সিঙ্গারা খেয়ে পেপসিটা খাও। এখানকার পানি ভাল না। ‘কি জন্যে ডেকেছেন, আপা?” ‘বাবা সম্পর্কে তােমার সঙ্গে আলাপ করবার জন্যে। তুমি তাে প্রায়ই বাবার সঙ্গে কথা বল। আজও বললে, কিছু বুঝতে পারছ? কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করেছ? ‘জিনা। কি পরিবর্তনের কথা বলছেন?” ‘বাবার মাথা ঠিক নেই, শুদ্র। বাসায় তালা দিয়ে আসার এও একটা কারণ। আমাদের বাড়িতে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২৩
Author: Admin
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২২
‘অনেক দিনের ব্যাপার চাচা। ‘হঁ্যা, অনেক দিনের ব্যাপার। ভুলে যাওয়াই স্বাভাবিক। মানুষ বিস্মৃতিপরায়ণ। ভুলে যাবার মধ্যেও সে আনন্দ পায়। কিন্তু তুমি তাে ভুল নি শুভ্র। তুমি তো ঠিকই উপস্থিত হয়েছ। হও নি? আজ কত তারিখ শুভ্র – এগারােই সেপ্টেম্বর না?” শুভ্র খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে নরম গলায় বলল, ও আমার খুব ভাল বন্ধু ছিল।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২২
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২১
‘পারব। কবে আসব?” ‘আজই আস না। বাবার সঙ্গে কথা শেষ করে চলে এসাে। ‘আচ্ছা। শুভ্র মাহিন সাহেবের শােবার ঘরে ঢুকল। ঠিক ঘর না, এটা এ বাড়ির স্টোর রুম। মাহিন সাহেব অসুস্থ হবার পর এই ঘর থাকার জন্যে বেছে নিয়েছেন। কোন মতে একটা খাট এঘরে পাতা হয়েছে। আর কোন আসবাব রাখার জায়গা নেই। ঘরে একটি টেবিল… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২১
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২০
শুভ্র ইতস্তত করে বলল, তাের বিয়েতে আসতে পারিনি। কিছু মনে করিসনি তাে? চশমা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। বিয়ের অনুষ্ঠান কেমন হয়েছে? ‘অনুষ্ঠান আবার কি? আমি তিনবার কবুল কবুল বললাম। কেয়া তিনবার বলল। ব্যস। মামলা ডিসমিস। চা খাবি শুভ্র ?” ‘খাব।” ‘বাসায় চা খাওয়ানাের কোন উপায় নেই। মামী সিরিয়াস কান্নাকাটি করছে। চল, মােড়ের দোকানটায় চা খাব। … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২০
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৯
আচ্ছা। জাহেদ জড়সড় হয়ে বসে আছে। কেয়া হাত বাড়িয়ে জাহেদের হাত ধরল। কোন কথা বলল না। জাহেদ বলল, কেয়া, আমি খুব লজ্জিত। কেয়া বলল, তােমার মামা কি অসুস্থ? জাহেদ বলল, না। মামা খুবই সুস্থ। আজ এরকম কেন করলেন কিছু বুঝতে পারছি না। ‘আমার মনে হয় তােমার মামা অসুস্থ। তাঁকে ভেতরে নিয়ে মাথায় পানি ঢালছিল। … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৮
সিগারেট খায় ? ‘তুমি নিশ্চিত যে খায় না ?”। রেহানা হাসিমুখে বললেন, ও কি করে না করে আমি জানব না? ইয়াজউদ্দিন বিরক্ত গলায় বললেন, না, ও কি করে না করে তুমি জান না। গলির ভেতর গাড়ি ঢােকে না। শুভ্র গাড়ি রেখে হেঁটে হেঁটে জাহেদের বাসার সামনে এল। জাহেদের বাসায় কোন কলিংবেল নেই। অনেকক্ষণ দরজার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৭
মতি? মতি বিস্মিত হয়ে তাকাচ্ছে। প্রশ্নটা অর্থহীন। ইয়াজউদ্দিন সাহেবের হাতে ঘড়ি আছে, দেয়ালে ঘড়ি। এ বাড়ির এমন কোন ঘর নেই যেখানে দেয়ালে ঘড়ি টিক টিক করছে না। “স্যার, এগারােটা বাজে। ‘আচ্ছা যাও। শুভ্র বলল, বাবা, তােমার কি শরীর খারাপ লাগছে? তুমি ঘামছ। ‘শরীর খারাপ লাগছে না। গরম লাগছে। তুমি কি আমার সঙ্গে খানিকক্ষণ বারান্দায়… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৬
কাপড় এবং চটি জুতা পায়ে দোতলায় উঠেন। দোতলায় না উঠা পর্যন্ত সচরাচর কথা বলেন না। তাঁর সব কিছুই ঘড়ি ধরা। ডিনার খেতে বসেন ন‘টা ত্রিশে। ঘুমুতে যান সাড়ে দশটায়। আজ নিয়মে কিছু উলট–পালট হয়েছে। ইয়াজউদ্দিন সাহেব ডাইনিং রুমে যখন ঢুকলেন তখন দশটা কুড়ি বাজে। শুভ্র একা বসে আছে। টেবিলে খাবার দেয়া হয়েছে। মতি মিয়া একটু… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৫
শুভ্র মা‘র হাত ধরে থমকে দাঁড়াল। নিচু গলায় বলল, মা, তুমি আমার চশমাটা লুকিয়ে রেখেছিলে, যাতে আমি আমার বন্ধুর বিয়েতে যেতে না পারি। তুমি চাও না। আমি আমার দরিদ্র বন্ধুদের সঙ্গে মিশি। ওরা কিন্তু মা, আমাকে খুব পছন্দ করে। আমিও ওদের পছন্দ করি। তােমাকে যতটা করি ততটা করি না, কিন্তু করি ….. রেহানা চট করে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৪
‘ভূত নামানাে হবে মানে কি? | ‘সুইডেন থেকে জামানের এক বন্ধু এসেছে। ও না–কি ভূত আনার ব্যাপারে এক্সপার্ট। খুব ভাল মিডিয়াম। তা তুমি হঠাৎ টেলিফোন করেছ কেন?” ‘এম্নি তুমি কখনাে টেলিফোন কর না। কারণটা দয়া করে বলে ফেল। ‘শুভ্র’র জন্যে খারাপ লাগছে।” কেন! ওর কি হয়েছে?” ‘ওর মন খারাপ, বন্ধুর বিয়েতে যাবার কথা ছিল।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১৪