বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৮)- হুমায়ূন আহমেদ

ছেলের অপরাধটা ? আমি জানি না। তাের বাবা কিছু বলে নি।  কাজটা ঠিক করলে না মা। হুট করে বিয়ে ঠিক করা, আবার হুট করে বাতিল। বিয়ে তাে Play and dust না।  প্লে এন্ড ডাস্ট কী ?  প্লে হচ্ছে খেলা আর ডাস্ট হচ্ছে ধুলা। প্লে এন্ড ডাস্ট হলাে– খেলাধুলা। মা এখন আমার ঘর থেকে যাও। তােমার… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৮)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৭)- হুমায়ূন আহমেদ

তাের বাবাকে দেব। বাবা শুয়ে পড়েছে, কিছু খাবে না।  আজ সারাদিন কিছু খায় নি। অফিসে শুধু একটা কলিজার সিঙ্গাড়া খেয়েছিল। টিফিন বক্স খুলেও দেখে নি। এই বয়সে বাবার কলিজার সিঙ্গাড়া খাওয়া একেবারেই ঠিক না। পচা বাসি কলিজা দিয়ে সিঙ্গাড়া বানায়।…  সুলতানা মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, তুই কি বিয়ে বাড়ি থেকে খেয়ে এসেছিস ?  শামা নাসূচক… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৭)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৬)- হুমায়ূন আহমেদ

আপার একটা মাকড়সার ধাঁধা আছে। ঐ ধাঁধাটা সে সবাইকে জিজ্ঞেস করে। আপনাকেও জিজ্ঞেস করবে। আপনার বুদ্ধি টেস্ট করার জন্যে জিজ্ঞেস করবে। ধাধার উত্তর দিতে না পারলে আপার মন খারাপ হবে। সে ভেবেই নেবে আপনার বুদ্ধি কম।আমি পারব না। এম্নিতেই আমার বুদ্ধি কম। ধাধার বুদ্ধি আরাে কম।  মাকড়সার ধাঁধাটা আপনি পারবেন। কারণ আমি উত্তরটা শিখিয়ে দিচ্ছি।… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৬)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৫)- হুমায়ূন আহমেদ

চশমা সঙ্গে নিয়ে বাথরুমে ঢােকা উচিত ছিল। এমন তাে না যে বাথরুমে চশমা রাখার জায়গা নেই। বেসিনে রাখা যেত। তবে একবার বেসিনে রেখেছিলাম। বেসিন থেকে পড়ে চশমার গ্লাস ফ্রেম থেকে বের হয়ে এসেছিল। সরি, আপনাকে আটকে রেখেছি। কিছু মনে করবেন না।ভদ্রলােক আগের মতােই লাফিয়ে লাফিয়ে সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় উঠতে লাগলেন। শামার খুবই মজা লাগছে। কোনাে… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৫)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৪)- হুমায়ূন আহমেদ

মীরার ঘরে হচ্ছে না। ছাদে এদের প্রকাও একটা কামরা আছে। সেখানে হচ্ছে।তুই এ বাড়িতে আগে এসেছিস?  হা এসেছি। মাত্র একবার এসেছি। এত প্রকাণ্ড বড়লােকের বাড়িতে বারবার আসা যায় না। এত বড় বাড়িতে নিজেকে সব সময় পর পর লাগে। তবে আমরা সবাই এক সঙ্গে আছিতাে আমাদের লাগছে না।  সবাই এসে গেছে ?  তুই আর টুনি তােরা… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৪)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৩)- হুমায়ূন আহমেদ

তাের মাথায় বুদ্ধি শুদ্ধি নেই ? এক্ষুণি চলে যেতে বল। ভদ্রলােক দুপুরে খাবেন বলে বসে আছেন। এখন কী করে তাকে চলে যেতে বুলি ? তােমার যদি এতই অসহ্য লাগে তুমি চলে যেতে বল।  আমি বলব কেন? তুই দাওয়াত করে এনেছিস তুই বলবি। আচ্ছা যাও আমিই বলব। গােসল সেরে নেই তারপর বলি।  বলে এসে তারপর বাথরুমে… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১৩)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১২)- হুমায়ূন আহমেদ

এশা কি বাসায় আছে? জানি না। আতাউর অস্বস্তির সঙ্গে এদিকে ওদিকে তাকাচ্ছে।শামা বলল, আপনি দ্রুত মন ঠিক করুন। এতক্ষণ রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলা যায় না। দেখুন না সবাই তাকাচ্ছে আমাদের দিকে। তুমি কি যেতে বলছ ? আমি কিছুই বলছি না। যা বলার আপনিই বলছেন। চল যাই। দু’টা রিকশা ঠিক করুন। একটায় আমি যাব, পেছনে পেছনে আপনি।… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১২)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১১)- হুমায়ূন আহমেদ

তাের কী হচ্ছে না হচ্ছে তা নিয়ে আমি চিন্তা করব না ?  করবে না। বড় খালা বা ছােট খালা এদের কারাের সঙ্গে কি মা’র যােগ আছে? যযাগ নেই। হঠাৎ হঠাৎ বিয়ে জন্মদিন এইসব উৎসবে তাদের দেখা হয় । এই পর্যন্তই। আমাদের অবস্থাও তাই হবে। তুমি তােমার সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। আমি আমার সংসার নিয়ে… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১১)- হুমায়ূন আহমেদ

বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১০)- হুমায়ূন আহমেদ

তিনি সহজ গলায় বললেন, পড়তে যা। টিভির সামনে বসে আছিস কেন ? বলেই তিনি মেয়েদের ঘরে ঢুকলেন। মন্টু আবারাে টিভি ছাড়ল। এক্স ফাইলে আজকের গল্পটা খুবই জটিল। এক লােকের অস্বাভাবিক ক্ষমতা আছে। সে তার ইচ্ছাশক্তি দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু সব সময় পারে না । ইচ্ছা শক্তি খাটাতে হলে তার আশেপাশে গাছ লাগে। টবে… Continue reading বৃষ্টি বিলাস (পর্ব-১০)- হুমায়ূন আহমেদ

স্বর্ণমৃগ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আদ্যানাথ এবং বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী দুই শরিক। উভয়ের মধ্যে বৈদ্যনাথের অবস্থাই কিছু খারাপ। বৈদ্যনাথের বাপ মহেশচন্দ্রের বিষয়বুদ্ধি আদৌ ছিল না, তিনি দাদা শিবনাথের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করিয়া থাকিতেন। শিবনাথ ভাইকে প্রচুর স্নেহবাক্য দিয়া তৎপরিবর্তে তাঁহার বিষয়সম্পত্তি সমস্ত আত্মসাৎ করিয়া লন। কেবল খানকতক কোম্পানির কাগজ অবশিষ্ট থাকে। জীবনসমুদ্রে সেই কাগজ-কখানি বৈদ্যনাথের একমাত্র অবলম্বন। শিবনাথ বহু অনুসন্ধানে তাঁহার… Continue reading স্বর্ণমৃগ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর