সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৯)

রাজেনবাবু বললেন, “আমার চাকরটার পাহারা দেবার কথা ছিল, কিন্তু আমি নিজেই কাল দশটার সময় তাকে ছুটি দিয়ে দিয়েছি। ওর বাড়িতে খুব অসুখ। বুড়াে বাপ আছে, তার এখন-তখন অবস্থা !’  ফেলুদা বলল, ‘মাস্কটা কেমন ছিল মনে আছে ? রাজেনবাবু বললেন, ‘খুবই সাধারণ নেপালি মুখােশ, দার্জিলিং শহরেই অন্তত আরও তিন-চার শ খোঁজ করলে পাওয়া যাবে। আমার এই… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৯)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৮)

আমি অবাক হয়ে ফেলুদার দিকে চাইলাম। ওর চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে। তিনকড়িবাবু বললেন, কী কারণ?  ফেলুদা গলাটা নামিয়ে নিয়ে বলল, “যে দোকান থেকে ওঁরা জিনিস কেনেন, সেখানে কিছু ভাল নতুন মাল আজ বিকেলে আসছে।‘  এবার তিনকড়িবাবুর চোখও জ্বলজ্বল করে উঠল । ‘বুঝেছি। হুমকি চিঠি পেয়ে রাজেন মজুমদার ঘরে বন্দি হয়ে রইলেন, আর সেই ফাঁকতালে অবনী… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৮)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৭)

ছাতে উঠে দেখি, কোণের টেবিলটায় চুরুট হাতে তিনকড়িবাবু বসে কফি খাচ্ছেন। ফেলুদাকে দেখতে পেয়েই হাত তুলে তাঁর টেবিলে গিয়ে বসতে বললেন আমাদের।   আমরা তিনকড়িবাবুর দু দিকে দুটো টিনের চেয়ারে বসলাম । তিনকড়িবাবু ফেলুদাকে বললেন, ‘ডিটেশনে তােমার পারদর্শিতা দেখে খুশি হয়ে আমি তােমাদের দুজনকে দুটো হট চকোলেট খাওয়াব—আপত্তি আছে ? | হট চকোলেটের নাম শুনে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৭)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৬)

দোকানদার বলল, আমরা আজ বিকেলে কিন্তু এক লট মাল পাচ্ছি। তার মধ্যে ভাল একা পাবেন।  আজই পাচ্ছেন ? আজই ।’ ‘এ খবরটা তাহলে রাজেনবাবুকে জানাতে হয়।  মিস্টার মজুমদার ? ওনার তাে জানা আছে। রেগুলার খদ্দের যে দু-তিন জন আছেন, তাঁরা সকলেই নতুন মাল দেখতে বিকেলে আসছেন।’   অবনীবাবুও খবরটা পেয়ে গেছেন ? মিস্টার ঘােষাল ? … Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৬)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৫)

‘গন্ধটা গ্রিপেক্স আঠার মতাে। ‘চমৎকার ধরেছ।  কিন্তু আপনিও তাে ধরার ব্যাপারে কম যান না দেখছি।’ তিনকড়িবাবু হেসে বললেন, কিন্তু তােমার বয়সে আমি ডিটেকটিভ কথাটার মানে জানতুম কি না সন্দেহ ! | বাড়ি ফেরার পথে ফেলুদা বলল, “রাজেনবাবুর মিস্ট্রি সলভ করতে পারব কি না জানি   -কিন্তু সেই সূত্রে তিনকড়িবাবুর সঙ্গে আলাপটা বেশ ফাউ পাওয়া গেল।… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৫)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৪)

রাজেনবাবু বললেন, ‘ইচ্ছে তো আছে।’ অনীবাণু বেরিয়ে যাওয়ার পর ফেলুদা রাজেনবাবুকে বলল, কটা দিন একটু না বেরিয়ে-টেরিয়ে সাবধানে থাকা উচিত নয় কি ?    ‘সেটাই বােধ হয় ঠিক। কিন্তু মুশকিল কী জান ? সেই চিঠির ব্যাপারটা এতই অবিশ্বাস্য যে, এটাকে ঠিক যেন সিরিয়াসলি নিতেই পারছি না। মনে হচ্ছে এটা যেন একটা ঠাট্টা—যাকে বলে প্র্যাকটিক্যাল জোক। … Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৪)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৩)

ফেলুদা হঠাৎ বলল, আপনার বােধহয় গান-বাজনার শখ ? তিনকড়িবাবু অবাক হাসি হেসে বললেন, সেটা জানলে কী করে হে ? ‘আপনি যখন কথা বলছেন তখন লক্ষ করছি যে, লাঠির উপর রাখা আপনার ডান হাতের তর্জনীটা রেডিওর সঙ্গে তাল রেখে যাচ্ছে।’   রাজেনবাবু হাসতে হাসতে বললেন, ‘মােক্ষম ধরেছ। উনি ভাল শ্যামা সংগীত গাইতে পারেন।’  ফেলুদা এবার বলল,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-৩)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-২)

আর সাতাত্তর পা। ‘আর যদি না হয় ? ‘হবেই, ফেলুদা। আমি সেবার গুনেছিলাম।  না হলে গাঁট্টা তাে ? ‘হ্যাঁ—কিন্তু বেশি জোরে না। জোরে মারলে মাথার ঘিলু এদিক–ওদিক হয়ে যায়।  কী আশ্চর্য—সাতাত্তরে রাজেনবাবুর বাড়ি পৌছলাম না। আরও তেইশ পা গিয়ে তবে ওর বাড়ির গেটের সামনে পড়লাম।   ফেলুদা ছােট্ট করে একটা গাঁট্টা মেরে বলল, “আগের বার… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-২)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১)

রাজেনবাবুকে রােজ বিকেলে ম্যাল–এ আসতে দেখি। মাথার চুল সব পাকা, গায়ের রং ফরসা, মুখের ভাব হাসিখুশি। পুরনাে নেপালি আর তিব্বতি জিনিস-টিনিসের যে দোকানটা আছে, সেটায় কিছুক্ষণ কাটিয়ে বাইরে এসে বেঞ্চিতে আধঘণ্টার মতাে বসে সন্ধে হব–হব হলে জলাপাহাড়ে বাড়ি ফিরে যান। আমি আবার একদিন ওঁর পেছন পেছন গিয়ে ওঁর বাড়িটাও দেখে এসেছি। গেটের কাছাকাছি যখন পৌছেছি,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১)

হুমায়ুন আহমদ এর শ্যামল ছায়া শেষ পর্ব

নৌকার অনেকেই এই কথায় হেসে উঠল। মজিদ রেগে গিয়ে বলল, ‘হাস কেন? ও মিয়ারা, হাস কেন? মজিদ রেগে যাওয়াতেই হাসিটা হঠাৎ করেই থেমে গেল। নৌকা নীরব হল মুহূর্তেই। তখনি শােনা গেল, বাইরে ঝুপঝুপ করে বৃষ্টি হচ্ছে। মাঝি দু জন ভিজে চুপসে গেছে। জাফর বলল, ‘মাঝিরা তাে দেখি গােসল সেরে ফেলেছে। ‘ই গাে ভাই, তিন দফা… Continue reading হুমায়ুন আহমদ এর শ্যামল ছায়া শেষ পর্ব