সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২৫

দীপ্তি তখনই তার বাবার অফিসের ফোন নাম্বার বলল। কর্নেল বললেন, আমি আপনার বাবার অফিসে যেতে চাই। অফিসের চাবি দরকার হবে।   দীপ্তি তার হ্যান্ডব্যাগ খুলে রিঙে ঝােলানাে একটা চাবি বের করল। চাবিটা কর্নেলকে দিয়ে সে বলল, বাবা চাবিটা আপনাকে দিতে বলেছেন। কিন্তু সে কুণ্ঠার সঙ্গে আস্তে বলল ফের, আমাকে আপনার সঙ্গে যেতে নিষেধ করেছেন। চাবিটা… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২৫

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২৪

কর্নেল দুটো কাগজই ভাঁজ করে টেবিলের ড্রয়ারে ঢুকিয়ে বললেন, এই নিয়ে প্রায় পনের বার পরীক্ষা করলাম জয়ন্ত। প্রত্যেকবারই মনে হয়েছে দুটোর মধ্যে প্রশ্নোত্তরের সম্পর্ক আছে। রায়সায়েবেরটা যদি প্রশ্ন হয়, চন্দ্রিকারটা তার উত্তর।   আপনাকে কেউ চাই চিচিং ফাঁক বলে টেলিফোন করছে বলেছিলেন। ‘গতরাতেও বার দুই করেছিল। অগত্যা বলেছি, চিচিং ফাঁক দেব। তবে একটা শর্তে। ডিস্কো… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২৪

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২৩

ইন্দ্রজিৎবাবু ক্লান্তভাবে একটু হাসলেন। ওলসনের বাড়িতে ডিস্কোকে মিট করতে গিয়েছিলাম। শয়তানটা ফোনে আমাকে ডেকেছিল বােঝাপড়া করার জন্য। আমার জেদ চেপেছিল, মাথায়। গাড়ি পার্ক স্ট্রিটের মােড়ে রেখে পায়ে হেঁটে যাব ভাবছিলাম। গাড়ি থেকে নামছি, একটা লােক হাতে চাঁপাফুল নিয়ে এসে বলল, ফুল কিনবেন স্যার? খুঁকে দেখুন, দারুণ সেন্ট। সে ফুল, নাকের কাছে আনতেই মাথাটা কেমন করে… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২৩

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২২

 আমি শুনছিলাম না। অস্কোর মূর্তি হেমেন্দ্রের চেহারায় আরােপ করছিলাম। চমৎকার খাপ খাচ্ছিল। এমনকি, চন্দ্রিকার ডিস্কোকে ব্ল্যাকমেল করার থিওরিও মানিয়ে যাচ্ছিল। কারণ  মেন্দ্রের আমদানি রফতানির কারবার আছে। এই সুযােগে নিষিদ্ধ ড্রাগের কারবার চালানাে অসম্ভব নয়। চন্দ্রিকা কি ব্ল্যাকমেল করার ব্যাপারে ইন্দ্রজিতের সাহায্য  য়েছিল ?  ইন্দ্রজিতের তদ্বিরেই কিন্তু ওলসন হাউসে পুলিশ হানা দিয়েছিল। অরিজিৎ লাহিড়ি অবশ্য বলছিলেন,… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২২

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২১

তাই আমি আমার গাড়ির কাছে চলে গেলাম। দ্যাটস অল। কিন্তু চন্দ্রিকার মূল্যবান কাগজটা কী?  ‘জানি না। চন্দ্রিকাকে কেউ মার্ডার করে সেটা হাতিয়েছে? ‘তা-ও জানি না। আর তােমার সময় নষ্ট করব না। এবার তােমার বাবার কথায় আসা যাক। শুধু একটা প্রশ্ন। তােমার বাবার ঘরের সামনে কে একটা কাগজ ফেলে গেছে। তাতে লেখা আছে চাই চিচিং ফাঁক। … Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২১

স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু উপায়

মানুষ হলো সৃষ্টির সেরা জীব।কারন তার স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধি। আর এগুলোর বিকাশ কিভাবে করা যায় জানি কি?    সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য শরীরিক ও মানসিক সুস্থতার কোন বিকল্প নেই। মানুষ হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট সেই জীব যে কিনা সমস্ত জীবের মধ্য শ্রেষ্ঠ। আর এই শ্রেষ্ঠত্বের কারন হলো মানুষের বেধা, বুদ্ধি, জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি  । মানুষের… Continue reading স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু উপায়

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২০

 বিয়ে করে। ট্রেড ইউনিয়ন করেই ইন্দ্রজিৎ প্রচুর পয়সা কামিয়েছিল। মামাবাবু জানতেন ইন্দ্রজিৎ রাজনীতিতে তাঁকে ডােবাবে। তাই তার সংশ্রব এড়িয়ে চলতেন। আমি নিজের কানে শুনেছি, মামাবাবু জনসভায় চিৎকার করে ইন্দ্রজিতের দুর্নীতির মুখােশ খুলে দিচ্ছেন। এ জন্যই আমার সন্দেহ, ইন্দ্রজিৎ মামাবাবুর বিরুদ্ধে কলকাতায় বসে কলকাঠি নেড়েছে। গত বছর মামাবাবু নিখোঁজ হয়ে যান। তারপর ড্যামের জলে ওঁর বডি… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -২০

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১৯

ধরুন যদি কোনও থার্ড পার্টি এই ঘটনার সুযােগে টাকাটা হাতাতে চায়?  মৃদুলা উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। শান্তভাবে বললেন, আমি বােকামি করছি না কর্নেল সায়েব! চিঠিটা পাওয়ার পরে টেলিফোনে কিডন্যাপার ইন্দ্রজিতের মুখ দিয়ে বলিয়েছে, টাকা না দিলে ওরা ওকে মেরে ফেলবে। আমার স্বামীর গলার স্বর আমি চিনি। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেছি।’  ‘আই সি। কর্নেল একটু হাসলেন। ঠিক আছে… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১৯

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১৮

কিন্তু চন্দ্রিকা কলগার্ল ছিল, জানতেন না?” ‘আজ্ঞে। তবে স্যার, আমার বরাবর কেমন একটা সন্দেহ হতাে। চন্দ্রিকার হাবভাব দেখেই কেমন লাগত। তবে ফেরােসাস টাইপের মেয়ে ছিল। সে থেমে গেল। মৃদুলা এসে নমস্কার করে বসলেন। চেহারায় উদ্বেগের ছাপ প্রকট। ঠোট কামড়ে ধরে আত্মসম্বরণ করে আস্তে বললেন, মিঃ লাহিড়ির সঙ্গে কথা বলছিলাম। সুশান্ত আপনার আসার খবর দিল। মিঃ লাহিড়িকে… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১৮

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১৭

এদিকে বটুকবাবুর ছেলে রথীন থাকত কলকাতায়। অমরেন্দ্রর ছেলে হেমেন্দ্রর বাড়ির পাশেই সে থাকত। হেমেন্দ্রর সঙ্গে তার বাবা অমরেন্দ্রর নাকি ভাল সম্পর্ক নেই (কর্নেলের বক্তব্য)। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বটুকবাবুর নাম করে উড়ােচিঠি লিখে অমরেন্দ্রর এক কর্মচারী যােগেন অমরেন্দ্রকে ভয় দেখাত। গত বছর কর্নেল তাকে ধরিয়ে দেন অর্থাৎ উড়ােচিঠির রহস্য ফাঁস হয়। কেন যােগেন এ কাজ করত? কর্নেল… Continue reading সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের কর্নেল সমগ্র প্রথম খন্ড এর অংশ -১৭