তরফদার বাংলায় নয়নকে প্রশ্নটা করাতে সে বলল, কোন ব্যাঙ্ক ? ওর ত তিনটে ব্যাঙ্কে টাকা আছে। কেলারম্যানের মুখ থেকে লাল ভাবটা চলে গিয়ে একটা ফ্যাকাসে ভাব দেখা দিল। সে ঢােক গিলে আগের মতােই ধরা গলায় মার্কিনী নাকী উচ্চারণে বলল, “সিটি ব্যাঙ্ক অফ নিউইয়র্ক ।নয়ন গড়গড় করে বলে দিল, ‘ওয়ান্ টু ওয়ান টু এইট ড্যাশ সেন ফোর। ‘জীসাস… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৭)
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৬)
‘আজ্ঞে হ্যাঁ। আমি এখন অত্যন্ত হালকা বােধ করছি। নয়নের মাস্টার, ডাক্তার, জামাকাপড়—সব কিছুর খরচ উনি দিচ্ছেন। একটা প্রশ্ন অবিশ্যি উনি আমাকে করেন, সেটা হল কলকাতার বাইরে ভারতবর্ষের অন্য বড় শহরে শশা করার আমবিশন আমার আছে কিনা। আমি জানাই যে সেদিনই সকালে আমি ম্যাড্রাস থেকে একটা টেলিফোন পেয়েছি মিঃ রেড্ডি নামে এক থিয়েটারের মালিকের কাছ থেকে।… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৬)
সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৫)
‘আপনি সংসার করেননি ? জিজ্ঞেস করলেন জটায়ু। “আজ্ঞে না, মৃদু হেসে বললেন তরফদার । “তাড়া কী ? আগে শাে-টাকে দাঁড় করাই ! চা এসে গেছে, সঙ্গে সিঙ্গাড়া। ফেলুদা একটা সিঙ্গাড়া তুলে নিয়ে বলল, “আজ কিন্তু আমি শ্রোতা। কিছু বলার থাকলে ইনি বলবেন। ফেলুদা জটায়ুর দিকে নির্দেশ করল। ইনি কে জান ত ? ‘তা জানি বেকি!’ চোখ… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৫)
সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৪)
শুক্রবারের কাগজে নয়ন সম্বন্ধে বেয়ােনর কথা ; আজ মঙ্গলবার। বেশ অবাক হলাম দেখে যে, আজই তরফদারের কাছ থেকে টেলিফোন এল । শুধু ফেলুদার দিকটা শুনে ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পারলাম না ; ফোন রাখার পর ফেলুদা খুলে বলল। | ‘খবরটা এর মধ্যেই ছড়িয়েছে, বুঝেছিস তােপশে। আটশাে লােক সেদিন ম্যাজিক দেখেছে ; তার মধ্যে কতজন কত লােককে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৪)
সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৩)
যাকে নিয়ে এই আইটেম, সে হল আট–ন বছরের একটি ফুটফুটে ছেলে–যাকে সঙ্গে নিয়ে তরফদার মঞ্চে হাজির হলেন। একটা বেশ বাহারের চেয়ার স্টেজের মাঝখানে রাখা ছিল, ছেলেটিকে তাতে বসিয়ে তরফদার দর্শকদের দিকে ঘুরে বললেন, ‘এই বালকের নাম জ্যোতিষ্ক ; এর আশ্চর্য ক্ষমতার পরিচয় আপনারা এখনই পাবেন। আমি স্বীকার করছি এতে আমার কোনাে বাহাদুরি নেই। একে মঞ্চে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-৩)
সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-২)
হত না যদি না ও প্রকাশকের তাগিদের চোটে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ত। ওকে দোষ দিই কী করে বলুন ? আমার মামলা থেকে ও যা খাড়া করে তাকে কিশাের উপন্যাসই বলা হয়ে থাকে। এইসব উপন্যাস যদি শুধু কিশােররাই পড়ত তাহলে কিন্তু কোনাে সমস্যা ছিল না ; আসলে যেটা ঘটে সেটা হল, কিশােরদের সঙ্গে তাদের মা, বাবা, মাসি,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর নয়ন রহস্য (পর্ব-২)
হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত শেষ পর্ব
বৌ সঙ্গে সঙ্গে বলল, এত অবাক হচ্ছেন কেন মা? পিপড়া চায়ে ভাসবে এটাই তাে স্বাভাবিক। পিপড়া চায়ের চেয়ে হালকা। আর্কিমিডিসের সূত্র অনুসারে সে ভাসছে। একটা মার্বেল চায়ে ছেড়ে দিয়ে দেখা যাবে মার্বেল ডুবে গেছে। মা একটা মার্বেল ছেড়ে দেখাব? মীরু হাসছে। হাসি থামানাের চেষ্টা করেও পারছে না। যতই সে হাসি থামানাের চেষ্টা করছে ততই… Continue reading হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত শেষ পর্ব
হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত (পর্ব-২৮)
আকাশ ঘন নীল । আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় চোখে নীল সানগ্লাস পরে আকাশ দেখা হচ্ছে। মীরু বলল, আকাশ কী রকম নীল দেখেছেন? হালকা নীলকে আমরা বলি আকাশী নীল। কিন্তু আসলে আকাশের নীল অনেক গাঢ়। নাসের কিছু বলল না। হাসল । মীরু বলল, নীল দিয়ে শুরু হয়েছে এমন একটা গানের কলি বলুন কোন ব্রান্ডের… Continue reading হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত (পর্ব-২৮)
হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত (পর্ব-২৭)
জাহেদা কেঁদে ফেললেন। মীরু মা’র হাত ধরে বলল, বাবাকে রাজি করাও। বাবাকে গিয়ে বল— “মীরু একটা ছেলেকে বিয়ে করতে চাচ্ছে। ছেলে বেকার। হতদরিদ্র।” বাবা যদি তাতেই রাজি থাকে তাহলে আমি খুবই খুশি মনে বেনারসি শাড়ি পরে বিয়ে করব। বাবাকে বলতে পারবে? জাহেদা কিছু বললেন না। চোখ মুছতে থাকলেন। মীরু বলল, এত মন খারাপ করাে… Continue reading হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত (পর্ব-২৭)
হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত (পর্ব-২৬)
মীরু স্বপ্নটা আবারাে দেখছে। তবে স্বপ্নটা আগের মত না। একটু মনে হল বদলেছে। ডায়াসে স্যারকে দেখা যাচ্ছে। স্যারের চেহারা শান্ত। তিনি আঙুল উঁচিয়ে ডাকলেন, এই যে মেয়ে। উঠে এসাে। তােমার নামই তাে ‘ঐ’? অদ্ভুত এক অক্ষরের নাম— ঐ। স্যার আমার নাম ঐন্দ্রিলা। ঐন্দ্রিলার চেয়ে ঐ অনেক সুন্দর নাম। আজ থেকে আমরা সবাই তােমাকে ঐ… Continue reading হুমায়ন আহমেদ এর রোদনভরা এ বসন্ত (পর্ব-২৬)