা শেষ – পর্ব হুমায়ূন আহমেদ

ছেলেটা শেষ – পর্ব

তোর ফলস বাবা তোকে নিয়ে যে সব কাণ্ডকারখানা শুরু করেছে, সেটা তো আর সহ্য করা যায় না। ওর নামে শিশু নির্যাতন আইনে মামলা ঠুকে দিয়েছি। মজা টের পাবে। মজা কত প্রকার ও কী কী এক ধাক্কায় বুঝে ফেলবে।ও আচ্ছা।ও আচ্ছা ও আচ্ছা করিস না। মন দিয়ে শোন কী বলছি। তোর স্কুল ছুটি হবে কয়টায়?

তিনটায়।তিনটার আগেই আমার গাড়ি তোর স্কুল গেটের সামনে থাকবে। সঙ্গে আমার লোকজনও থাকবে। তুই আমার গাড়িতে উঠবি। সবুজ রঙের পাজেরো গাড়ি। ড্রাইভারের নাম সালাম।কী রঙের গাড়ি? সবুজ রঙের গাড়ি। পাজেরো।সবুজ রঙ? হ্যাঁ সবুজ। তুই কি কানে ঠসা হয়ে গেছিস, এক কথা কতবার করে বলতে হবে? দাদাজান, তুমি কি সবসময় এই গাড়িতে চড়ো?

কী ধরনের কথা বলছিস? এই গাড়িতে চড়ব না তো কি অন্যের গাড়িতে চড়ব!আমাদের স্কুলের একজন মিস রিকশা করে যাচ্ছিলেন, তখন সবুজ রঙের একটা গাড়ি ধাক্কা দিয়ে তাঁকে ফেলে দেয়।তাতে কী হয়েছে? বাংলাদেশে কি একটাই সবুজ রঙের গাড়ি! ফাজিল ছেলে! অতিরিক্ত কথা বলা শিখে গেছিস। যেটা বলছি সেটা করবি, স্কুল ছুটি হওয়া মাত্র আমার গাড়িতে উঠে পড়বি। ড্রাইভারের নাম মনে আছে?

মনে আছে।

নাম বল।

ড্রাইভারের নাম সালাম।

গুড বয়। টেলিফোন রাখলাম। এতদিন তোর ফলস বাবা তোকে কিডন্যাপ করত। আজ করবে আসল দাদা। হা হা হা।রনিদের স্কুল ছুটি হলো তিনটায়। তিনটা বিশ মিনিটের মাথায় সব ছেলেমেয়ে চলে গেল। রনিকে কোথাও পাওয়া গেল না। বিরাট হৈচৈ পড়ে গেল। স্কুলের দুজন দারোয়ানের একজন বলল, মোটা মতো কালো একজন লোকের হাত ধরে রনি বের হয়েছে। অন্য দারোয়ান বলল, সে দেখেছে ফর্সা লম্বা একটা লোক রনির স্কুল ব্যাগ এবং পানির ফ্লাস্ক হাতে নিয়ে যাচ্ছে।

রনি গেছে লোকটার পেছনে পেছনে। দারোয়ান দুজনকেই পুলিশ ধরে নিয়ে গেল জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে। স্কুলের প্রতিটি ঘর খোঁজা হলো, বাথরুম খোঁজা ইলো, যদি রনি কোথাও ঘাপটি মেরে বসে থাকে।রাত আটটার টিভি নিউজে রনির খবর প্রচার করা হলো। বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় ওয়ারল্যাসে খবর পাঠানো হলো। ঢাকা শহরের প্রতিটি রাস্তায় মাইকে করে বলা হতে লাগল–রনি নামের একটি ছেলে হারিয়ে গেছে। তার বয়স নয়।

তার গায়ের রঙ ফর্সা, কেঁকড়ানো চুল। তার পরনে সাদা সার্ট ও নীল প্যান্ট… রনির হারিয়ে যাবার খবরে তার দাদাজান খুশি হলেন। তিনি দাঁতমুখ খিচিয়ে বলতে লাগলেন–এইবার এরা মজা বুঝবে। এখন বুঝবে কত ধানে কত চাল। আমি তো সহজে ছাড়ব না, হত্যা মামলা ঠুকে দেব। শিশুহত্যা–বাপ-মা দুজন স্ট্রেইট ফাসির দড়িতে ঝুলবে।

লুতপা খবরটা পেয়েছে টিভি থেকে। খবরটা জানার পর থেকেই সে কাদছে। লুতপার বাবা মেয়েকে শান্ত করার অনেক চেষ্টা করেছেন। কিছুতেই কিছু হয়নি। এখন লুতপা দরজা বন্ধ করে তার ঘরে বসে আছে। রাত প্রায় দশটা। তার জ্বর বেড়েছে। রাতে সে কিছু খায় নি। সে তার বাবাকে জানিয়ে দিয়েছে, রনিকে খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত সে কিছুই খাবে না। ঘরের দরজাও খুলবে না।

রনি বসে আছে তার স্কুলের ছাদে। স্কুল ছুটি হবার পরপরই সে কাঠগোলাপ গাছ বেয়ে ছাদে উঠে গিয়েছিল। ছাদে উঠার সময় তার মোটেও ভয় লাগেনি। বরং মজা লেগেছিল। সন্ধ্যার পর থেকে খুবই ভয় লাগছে। চারপাশ কী নির্জন–একটা লোক নেই। রাতে স্কুলে দারোয়ান থাকত। দারোয়ানদের পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়ায় আজ দারোয়ানও নেই। রনি বেশ কয়েকবার ছাদের রেলিং-এর কাছে গিয়ে এই এই বলে চিৎকার করেছে। কেউ তার কথা শুনে নি। দুবার সে কাঠগোলাপের গাছ বেয়ে নামার চেষ্টা করল। সেটাও পারল না।

ছাদটা এত উঁচুতে, ছাদ থেকে গাছ বেয়ে নামা অসম্ভব। যতই রাত বাড়ছে তার কাছে মনে হচ্ছে ছাদটা ততই উঁচু হচ্ছে। ছাদের বা এবং ডান পাশে দুটা উঁচু দালান তৈরি হচ্ছে। সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত সেই দালানে মিস্ত্রি কাজ করছিল। সন্ধ্যার পর তারাও নেই।আকাশে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। অবশ্যই বৃষ্টি হবে। তখন রনি কী করবে। তাকে বৃষ্টিতে ভিজতে হবে। যদি ঝড় হয়? ঝড় হলে কী করবে? স্কুলঘরের বারান্দায় একটা বাতি জ্বলছে কিন্তু ছাদ অন্ধকার। সেই অন্ধকারও বাড়ছে।

স্কুলের ছাদটা বিশাল। ছাদের মাঝখানে বড় বড় তিনটা পানির ট্যাংক। কিছুক্ষণ পর পর পানির ট্যাংকে ঘরঘর শব্দ হচ্ছে। শব্দ শুনে মনে হয় ট্যাংকের ভেতরে বসে কেউ একজন হাসছে। ভৌতিক কোনো ব্যাপার নিশ্চয়ই। দিঘির পানিতে ভূত থাকতে পারলে ট্যাংকের পানিতে থাকবে না কেন? রনি একবার একটা গল্প পড়েছিল, গল্পের নাম পানিভূত। পানিভূতটা দিঘির পানিতে ড়ুব দিয়ে থাকত। কোনো ছোট ছেলেমেয়ে দিঘির কাছে এলে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে পানির নিচে নিয়ে যেত। ট্যাংকের পানিতে কি সে রকম কেউ ড়ুব দিয়ে আছে? সে কি ট্যাংকের ঢাকনা খুলে হাত বাড়িয়ে রনিকে ধরবে?

রনির খুব ক্ষিধে লেগেছে। সে চকলেট পছন্দ করে না, ক্ষিধের কারণে প্রাইজ পাওয়া চকলেটের প্যাকেটের সব চকলেট খেয়ে ফেলেছে। এখন তৃষ্ণা লেগেছে। তার পানির বোতলে এক ফোটা পানি নেই।সে রেলিং-এ হেলান দিয়ে কিছুক্ষণ কাদল। এখন সে বড় হয়েছে, কাঁদা ঠিক না। কিন্তু সে কী করবে? কিছুতেই কান্না থামাতে পারছে না। প্রচণ্ড শব্দে খুব কাছে কোথাও বাজ পড়ল। রনি শব্দ করে কেঁদে উঠল।

রনি আছ, রনি!

রনি চমকে উঠল। তাকে কে ডাকছে? কে টর্চের আলো ফেলছে রেলিং-এ! রনি উঠে দাঁড়াল। এখন টর্চের আলো এসে পড়ছে তার মুখে।

কে, রনি?

হুঁ।

ছাদে উঠার ব্যবস্থা কী?

রনি কান্না চাপতে চাপতে বলল, পেছনে একটা কাঠগোলাপ গাছ আছে। গাছ দিয়ে উঠতে হয়।ভালো ঝামেলার মধ্যে পড়লাম। গাছ কি শক্ত? ডাল ভেঙে নিচে পড়ব না তো?রনির কান্না থেমে গিয়েছিল। এখন আনন্দে আবারো কান্না পাচ্ছে। এই কান্না আনন্দের। যিনি টর্চের আলো ফেলছেন তার নাম হাব্বত আলি। রনি বলল, আমি যে এখানে আছি আপনি কীভাবে বুঝলেন?

হাব্বত আলি বিরক্ত গলায় বললেন, এটা বোঝার জন্যে ফেলুদা হতে হয় না। স্কুল থেকে বের না হলে তুমি যাবে কোথায়? স্কুলেই থাকবে।হাব্বত আলি গাছ বেয়ে উঠছেন। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বিদ্যুতের আলোয় তাকে দেখা যাচ্ছে। মানুষটার পোশাক অন্যরকম। মাথায় ক্রিকেটারদের মতো ক্যাপ। গায়ে চাদর। চাদরটার রঙ আগে বোঝা যাচ্ছিল না। বিদ্যুৎ চমকানোর পর রঙ দেখা গেল–লাল।

রনি!

জি।

বিরাট একটা ভুল হয়েছে। গাছে উঠা শুরু করার আগে চাদরটা খুলে আসা উচিত ছিল। চাদর ডালে বেঁধে বেঁধে যাচ্ছে।এখন চাদরটা ফেলে দিন।এখন কীভাবে ফেলব? দুই হাত দিয়ে ডাল ধরে আছি। আরেকটা বাড়তি হাত থাকলে সেই হাতে চাদর খুলতাম। বাড়তি হাত তো নেই।আপনি উঠেই পড়েছেন। আর একটু বাকি।শেষটা পার হওয়াই তো কঠিন। যত উপরের দিকে উঠছি গাছ ততই পিচ্ছিল হচ্ছে, এই কারণটাও তো বুঝলাম না।

হাব্বত আলি ছাদের রেলিং-এ হেলান দিয়ে হাত-পা ছড়িয়ে বসে আছেন। গাছ বেয়ে ছাদে উঠতে তাঁর বেশ পরিশ্রম হয়েছে বোঝাই যাচ্ছে। অনেকক্ষণ ধরেই তিনি বড় বড় নিঃশ্বাস নিয়েছেন। এখন তাঁর নিঃশ্বাস স্বাভাবিক হয়েছে। তিনি টর্চটা রনির দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, টর্চ জ্বালিয়ে আমার দিকে ধরে থাক। আমি খাওয়া-দাওয়া করব। তোমাকে নিয়ে গাছ বেয়ে নামতে হবে, প্রচুর এনার্জি লাগবে।

রনি টর্চ ধরে আছে। হাব্বত আলি ঝোলা থেকে খাবারের প্যাকেট বের করেছেন। একটা বার্গার, একটা চিকেন ব্রোস্ট। সঙ্গে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আছে টমেটো সস আছে। প্রতিটি খাবারই রনির খুব পছন্দের অথচ তিনি একবারও রনিকে বলছেন না, আমার এখান থেকে নিয়ে কিছু খাও। ক্ষিধের চোটে রনি চোখে অন্ধকার দেখছে। যত ক্ষিধেই লাগুক কারো কাছে খাবার চাওয়া যায় না। তারপরেও রনি ভাবল লজ্জাটজ্জা ভুলে গিয়ে সে বলে, আমি কি কয়েকটা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই পেতে পারি?

রনি!

জি।

তোমার সবচে পছন্দের খাবারগুলি নাম বলো। এক নম্বরে কী আছে?

পিজা।

দুই নম্বর?

বার্গার।

তিন নম্বর?

চিকেন ব্রোস্ট।

তোমার জন্যে একজন না খেয়ে অপেক্ষা করছে। আমি তোমাকে সেখানে নিয়ে যাব। তুমি ঐ বাড়িতে পৌছানো মাত্র তোমার জন্যে ষােলো ইঞ্চি একটা পিজা চলে আসবে। ষােল ইঞ্চি পিজাতে তোমাদের হবে না?

হবে।কে অপেক্ষা করছে জানতে চাইলে না? কে অপেক্ষা করছে? লুতুপাইন।রনির একবার ইচ্ছা হলো জিজ্ঞেস করে, আপনি কী করে জানেন? তারপর মনে হলো জিজ্ঞেস করার দরকার নেই। কীভাবে কীভাবে যেন এই মানুষটা সব জানে।হাব্বত আলি চিকেন ব্রোস্টে কামড় দিতে দিতে বললেন, লুতপাইনদের বাড়িতে পৌছানোর পর পর তুমি তোমার বাবা-মাকে টেলিফোন করবে।

তারা খুবই দুশ্চিন্তা করছেন। দুজনই কান্নাকাটি করছেন। বড়ই আশ্চর্যের ব্যাপার এই দুজন মানুষ তোমাকে অত্যন্ত পছন্দ করেন।রনি বলল, আমি জানি।তোমার দাদাজানের কাছ থেকে সাবধান। এই বুড়ো সবুজ রঙের পাজেরো করে ঘোরে। কে জানে ঐ বুড়োই তোমাদের মিসকে রিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে কি-না।রনি বলল, আপনি বলে দিন উনি ধাক্কা দিয়েছেন কি-না। আপনি তো সবই জানেন।

হাব্বত আলি বিরক্ত হয়ে বললেন, আমি সব জানি তোমাকে কে বলল? আমি কি সুপারম্যান নাকি? আমি সুপারম্যানও না, স্পাইডারম্যানও না। তবে স্পাইডারম্যান হলে খুব সুবিধা হতো–সহজেই ছাদ থেকে তোমাকে নামাতে পারতাম।রনি বলল, আমি কি কয়েকটা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে পারি? হাব্বত আলি বললেন, খেতে পার না। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমার খুব পছন্দের জিনিস। আমি আমার নিজের জন্যে কিনেছি।

রাত এগারোটার দিকে হাব্বত আলি রনিকে লুতপাইনদের বাসায় নামিয়ে দিলেন। রনি এই বাড়িতে আজই প্রথম এসেছে। অপরিচিত বাড়ি। তার ভয় করছে। হাব্বত আলি বললেন, কলিংবেল টিপলেই লুতপাইনের বাবা দরজা খুলবেন। তাকে তোমার পরিচয় দেবে। উনি লোক খুবই ভালো। তোমাদের মিসকে উনি চিকিৎসার জন্যে নিজের খরচে বাইরে পাঠাচ্ছেন। কেন পাঠাচ্ছেন জানো? না।

পাঠাচ্ছেন কারণ লুতপাইন তার বাবাকে এই কাজটা করতে বলেছে। রনি শোন, লুতপাইন মেয়েটির সঙ্গে তুমি প্রায়ই খারাপ ব্যবহার কর। আর কখনো করবে না।কেন করব না? সেটা তোমাকে আমি এখন বলব না। কোনো একদিন নিজেই বুঝতে পারবে কেন তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছি। আমি চলে যাচ্ছি।আপনার সঙ্গে কি আবার দেখা হবে? বুঝতে পারছি না। হতেও পারে।

হাব্বত আলির সঙ্গে রনির দেখা হয় বিশ বছর পর। রনির সেদিন বিয়ে। রাত প্রায় নটা, বিয়ে হয়ে গেছে। বর-কনের মুখ দেখাদেখির অনুষ্ঠান হচ্ছে। বিরাট একটা আয়না ধরা হয়েছে রনির সামনে। আয়নায় কনের মুখ দেখা হবে। আয়নার উপর সাদা সুতার কাজ করা ঝালরের মতো আছে। সুতার ঝালর সরানো হলো–লুতপাইনের মিষ্টি মুখ আয়নায় দেখা যাচ্ছে। মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে রনি। হঠাৎ তার চোখে পড়ল লুতপাইনের ঠিক পেছনেই হাব্বত আলি দাঁড়িয়েছেন। তিনি রনির দিকে তাকিয়ে ভেংচি কাটছেন। আজো তার মাথায় ক্রিকেটারদের ক্যাপ। গায়ে লাল চাদর।বিয়ের আসরে রনি তাকে অনেক খুঁজেছে। তার দেখা পায় নি।

এখন রনিরা থাকে আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোর সেন হোসে নামের একটা জায়গায়। লুতপাইন একটা ইউনিভার্সিটিতে অংক পড়ায়। তার বিষয় বুলিয়ান এলজেব্রা। রনি ছোটবেলায় এলিয়েনদের ছবি আঁকতো, এখনো তাই করে। সে একজন পেইন্টার। বাচ্চাদের বইয়ের বুক ইলাস্ট্রেশন করে। সমুদ্রের পাড়ে তাদের সুন্দর একটা বাড়ি আছে। সেই বাড়িতে তারা একটা ঘর আলাদা করে সাজিয়ে রেখেছে। তাদের ধারণা কোনো একদিন হাব্বত আলি তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসবেন। তখন তিনি এই ঘরে থাকবেন।

*একটা কথা বলতে ভুলে গেছি। রনি এবং লুতপাইনের একটা মেয়ে আছে। লুতপাইনের আগ্রহে মেয়েটির নাম আমি রেখেছি। নাম হলো লীলাবতী। বাবা-মা দুজনই অবশ্যি তাঁকে ডাকে লীলা।–হুমায়ূন আহমেদ।

 

Read more

ইস্টিশন পর্ব-০১ হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *