একদিন দুপুর বেলা দীনুর মন খুব খারাপ হয়ে গেল। একাত্তর সালের কথা। বর্ষাকাল ছিল সেদিন, টানা দশ দিন পর দীনুদের ছোট্ট মফস্বল শহরে দুপুরের দিকে রোদ উঠেছে। এক দিন ছিল বৃষ্টি। ঘোর বৃষ্টি। সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। আকাশ ছিল পোড়া মাটির চুলোর মতো। থেকে থেকে মেঘ ডেকেছে, বিদ্যুৎ চমকেছে। আর বৃষ্টি। কেমন বৃষ্টি। শহরের চারদিকে ছিল বর্ষার জল।
জলের উপর মাইলকে মাইল ভেসে ছিল আমন ধান। ধানে তখন থোড় আসার সময়। বৃষ্টি ছিল, বাতাস ছিল না বলে বৃষ্টির তলায় ধানী মাঠগুলো ছিল স্বপ্নের মতো স্থির। সুবলদের বাড়িটা শূন্য পড়ে আছে অনেকদিন। বর্ষার মুখে সুবলেরা বাড়ি ছেড়ে গেল। যাওয়ার দিন সকালবেলা সুবলের বুড়ি দিদিমা দীনুকে ডেকে বললেন, ‘আমরা চলে যাচ্ছি দীনু’। তারপর আঁচলে চোখ মুছলেন।
দীনু কিছু বুঝতে পারে না। দিদিমার চোখে জল দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। তারপর টের পায় নিজের চোখও জলে ভরে আসছে তার। দীনু ছেলেটা এই রকম। কারও চোখের জল সইতে পারে না। জন্মের পর সে দেখেছে এই মফস্বল শহর, এই সব মানুষ জন। জগৎ সংসারে তার আপন কেউ নেই বলে এই শহরের সবাই তার বড় আপন। কাউকে দীনু ডাকে বাবা, কাউকে মা, ভাইবোন, দিদিমা, জ্যাঠা, চাচা, মামা, খালা, পিসি-আত্মীয়ের অভাব নেই দীনুর।
আর নিজের কোনো বাড়ি ঘর নেই বলে এই শহরের সবগুলো বাড়িঘরই দীনুর নিজের। যখন সে ইচ্ছে বাড়ি যায়। খিদে থাকলে সোজা গিয়ে ঢোকে রান্নাঘরে। ঘুম পেলে যে কোনো বিছানায় ফাঁক ফোঁকর দিয়ে গুটিশুটি শুয়ে পড়ে। দীনুকে কেউ কখনো ফেরায় না।দীনুর বয়স দশ বছর। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে, মুখের দিকে তাকিয়ে কেউ কখনো ওর সঙ্গে রাগ করতে পারে না। দশ বছর বয়সে দীনুও যেন কেমন করে কথাটা জেনে গেছে।
কিন্তু একটা কথাই দীনুর জানা হয়নি- দীনু হিন্দু না মুসলমান! কেমন করে যে এই শহরে এসেছিল, কার কোলে কেউ তা জানে না। যদিও এ নিয়ে দীনুর কোনো দুঃখ নেই। সুখ আছে। দশ বছরের জীবনেই দীনু জেনে গেছে মানুষের মধ্যে অনেক ভাগ। সে কোন ভাগে? দীনু জানে না। সুখটা এই। অবাধে সে হিন্দু বাড়ি যায়। মাসি পিসি ডাকে। পেটপুরে খায়, ঘুমায়। যায় মুসলমান বাড়ি। খালা ফুফু ডাকে। পেটপুরে খায় ঘুমায়। দীনুর কোনো দুঃখ নেই।তো সুবলের দিদিমা চোখ মুছতে মুছতে বললেন, ‘দীনুরে আমরা কলকাতা যাচ্ছি।’ ‘কোথায় দিদিমা’? ‘কলকাতা।’
কলকাতা কোথায়, দীনু জানে না। তার মনে হয় এই শহরের আশেপাশেই হবে কলকাতা, দিদিমারা বোধ হয় আত্মীয়- বাড়ি যাচ্ছে বেড়াতে। দু-পাঁচ দিন পর ফিরে আসবে।কিন্তু দিদিমা তাহলে কাঁদে কেন? দীনু তখন সারা বাড়ির লোকজনের মুখ দেখে। কেমন থমথমে দুঃখী মুখ সবার। আর কত যে বোচকা বুচকি। খাট-পালঙ্ক আর ভারি জিনিসপত্র ছাড়া সবই নিয়ে যাচ্ছে সুবলরা। আত্মীয় বাড়ি গেলে কেউ কি অতো জিনিসপত্র নিয়ে যায়?
দীনুর মাথার ভেতর বড় রকমের একটা গিট লেগে যায়। গিট খুলতে দীনু যায় সুবলের কাছে।সুবল দীনুর বয়সী। হলে হবে কী, সুবলটা বড় বুদ্ধিমান । স্কুলে পড়ে তো।‘জানিস না দেশে গন্ডগোল লেগেছে। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে কত মিলিটারি এসেছে। মিলিটারিরা সব মানুষ মেরে ফেলবে। ইয়া বড় বড় বন্দুক আছে।’
শুনে দীনু খুব ভয় পেয়ে যায়। ‘হায় হায়, তাহলে !’ ‘তাহলে আর কি! আমরা তো এজন্যই চলে যাচ্ছি।’ তখন দীনু একটা আবদার করে বসে। ‘সুবল আমাকে নিবি?’ ‘যাঃ, তোকে কোথায় নেব।’ একথা শুনে সুবলের দিদিমা এগিয়ে আসেন। তারপর আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে দীনুর মাথায় হাত রাখেন। ‘দীনু দাদারে, মন খারাপ করিস নে। ওখানে আমাদেরই কোনো ঠাঁই ঠিকানা নেই। থাকলে তোকে নিয়ে যেতাম।’
তারপর আবার আঁচলে চোখ ঢাকেন। দেখে দীনু এবার সত্যি সত্যি কেঁদে ফেলে।দিদিমা বললেন, ‘আমাদের এই বাড়িটা তোকে দিয়ে গেলাম। তোর তো কোথাও থাকার জায়গা নেই। এখানে থাকিস। একা থাকতে ভয় লাগলে কাউকে নিয়ে থাকিস।ঘরে চাল-ডাল সব আছে। তোর ছমাস চলবে। আর শোন দাদু, তোর ভয় নেই। তুই খুব ভালো ছেলে। তোকে পাকিস্তানি সেনারা কিছু করবে না। দেশ স্বাধীন হলে আমরা ফিরে আসব।’ ‘দেশ স্বাধীন মানে?’
এত দুঃখের মধ্যেও সুবলের দিদিমা হেসে ফেলেন। ‘এই দেশটা পূর্ব বাংলা, আর পূর্ব বাংলা থাকবে না। হবে বাংলাদেশ।’ দীনু হয়তো আরও কিছু জিজ্ঞাসা করতো। কিন্তু তার আগে খালপাড়ে বিরাট ছইওয়ালা নৌকা এসে ভিড়ল। বোচকা-বুচকি নিয়ে সুবলেরা সব নৌকায় গিয়ে উঠল। দীনু গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল খালপাড়ে। তারপর যতক্ষণ সুবলদের নৌকা দেখা যায়, ততক্ষণ কতবার যে চোখের জল মুছল, গোণাগুণতি নেই।
সেই দিনটা বড় খারাপ কেটেছে দীনুর। সারাদিন কিছু খায়নি। সুবলদের বাড়ির তিনটে ঘরের চাবিই দীনুকে দিয়ে গিয়েছিলেন সুবলের দিদিমা। কিন্তু দীনু শুধু খুলেছিল বাংলাঘরের তালা।সুবলদের বাংলাঘরে পুরনো কালের বিশাল একটা চৌকি পাতা। ঘরের অর্ধেকটা জুড়ে। সেই চৌকিতে সারাদিন শুয়ে থেকেছে দীনু। জানালা দিয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে আকাশ দেখেছে। সুবলদের কথা ভেবেছে, আর মিলিটারিদের কথা। মিলিটারিরা সত্যি কী সব লোকজন মেরে ফেলবে তাহলে?
এত ভাবতে ভাবতে দীনু ঘুমিয়ে পড়েছে কখন যে।মাঝরাতে ঘুম ভেঙে দীনু খুব ভয় পেয়ে গেল। প্রথমে খানিকক্ষণ সে বুঝতে পারে না, কোথায় শুয়ে আছে। যখন বুঝতে পারল সুবলদের বাংলাঘরে-ভয়টা শুরু হলো তখুনি।সুবলদের বাড়িতে বিশাল তিনটা ঘর। বাড়ির পেছনে ফলফলারির গহীন বাগান। একটা বাঁধানো পুকুর। তার উপর কাছে পিঠে কোনো বাড়ি নেই।
এই রকম একটা বাড়িতে দীনু একলা। সারাদিন কিছু খায়নি। তবুও খিদে টের পায় না। চোখ বন্ধ করে খোলা জানালার পাশে পড়ে থাকে দীনু।শেষরাতে একটুখানি চাঁদ উঠেছিল বলে, জানালা দিয়ে জ্যোৎস্না এসে ঘরে ঢুকেছিল বলে রক্ষে। রাতটা দীনুর কেটে যায়। নয়তো কি যে হতো, দীনু হয় তো সেদিন….
পরদিন বাজারে গিয়ে জমির চাচাকে ধরে দীনু। জমির বাজারের কোণে বসে ভিক্ষে করে। ভালো মানুষ। তবুও লোকে বলে জমির পাগলা। দীনু ডাকে জমির চাচা।সেই জমির চাচাকে পটিয়ে এলো দীনু। তোমার তো কোথাও থাকার জায়গা নেই, আজ থেকে তুমি আমার সঙ্গে সুবলদের বাংলাঘরে থাকবে। সুবলেরা কেউ বাড়ি নেই। আমি এখন সুবলদের বাড়ির মালিক।সুবলদের চলে যাওয়ার কথা, দেশে গন্ডগোল, মিলিটারিদের কথা আর সুবলের দিদিমার মুখে শোনা স্বাধীনতার কথা সবই জমির চাচাকে বলে দীনু। জমির চাচা চমৎকার লোক। দীনুর কথায় রাজি না হয়ে কী পারে।
সেই থেকে জমির চাচা আর দীনু। দুজনে সুবলদের বাংলা ঘরে থাকে। রাতের বেলা, দিনের বেলাটা দীনুর কাটে এ বাড়ি ও বাড়ি করে।জমির চাচা থাকে বাজারে। সুবলের দিদিমা বলে গিয়েছিলেন, ‘ঘরে চাল ডাল সব আছে। রান্না করে খাস দীনু। তোর ছয় মাস যাবে।’ কিন্তু দীনু বড় ঘরটা খোলেনি। দীনু রান্না করতে জানে না। চাল ডাল তেমনি আছে। আজ দুমাস। কিন্তু আজই আবার দীনুর মন খুব খারাপ হয়ে গেল।
দুপুরের দিকে দশ দিন পরে রোদ উঠেছে দেখে দীনুর খুব ফুর্তি। লাফাতে লাফাতে গেছে খোকনদের বাড়ি। খোকনকে নিয়ে আজ খালের জলে খুব সাঁতার কাটবে ভেবেছে। কিন্তু খোকনদের বাড়ি গিয়েই মনটা খারাপ হয়ে গেল।খোকনদের বাড়িতে কেমন একটা সাজ সাজ রব। খোকনের সব ভাইবোন জামাকাপড় পরে ছুটোছুটি করছে। খোকনের মা এদিক ওদিক ঘোরাফেরা করছেন, একে এক কথা বলছেন ওকে আরেক কথা। খোকনদের বাড়ির সঙ্গেই খাল, সেখানে একটা বড় ছইঅলা নৌকা বাঁধা। মাঝিরা খোকনদের সব বোচকা-বুচকি নৌকায় তুলছে। কি ব্যাপার, খোকনেরা সব যায় কোথা?
দীনু অবাক হয়ে খোকনের মাকে জিজ্ঞেস করে, ‘খালা কোথায় যাচ্ছ তোমরা?’ খোকনের মা দুঃখী গলায় বললেন, ‘বকুলতলী যাচ্ছিরে দীনু। আমার বড় ভাইয়ের বাড়ি।’ ‘কেন’? ‘ওমা তুই জানিস না, শহরে মিলিটারি এসে গেছে। সবাই শহর ছেড়ে পালাচ্ছে। মিলিটারি সব লোকজন মেরে ফেলবে।’ দীনু ভয় পেয়ে বলল, ‘তাই নাকি, কবে এসেছে?’
‘কাল সন্ধ্যায়। হাই স্কুলে ক্যাম্প করেছে। বৃষ্টি-বাদলা ছিল বলে বেরোয়নি। আজ রোদ উঠেছে, দেখবি খানিক বাদেই, বেরুবে। তারপর যাকে পাবে তাকেই মারবে। তুইও চলে যা কোথাও।’ দীনু অবাক হয়ে বলল ‘আমি কোথায় যাব? এই শহরের বাইরে আমার কোনো চেনা মানুষ নেই। কার কাছে যাব।’ খোকনের মা একটু রাগী। এই শহরে এই একজন মানুষ, দীনু যাকে খুব ভয় পায়। তবুও এই মুহূর্তে সাহস করে বলল, ‘খালা আমাকে তোমাদের সঙ্গে নেবে?’ ‘কোথায়?’ ‘বকুলতলী’।
শুনে খোকনের মা একটু গম্ভীর হয়ে যান। তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন, ‘বাবা দীনু, আমার ভাই খুব গরিব মানুষ। বাড়িতে একটা ঘর। তার বড় সংসার, ঘরে জায়গা হয় না। তার উপর আমরা এতোগুলো লোক। কোথায় থাকব, কেমন করে থাকব জানি না। এই অবস্থায় তোকে কেমন করে নেব বাপ।’
খোকনের মা আঁচলে চোখ মোছেন। দেখে দীনুরও চোখ ভরে আসে জলে।খোকনের মা দীনুর মাথায় হাত রাখেন। ‘মন খারাপ করিস নে বাপ। আমি দোয়া করি, তোর কিচ্ছু হবে না। এত সুন্দর ছেলে তুই, এত ভালো। তোর গায়ে কেউ হাত দেবে না।’ তারপর নৌকায় গিয়ে ওঠেন। খোকনেরা সব আগেই নৌকায় উঠে বসেছিল, মা উঠার সঙ্গে সঙ্গেই মাঝিরা বৈঠা ফেলল খালের জলে। বিষণ্ন দীনু মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে রইল খালপাড়ে সাদা বেলে মাটির ওপর।
তখন সেই মফস্বল শহরে চমৎকার রোদ। চারদিকের শূন্য বাড়িঘর রোদের আলোয় ঝকমক করছে। খালের জলে, বর্ষার ধানী মাঠে রোদ আর হাওয়ার খেলা। কাছে কোথাও কোনো ধানী মাঠের ভেতর নেমেছে কোড়া পাখি। তার কুরকুর একটানা ডাক শোনা যায়। খালপাড়ে দাঁড়িয়ে দীনু ভাবে- সবারই কোথাও না কোথাও যাওয়ার জায়গা আছে। কেবল তার নেই।
বুক কাঁপিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ে দীনুর। তারপর মন খারাপ করে খালপাড় ধরে একাকি হাঁটতে থাকে। কোথাও কোনো লোকজনের চিহ্ন নেই, সাড়া নেই। দিনের বেলাটাকে মনে হয় রাত দুপুর। সবাই ঘুমুচ্ছে। কিন্তু দীনু এখন কোথায় যাবে?
তখন জমির চাচার কথা মনে পড়ে দীনুর। জমির চাচা সকালবেলা বৃষ্টি মাথায় বেরিয়ে গেছে। এখন নিশ্চয়ই বাজারের কোণে বসে ভিক্ষা করছে। দীনু ভাবে, জমির চাচাকে গিয়ে মিলিটারির কথা বলবে। তারপর জমির চাচার সঙ্গে কোথাও চলে যাব। জমির চাচার নিশ্চয় কোথাও যাওয়ার জায়গা আছে। আর জমির চাচা যদি যায়, দীনুকে ফেলে যেতে পারবে না।
কিন্তু তারপরই দীনুর মনে হয়, শহরের কোথাও কোনো লোক নেই আজ। বাজার কী বসেছে? সবাই পালালে দোকানিরাও পালাবে। আর দোকানিরা পালালে জমির চাচাও পালাবে। কিন্তু দীনুকে ফেলে কী জমির চাচা পালাতে পারে? দুমাস ধরে এক সঙ্গে আছে।দীনুর মাথার ভেতর ছোটখাট একটা গিট লেগে যায়।
খালের ওপারেই হাই স্কুল জমির চাচার কথা ভাবতে ভাবতে স্কুলের কাছাকাছি এসে গেছে, তখন ঠিক তখনি মিলিটারির মধ্যে একজন তার নিশানা ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য খালের ওপার থেকে দীনুকে তাক করে। অটোমেটিক রাইফেলে কিছু বুঝে উঠার আগেই দীনু দেখে একের পর এক আগুনের মৌমাছি ছুটে আসছে তার দিকে। আর মাথার ওপর সারা শহরের কাক কা কা করছে।দুহাতে বুক চেপে ধরে দীনু। দেখে দশ আঙ্গুলের ফাঁক ফোঁকড় দিয়ে জোয়ারের জলের মতো নেমে যাচ্ছে রক্ত। খালপাড়ের সাদা মাটি লাল হয়ে যাচ্ছে।
আস্তে ধীরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে দীনু। চোখ দুটো ভীষণ টানছিল তার। তখুনি দৃশ্যটা দেখতে পায় ও। তার বুকের রক্তে তৈরি হয়েছে বিশাল লম্বা এক খাল। সেই খাল বেয়ে ফিরে আসছে হাজার হাজার ছইঅলা নৌকা। প্রথম নৌকায় সুবলেরা। সুবলের বুড়ি দিদিমা বসে আছেন ছইয়ের ভেতর। তার পেছনের নৌকায় খোকনেরা।
প্রতিটি নৌকা থেকে ভেসে আসছে উল্লাসের শব্দ। দেখে দীনুর যে কী খুশি। সবাই ফিরে আসছে। তাহলে এই কী স্বাধীনতা ! সুবলের দিদিমা বলেছিলেন।স্বাধীনতার কথা ভেবে দীনুর ঠোঁটে বাংলাদেশের মানচিত্রের মতো সুন্দর এক টুকরো হাসি ফুটেছিল। কেউ তা দেখেনি।
Read more
