ওর বড় দু বোন আমার সামনেই এসব নিয়ে মহলকে ক্ষেপাতে লাগল। শেষে সেই মেয়ে কেঁদে-টেদে অস্থির। আচ্ছা দুলাভাই, আপার সঙ্গে কি মহল মেয়েটির কোনো মিল আছে? না কোনোই মিল নেই।তাহলে ঐ মেয়েটিকে এত পছন্দ করেন আর আমাকে এত অপছন্দ করেন কেন? আমার সঙ্গে তো আপার খুব মিল আছে। ভালো করে দেখুন আমি কি দেখতে অবিকল আপার মতো না?
না।আপার মত হলে বোধ হয় এখানে থেকে যেতে রাজি হতেন।বোধ হয়। উঠি জেরিন। তুমি কি আমাকে একটা ছাতা এনে দিতে পার? মনে হয় পারি।জেরিন ছাতা এনে দিল। অস্বাভাবিক কোমল স্বরে বলল, দুপুরের ঘটনার জন্যে আমি খুবই লজ্জিত। কিছু মনে করবেন না।আমি কিছুই মনে করি নি।
যাবার আগে শুধু একটা কথা বলে যান-আপার কোন জিনিসটা আপনার কাছে খারাপ লাগত। আগেও প্রশ্ন করেছিলাম, জবাব দেন নি।তোমার আপার সঙ্গে মাত্র তের মাস একসঙ্গে কাটিয়েছি। প্রচণ্ড একটা সুখের মধ্যে সময় কেটে গেছে। খারাপ কিছু চোখে পড়বে কীভাবে? আপা খুব ভাগ্যবতী।বিয়ের তের মাসের মাথায় মরে গেল এই জন্যে?
হ্যাঁ। আমিও ঠিক করে রেখেছি বিয়ের তিন মাসের মাথায় বিষ খেয়ে মরে যাব।একবার তো শুনেছিলাম সারা জীবন বিয়ে করবে না। মত পাল্টেছ? না। কথার কথা বলছি। ঠাট্টা করছি।জেরিন গেট পর্যন্ত এল। ক্লান্ত গলায় বলল, অনেকক্ষণ বক-বক করেছি, কিছু মনে করবেন না। দুপুর বেলার ঘটনার জন্য আমি লজ্জিত।কি মুশকিল, এককথা কবার বলবে?
ঠিক আছে আর বলব না।জেরিন একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলল, কেন ফেলল আহসান বুঝতে পারল না। খুব জটিল ব্যাপার আমরা অনেক সময় চট করে বুঝে ফেলি, আবার খুব সহজ জিনিস বুঝতে পারি না।রিকশাওয়ালা রোগা।কিন্তু রিকশা চালাচ্ছে ঝড়ের বেগে। বৃষ্টি নামবার আগেই বাড়ি ফেরার ইচ্ছে। কিংবা রিকশা জমা দেবার সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আহসান বলল, রিকশা কোন জায়গার?
মিরপুর।
থাক কোথায়? মিরপুর?
হুঁ। মিরপুর এক নম্বর।
ছেলে-মেয়ে আছে?
হুঁ।
কজন?
রিকশাওয়ালা জবাব দিল না। আহসান লক্ষ করেছে কোনো রিকশাওয়ালাই ব্যক্তিগত প্রশ্নের জবাব দিতে আগ্রহ বোধ করে না বরং বিরক্ত হয়। এই রিকশাওয়ালাটি যেমন হচ্ছে।
রিকশায় উঠে লম্বা আলাপ জুড়ে দেবার স্বভাবও আহসানের নয়। এই বদ অভ্যাসটি রিনের। অচেনা, অজানা যে-কোনো মানুষের সঙ্গে আলাপ জুড়ে দেবে। একদিন আহসান বলেই বসল, কি বিশ্রী স্বভাব। অচেনা একজন মানুষের সঙ্গে কি আলাপ শুরু করলে? এটা খুবই বদ অভ্যাস। তারিন হাসতে হাসতে বলেছে, বদ অভ্যাসটা ছিল বলেই তোমার সঙ্গে পরিচয় হল। নয়ত তোমার সঙ্গে পরিচয় হত না। কি ঠিক বলছি না।তাই বলে রিকশাওয়ালাদের সঙ্গে আলাপ জুড়বে?
আলাপ কোথায়? দুএকটা কথা জিজ্ঞেস করি।জিজ্ঞেস করে তো ঝামেলার সৃষ্টি কর।না-হয় হলই খানিকটা ঝামেলা।খানিকটা না, মাঝে-মাঝে বেশ বড় রকমের ঝামেলা হয়। একজন বলে বসল। তার মেয়ের বিয়ে। সবকিছু যোগাড় হয়েছে শুধু জামাইয়ের জন্যে পাঞ্জাবি যোগাড় হয়। নি। এখন যদি পাঞ্জাবির দামটা দেন। সবটা দিতে হবে না। তিরিশ টাকা তার কাছে। আছে। তারিন বলল, আর কত টাকা হলে পাঞ্জাবি হয়?
পঞ্চাশ টেকা আম্মা। পঞ্চাশ হইলেই হয়।আহসান এই সময়ে ইংরেজিতে বলল, একটা কথাও বিশ্বাস করবে না। ডাহা মিথ্যা কথা বলছে।সত্যিও তো হতে পারে। বেনিফিট অব ডাউট বলে একটা কথা আছে।ওটা হচ্ছে আদালতের কথা। এটা আদালত না।আদালত না হলেও আমার মনে হয় লোকটা সত্যি বলেছে।আমি এক হাজার টাকা বাজি রাখতে পারি লেকটা মিথ্যা কথা বলেছে।
তারিন কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে বলেছে, এক কাজ করলে কেমন হয়? চল রিকশাওয়ালাকে বলি আমাদের তার বাড়িতে নিয়ে যেতে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যাক সত্যি-সত্যি তার মেয়ের বিয়ে হচ্ছে কিনা।তুমি কি পাগল হয়ে গেলে নাকি?
পাগলের কি আছে। একটা এ্যাডভেঞ্চার।অসম্ভব। তারচেয়ে তুমি ওকে পঞ্চাশ টাকা দিয়ে দাও। ঝামেলা চুকে যাক।না না চল ওর বাসায় যাই।ইংরেজি কথাবার্তা বন্ধ করে তারিন এবার পরিষ্কার বাংলায় বলল, এই রিকশা চল তোমার বাড়ি যাব। দেখব তোমার মেয়ের বিয়ে হচ্ছে কি-না।রিকশাওয়ালা অবাক হয়ে রিকশা থামাল। নিচু গলায় বলল, সত্যি যাইবেন।
হ্যাঁ, কোথায় তোমার বাসা?
সোবানবাগ।
চল সোবহানবাগে।
সত্যি যাইবেন?
হ্যাঁ, যাব।
আহসান বলল, ফর গডস শেক এখন আমরা একটা কাজে যাচ্ছি তারিন।তেমন কোনো জরুরি কাজ না। ঘন্টা খানেক পরে গেলেও ক্ষতি হবে না। এই রিকশা চল।রিকশাওয়ালা গামছা দিয়ে গায়ের ঘাম মুছতে লাগল। আহসান বলল, এই দেখ সে যেতে চাচ্ছে না। তার মানে পুরো ব্যাপারটাই বানানো। ও বিয়েই করে নিওর মেয়ে আসবে কোত্থেকে।
কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার বিয়ে সত্যি-সত্যি হচ্ছিল। তের-চৌদ্দ বছরের একটা মেয়ে সেজেগুজে বসে আছে। কাগজের চেইন দিয়ে ঘর সাজান। দুটি কলাগাছ পুঁতে গেট।শুধু পাঞ্জাবির টাকা নয়, মেয়েটির জন্যে একটি শাড়ি। মাইক ভাড়া করবার জন্যে দুশ টাকা দিয়ে তারিন ঘোষণা করল বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত সে এখানে থাকবে। আহসান রাগী গলায় বলল, তার কোন দরকার আছে?
আছে। এই লোকটিকে আমি অন্যায়ভাবে সন্দেহ করেছি। আমার খুব খারাপ লাগছে। তাছাড়া বেচারা তার মেয়ের বিয়ের দিনও রিকশা চালাচ্ছে, আমার মনটা ভেঙে গেছে। আমার খুবই কষ্ট হচ্ছে। তুমি বুঝতে পারবে না। ছোটখাট জিনিস আমাকে খুব কষ্ট দেয়।সত্যি-সত্যি তুমি থাকবে?
হ্যাঁ থাকব? তুমি এক কাজ কর না কেন? তুমি চলে যাও।আহসান যেতে পারে নি। সে থেকে গেল এবং অবাক হয়ে লক্ষ করল মেয়ে বিদায়ের সময় যখন চারদিকে কান্নাকাটির মাতম উঠল তখন তারিন আড়ালে সরে গেল কারণ তার চোখ দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়ছে। সে প্রাণপণ চেষ্টা করছে যেন কেউ দেখে না ফেলে।
অনেকদিন পর ঐ রিকশাওয়ালাটির সঙ্গে আহসানের দেখা হয়েছিল। আহসান চিনতে পারে নি। লোকটির চেহারা বদলে গেছে। দাড়ি রেখেছে। শরীর হয়েছে আরো দুর্বল। রিকশা এখন প্রায় টানতেই পারে না। সে ক্লান্ত গলায় বলল, স্যার, ভালো আছেন? আমারে চিনছেন?
না।আমার মাইয়ার বিয়া দিলেন আপনারা।ও আচ্ছা। তোমার মেয়ে ভালো আছে? জ্বি না। মাইয়াটা মারা গেছে।আহসান চুপ করে গেল। রিকশাওয়ালা বলল, আম্মা কেমন আছেন? আমার স্ত্রীর কথা বলছ? সেও মারা গেছে। বাচ্চা হতে গিয়ে মারা গেছে। বেশিদিন হয় নি। মাস ছয় হল।রিকশাওয়ালা রাস্তার পাশে রিকশা থামায়। তারপর সমস্ত পথচারীদের সচকিত করে হাট-মাউ করে কাঁদতে শুরু করল। এই তীব্র আবেগের ভগ্নাংশ হয়ত তারিনের জন্যে বাকি সবটা তার কন্যার শোক।
তারিনের মৃত্যুর পর একবারও আহসান কাঁদে নি। চোখ ভিজে ওঠে নি কখনো। মানুষ বড় আশ্চর্য প্রাণী। তারিনের কথা আজ কাল মনেও পড়ে না। চোখ বন্ধ করে চেহারা মনে করতে চাইলেও লাভ হয় না। চেহারা মনে পড়ে না। ফর্সা, রোগা, লম্বা একটি মেয়ে যে বেশিরভাগ সময়ই চুল ছাড়া রাখে এবং সেই চুলে দু চোখের খানিকটা ঢাকা পড়ে থাকে তার সত্যিকার চেহারাটা কেমন? ছবির সঙ্গেও তার চেহারাটা ঠিক মিলানো যায় না। সবসময় মনে হয় তারিন অন্যরকম ছিল। ছবিতে চেহারা আসে নি।
হাসপাতালে যাবার আগে হঠাৎ একদিন বলল, কেন জানি মনে হচ্ছে হাসপাতাল থেকে আর ফিরে আসব না। ইট ইজ এ ওয়ান ওয়ে জার্নি।আহসান হাসতে হাসতে বলেছে, প্রতিটি গেনেন্ট মেয়ে যখন হাসপাতালে যায় তখন তার এই কথা মনে হয়। সে ঠিকই ফিরে আসে।
ধর যদি না আসি তখন কী হবে?
কি হবে বলতে কী মিন করছ?
তোমার খুব নিঃসঙ্গ লাগবে না?
লাগারই তো কথা।
বিয়ে তো করবেই। করবে না।
এখন কী করে বলি? সময় আসুক।
বিপত্নীক মানুষ খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে করে। ওরা নিঃসঙ্গ বোধ করে সেই জন্যেই করে। এতে ওদের কোনো দোষ নেই।আমি বিয়ে করলে তোমার আপত্তি হবে না।তারিন সহজ স্বরে বলল, না আপত্তি হবে কেন? তবে একটা কথা বলি মন দিয়ে শোন। তোমার ভালোর জন্যেই বলছি। কিছুদিন অপেক্ষা করবে।কীসের জন্যে অপেক্ষা?
মনে কর চট করে তুমি বিয়ে করে ফেললে। নতুন একটি মেয়ে এল অথচ তখনো আমার কথা তোমার পুরোপুরি মনে আছে। তুমি সারাক্ষণ আমার সঙ্গে মেয়েটির তুলনা করবে। নিজে কষ্ট পাবে মেয়েটিকেও কষ্ট দেবে। কাজেই তোমার উচিত হবে। বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করা।আহসান হাসতে হাসতে বলল, কতদিন?
তুমি চোখ বন্ধ করে আমার মুখ কল্পনা করার চেষ্টা করবে। যেদিন দেখবে আর কল্পনা করতে পারছ না সেদিন তোমার মুক্তি।তারিনের মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর আহসান তার মুখ কল্পনা করতে চেষ্টা করল। পারল না। অসহ্য কষ্টে সারা রাত জেগে রইল। মানুষ বড় বিচিত্র প্রাণী। তারিন শুধু নিজেই চলে যায় নি সবকিছু সঙ্গে নিয়ে গেছে। এমন করল কেন সে?
তারিন মারা গিয়েছিল রক্তক্ষরণজনিত কারণে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান রক্তপাত বন্ধের জন্যে কিছুই করতে পারল না। তিন দিনে সাত বার রক্ত দেওয়া হল। অষ্টমবারের বার তারিন বলল, আর না। বাদ দিন। আমার ছেলেকে আমার পাশে শুইয়ে দিন। আর ছেলের বাবাকে একটু আসতে বলুন।
আহসান পাশে এসে বসল। তারিন মৃদু গলায় বলল, কি হচ্ছে বুঝতে পারছ? কিছু হচ্ছে না। তুমি সুস্থ হয়ে বাসায় যাবে।যেতে পারলে মন্দ হত না। তুমি এখন আর আমার সামনে থেকে নড়বে না। হাত ধরে বসে থাক। লজ্জা লাগছে না তো আবার?
না লজ্জা লাগছে না।তারিন ফিসফিস করে বলল, Since there is no help come let us kiss and say good bye. কি-সব আজেবাজে কথা বলছ? ঠাট্টা করছি। মরতে বসেছি বলে কি ঠাট্টাও করতে পারব না? তোমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছি।
তারিন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের মতো খিল-খিল করে হেসে উঠল। সতেজ প্রাণময় হাসি। সে মারা গেল তার মাত্র চার ঘন্টা পর। মৃত্যুর সময় তার জ্ঞান ছিল না। থাকলে হয়ত তখনো মজার কিছু বলার চেষ্টা করত। বেঁচে থাকাটা তার জন্যে খুব সুখের ব্যাপার ছিল বলেই বোধ হয় সে বেঁচে থাকতে পারল না।
রিকশা আদাবর পর্যন্ত ঠিক করা কিন্তু আহসান শ্যামলীতে নেমে পড়ল। সাত টাকা ভাড়া ঠিক করা ছিল সে দিল দশ টাকা। কোমল স্বরে বলল, ভাঙতি ফেরত দিতে হবে না। রিকশাওয়ালা অবাক হয়ে তাকাচ্ছে। আহসান বলল, বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে।
জ্বি স্যার।তোমার রিকশার জমার টাইম হয়ে গেছে বোধ হয়।জ্বি স্যার।যাও তাহলে আর দেরি করবে না। দেরি করলে ঝড় বৃষ্টির মধ্যে পড়ে যাবে।রিকশাওয়ালা থেমে থেমে বলল, আপনে আমার ছেলেপুলে কয়জন জিগাইছিলেন–আমার দুই পুলা।
ভালো, খুব ভালো।
বড় পুলারে ইস্কুলে দিছি।
খুব ভালো করেছ।
তাইলে স্যার যাই। স্লামালিকুম।
ওয়ালাইকুম সালাম।
রিকশাওয়ালা চলে যেতেই আহসানের ইচ্ছে করল রেবা বা পারুল নামের ঐ মেয়েটিকে খুঁজে বের করতে। যে মেয়েটি দেখতে তারিনের মতো। তাকে কিছু টাকা-পয়সা দিতে ইচ্ছে করছে। আজকের রাতে সে যেন নিজের ঘরে গিয়ে আরাম করে ঘুমুতে পারে। আজ যেন কেউ তাকে বিরক্ত না করে। হয়ত এই মেয়েটির ঘরে পঙ্গু স্বামী আছে, শিশুপুত্র আছে। আজ রাতটি সে তার স্বামীর পাশে শুয়ে থাকুক। একটি হাত রাখুক স্বামীর গায়ে।
আহসান এগিয়ে গেল সিগারেটের দোকানের দিকে। এরা গভীর রাত পর্যন্ত ছোট দোকান সাজিয়ে বসে থাকে। নিশিকন্যাদের খবর এরাই সবচেয়ে ভালো জানবে।একটা রোগামতো ফর্সা মেয়ে। বাজে টাইপের মেয়ে এদিকেই থাকে। তুমি দেখেছ তাকে? রেবা কিংবা পারুল নাম।দোকানদার রাগী চোখে তাকিয়ে রইল। আহসান বলল, তুমি তাকে দেখ নি কোনো দিন।দেখছি। দেখমু না কেন? আল্লায় চউখ দিছে দেখনের লাগিন।আজ দেখেছ?
না। তয় বাস স্ট্যান্ডের কাছে গিয়ে দেখেন। রাইত বেশি হইলে ঐখানে দাঁড়াইয়া কাস্টমার খুঁজে।রেবা বা পারুল নামের মেয়েটিকে পাওয়া গেল। পুরোপুরি নির্জন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। আজ তার হাতে চটের একটা ব্যাগ। আহসানকে দেখে সে একটুও চমকাল না বা অবাক হল না। বিস্মিত হবার ক্ষমতা সম্ভবত এ-জাতীয় মেয়েদের নষ্ট হয়ে যায়। পৃথিবীর কোনো কিছুই তাদেরকে আর অভিভূত করতে পারে না।
কেমন আছ পারুল।মেয়েটি জবাব দিল না। চোখ বড়-বড় করে তাকাল।অন্য স্যাডেলটি খুঁজে পেয়েছিলে? না।এস আমার সঙ্গে। আমি দেখেছি কোথায় আছে।পারুল নিঃশব্দে এগিয়ে এল।তোমার হাতে ব্যাগ কেন? ব্যাগে কি আছে?
সদাই।ঐ দিন কিছু না বলে চলে গেলে আমি তোমাকে কিছু টাকা দিতে চেয়েছিলাম।খামাখা টেকা দিবেন কেন? খামাখা নয়। কারণ আছে।আহসান আশা করছিল মেয়েটি বলবেকি কারণ? কিন্তু সে বলল না। নিঃশব্দে পেছনে-পেছনে আসতে লাগল।ঐ যে দেখ তোমার স্যান্ডেল।
Read more
