হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৮

কেয়ার নানি মৃত্যুশয্যায়। তিনি নাতনীর বিয়ে দেখে যেতে চাচ্ছেন আর কেয়ার আপা–দুলাভাইও কেয়াকে আর পুষতে পারবেন না বলে ঘােষণা দিয়েছেন।  ‘ওরা কি দেখে তােমার কাছে বিয়ে দিচ্ছে – তােমার আছে কি?   জাহেদ কিছু বলল না। মনােয়ারা বললেন – বউ নিয়ে কোথায় উঠবে ? জাহেদ বলল, এখনাে কিছু ঠিক করিনি। ‘তােমার কি কোথাও ওঠার জায়গা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৭

‘কখন বাসায় ফিরবে সেটা বলতে পারবেন? ‘উহু। * জাহিরের মন খারাপ হয়ে গেল। আজ বাসের স্ট্রাইক। সে কলাবাগান থেকে গুলশান পর্যন্ত এসেছে অনেক যন্ত্রণা করে। কিছু হেঁটে, কিছু শেয়ারের রিকশায়, কিছুটা টেম্পােতে। সুযােগ বুঝে টেম্পাের ভাড়া করে দিয়েছে দুগুণ। তার পকেটে এখন সাতটা টাকা আছে। এই সাত টাকায় কলাবাগান ফিরে যাওয়াই সমস্যা। তা ছাড়া প্রচণ্ড… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৬

ইয়াজউদ্দিন সাহেব বললেন, কেয়ার সঙ্গেও কি তােমার পরিচয় আছে ?  ‘হ্যাঁ, পরিচয় আছে। খুব ভাল মেয়ে। গম্ভীর হয়ে থাকে, কিন্তু মাঝে মাঝে এমন হাসির কথা বলে !‘   ‘প্রাইভেট টিউশনি সম্বল করে একটা ছেলে বিয়ে করে ফেলতে চাচ্ছে – তােমার কাছে কি হাস্যকর মনে হচ্ছে না?”  ‘জহিরের কোন উপায় নেই, বাবা। ওকে প্রাইভেট টিউশনি করে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৫

শুভ্র জবাব দিল না। হাসল। ইয়াজউদ্দিন সাহেব আগ্রহ নিয়ে ছেলের হাসি দেখলেন। শুভ্র’র হাসি সুন্দর। দেখতে ভাল লাগে। সব শিশুর হাসি সুন্দর। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে হাসির সৌন্দর্য নষ্ট হতে থাকে। শুভ’র হয়নি।   রেহানা চা নিয়ে এসেছে। চা আনতে তাঁর দেরি হবার কারণ বােঝা যাচ্ছে – শুধু চা আসে নি। আয়ােজন দেখে মনে হচ্ছে সকালের… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৪

‘উনার এক ভাগ্নি আছে। ডাক নাম শাপলা – মেয়েটা খুব সুন্দর, টিভিতে গান গায়। বি গ্রেডের শিল্পী। নাটকও করে। ও লেভেল পাস করে ইউনিভার্সিটিতে ঢুকেছে। পালিটিক্যাল সায়েন্সে পড়ে। থার্ড ইয়ার। গায়ের রঙ শুভ্রের মত না হলেও ফর্সা। তুমি কি মেয়েটাকে দেখবে?   ‘আমি দেখব কেন?” | ‘তােমার পছন্দ হলে শুভ্রের জন্যে আমি মেয়ের মামা জাভেদ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩

আধঘণ্টা পর বিছানায় যেতে হয়। তিনি আধঘণ্টা পার করার জন্যে অপেক্ষা। করছেন। তার ঘুম এসে গেছে। চোখের পাতা ভারী হয়ে এসেছে। কয়েকবার হাই উঠেছে।   তিনি দেখলেন রেহানা ট্রেতে করে চা নিয়ে শুভ্রের ঘরে ঢুকছে। ইয়াজউদ্দিন সাহেবের ভ্রু কুঞ্চিত হল। দুপুর রাতে সে ছেলেকে চা বানিয়ে খাওয়াচ্ছে কেন? অন্ধ ভালবাসার ফল কখনাে মঙ্গলময় হয় না।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২

‘রেহানা।  ‘শুভ্র–র ঘরে বাতি জ্বলছে কেন? ওকি জেগে আছে?” ‘হঁ্যা, জেগে আছে।   ‘এত রাত পর্যন্ত তাে জেগে থাকার কথা না। আমার মনে হয় সে বাতি জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। তুমি একটু দেখে এসাে তো।” | রেহানা উঠে চলে গেলেন। খালিগায়ে বারান্দায় বসে থাকায় তাঁর একটু শীত শীত লাগছে। বুকের চাপ ব্যথা একটু কমেছে বলে মনে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১

রেহানা গ্লাসভর্তি তেতুলের সরবত নিয়ে যাচ্ছিলেন, শুভ্র’র ঘরের কাছে এসে থমকে দাঁড়ালেন। চাপা হাসির শব্দ আসছে। শুভ্র হাসছে। রাত একটা বাজে। শুভ্রের ঘরের বাতি নেভানাে। সে অন্ধকারে হাসছে কেন? মানুষ কখনাে অন্ধকারে হাসে না। কাঁদতে হয় অন্ধকারে, হাসতে হয় আলােয়। রেহানা ডাকলেন, শুভ্র !  শুভ্র হাসি থামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল, কি মা? ‘কি করছিস?”… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা মেঘের ছায়া খন্ড-১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস শেষ খন্ড

প্রতি বর্ষায় দুতিনবার এই কাজটা করেন। তাঁর নাকি মজা লাগে।  ছাদের ঠিক মাঝখানে এগারােটা ফুলের টব আছে। টবগুলির মালিক ফুপু । তার জন্ম এগারাে অক্টোবর বলে এগারাে তার লাকি সংখ্যা। এইজন্যে ফুলের টবের সংখ্যা এগারাে। ফুপু তাঁর টবগুলির কোনাে যত্ন নেন না। সব গাছই কিছুদিনের মধ্যে মরে যায়। তখন আবার কেনা হয়। ফুপু ঠিক করে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস শেষ খন্ড

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–২০

তুমি ড্রিংকসের সঙ্গে কখনাে খেয়েছ ?  দু’একবার পাল্লায় পড়ে খেয়েছি। জিন এন্ড লাইম। এক ধরনের ককটেল । জিন সামান্যই থাকে।   খেতে কেমন ?  শরবতের মতাে একটু তিতা ভাব আছে। তাের কি খেতে ইচ্ছা করছে না। কি ?  খবরদার! এইসব জিনিসের ধারে কাছে যাবি না। তুই গাধা আছিস গাধাই থাকবি। ঘােড়া হতে যাবি না । … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–২০