রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৮)

এরা আমাদের দুজনকে আশা করে পাঠিয়েছে। এর নাম শুভ্র। অতি ভাল ছেলে। শুভ্রর প্রেস্টিজের একটা ব্যাপারও আছে। চা নিয়ে যেতে না পারলে মেয়েগুলির সামনে শুভ্রর মান থাকবে না।  এক কথা কয়বার বলব? আপনারা কেন বিরক্ত করছেন? তা হলে কি এদের নিয়ে উঠে চলে যাব ?” ‘সেটা আপনার ইচ্ছা।  ভাইজান, আমরা কিন্তু মানুষ ভাল না। এখন… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৮)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৭)

‘বিয়ের আসর থেকে তুই পালিয়ে এলি কীভাবে?  ‘বড় চাচী ব্যবস্থা করে দিলেন। আমি হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে বসে ছিলাম। বড় চাচী পালিয়ে যেতে বললেন।  আগে তো শুনেছিলাম, তাের এই চাচী তােকে দেখতে পারে না। ‘মানুষকে চট করে চেনা যায় না, আনুশকা। এই চাচী আমাকে সত্যি সত্যি অপছন্দ করতেন। সারাক্ষণ কঠিন সব অপমান করতেন। আমরা যে… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৭)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৬)

ম্যানেজারের কোনো ভাবান্তর হল না। সে আবার হাই তুলল। চলতি ট্রেনে ছােটখাটো ঝামেলা হয়। এসব পাত্তা দিলে চলে না। চা অবশ্য সে সহজেই দিতে পারে। টী–ব্যাগ আছে, গরম পানি আছে। কিন্তু দরকারটা কী? মেয়ে দুটি খানিকক্ষণ বসে থেকে বিরক্ত হয়ে চলে যাবে। রাগারাগিও হয়তাে করবে। করুক ! অসুবিধা কী?  সুন্দরী মেয়ে রাগারাগি করলেও দেখতে ভাল লাগে।… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৬)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৫)

সবাই হাসছে, শুধু জরী হাসছে না। সে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে আছে। এক সময় সে মনে মনে বলল, আল্লাহ, তুমি আমার মনটা ভাল করে দাও।  আনুশকা বলল, জরী, তাের ঠাণ্ডা লাগবে। মাথা ভেতের টেনে নে। কচ্ছপের মতো সারাক্ষণ মাথা বের করে রেখেছিস কেন?  জরী বলল, আমার ঠাণ্ডা লাগছে না।। ‘বাইরে দেখার কিছু নেই, অন্ধকারে শুধু শুধু… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৫)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৪)

মুনা করিডাের ধরে এগুচ্ছে। রানা যাচ্ছে তার পেছনে পেছনে। এই মেয়েকে চোখের আড়াল করা ঠিক হবে না। ডেঞ্জারাস মেয়ে। কী করে বসে কে জানে? হয়ত ফট করে লাফ দিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নেমে গেল। যে চলন্ত ট্রেনে উঠতে পারে, সে নামতেও পারে। রানা নরম গলায় বলল, মুনা শােন, আমার উপর রাগ করিস না। এতগুলি লােক… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৪)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৩)

দলের সবাই চোখ বড় বড় করে মুনার দিকে তাকিয়ে আছে। কেউ কথা বলছে না। বিস্ময়ের প্রথম ধাক্কাটা কাটাতে সময় নিচ্ছে। ট্রেনের অন্য যাত্রীরাও ব্যাপারটা বেশ আগ্রহ নিয়ে দেখছে। মুনাকে তেমন বিচলিত মনে হচ্ছে না। দৌড়ে ট্রেনে এসে ওঠার পরিশ্রমে সে ক্লান্ত। বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। সারা মুখে ঘাম। ওড়নার প্রান্ত দিয়ে সে মুখের ঘাম… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-৩)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-২)

অয়ন নিচু গলায় বলল, চাচা, আমি যাচ্ছি না। যাচ্ছ না কেন?‘ ‘টাকা জোগাড় করতে পারিনি। একজনের দেয়ার কথা ছিল, সে শেষ পর্যন্ত …‘ গার্ড বাঁশি বাজিয়ে দিয়েছে। ট্রেন নড়তে শুরু করেছে। অয়ন ছােট্ট করে নিঃশ্বাস ফেলল।  মুনার চোখে পানি এসে গেছে। সে ভেজা চোখে তার বাবার দিকে তাকিয়ে আছে।  সােবাহান সাহেব পকেট থেকে মানিব্যাগ বের… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-২)

রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-১)

প্রস্তাবনা  একুশ খুব অদ্ভুত একটা বয়স।  এই বয়সে মাথায় বিচিত্র সব পাগলামি ভর করে। বুকের ভেতর থাকে এক ধরনের অস্থিরতা। সেই অস্থিরতার একটি রূপ হল – “কী যেন নেই”, “কী যেন নেই” অনুভূতি। সেই “কী যেন নেই”–কে খোঁজার চেষ্টাও এই বয়সেই প্রথম দেখা দেয়। পৃথিবীর বেশির ভাগ সাধুসন্ত এই বয়সে গৃহত্যাগ করেন।  চার বছর আগে… Continue reading রূপালী দ্বীপ-হুমায়ূন আহমেদ-(পর্ব-১)

সবাই গেছে বনে- হুমায়ূন আহমেদ -(শেষ-পর্ব)

চেস ম্যানহাটনে যাবার পথে ডেনিস বেয়ার শান্ত স্বরে বললাে, মিস মালিশা আমি বুঝতে পারছি আপনার খুব বিরক্তি লাগছে। কিন্তু উপায় নেই।  চেস ম্যানহাটনে আজ না গেলে হয় না ? না। আমি সব ব্যবস্থা করে রেখেছি।  মালিশা চুপ করে গেল। জিম বললাে, চমক্কার ওয়েদার তাই না মিস্টার বেয়ার ? ডেনিস বেয়ার সে কথার জবাব না দিয়ে… Continue reading সবাই গেছে বনে- হুমায়ূন আহমেদ -(শেষ-পর্ব)

সবাই গেছে বনে- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২৬)

একটু দেরি হবে ল্যাবরেটরিতে গিয়ে ওদের সকালের খাবার দিয়েই আসব। বাসায় থাকবেন আপনি।  ভাের নটা পঁয়ত্রিশ মিনিটে ডঃ লুইস সফিককে বললেন— জং বাহাদুরকে নিয়ে ল্যাবরেটরি ওয়ানে যেতে। খাচা খুলতেই শান্ত ভঙ্গিতে জং রেরিয়ে এলাে। গুটি গুটি হয়ে বসে রইলাে সফিকের কোলে। ডঃ লুইস হেসে বললেন, এটি দেখছি খুব শান্ত স্বভাবের । খাঁচা থেকে বের করলেই… Continue reading সবাই গেছে বনে- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২৬)