মৃত্যুকালিন প্রত্যাশা -মহিউদ্দিন জুলহাস 

এই দুনিয়ার মোহে পড়ে তাকে রয়েছি ভুলে তবু সে আসবেই। আমার কাছে আসবে তোমার কাছে আসবে সবার কাছে আসবে সময়মতো আসবে। চিরসত্য মৃত্যু এলে- মুমিনবান্দা হাসবে আর পাপীবান্দা হবে যন্ত্রণাকাতর। আমি তো নগণ্য বান্দা করেছি অনেক পাপ হে রহিম হে রহমান তুমি করিও মাফ। হে প্রভু! তোমাকে করে স্মরণ জান্নাতি হাসি হেসে যেন মৃত্যুকে করি… Continue reading মৃত্যুকালিন প্রত্যাশা -মহিউদ্দিন জুলহাস 

গাছ- মহিউদ্দিন জুলহাস

গাছ লাগাবো বাড়ির পাশে সুন্দর হবে পরিবেশ, এসো সবাই বৃক্ষ লাগাই সবুজ দিয়ে ভরি দেশ। গাছ আমাদের বন্ধু মহান দেয় যে অমল হাওয়া, মজার মজার ফলগুলো সব গাছের থেকেই পাওয়া। টেবিল বানাই গাছের কাঠে গাছের কাঠেই চেয়ার, রাখতে সঠিক পরিবেশটা করুন গাছের কেয়ার। বৃক্ষ ছাড়া সোনার জীবন হয়েই যাবে কয়লা, বৃক্ষ বিহীন শহরগুলোই জমছে শুধু… Continue reading গাছ- মহিউদ্দিন জুলহাস

আবুল বীরের ছড়া- মহিউদ্দিন জুলহাস 

কাবুল গিয়ে আবুল মিয়া বলল, ‘আমি বীর, হাজার হাজার মারছি জঙ্গি ছুঁড়ে বাঁশের তীর।’ ভাবলো সবাই তার কথাটা হতেই পারে সত্য, কিন্তু লোকটা ভীষণ ভীরু আছে এমন তথ্য। শেয়াল দেখে ভয়ে কাঁপে বউয়ে ডাকে চামচিকা, কেমন করে এমন লোকে বীরের খাতায় নাম লিখা?

মনে পড়ে- মহিউদ্দিন জুলহাস

মনে পড়ে ছোট্টবেলার ঘুমপাড়ানি ছড়া মনে পড়ে মায়ের কাছে বর্ণমালা পড়া। মনে পড়ে বাদলা দিনে সবুজ খেলার মাঠ মনে পড়ে দাদার সাথে বিকেলবেলার হাট। মনে পড়ে গাঁয়ের মাঝে পদ্মফুলের পুকুর মনে পড়ে রাখাল ছেলের মিষ্টি বাঁশির সুর। মনে পড়ে সকালবেলা কুরান শিক্ষার কথা মনে পড়ে বাল্যবন্ধু, হায় রে স্বাধীনতা! মনে পড়ে বেতাই নদী হারিয়ে যাওয়া… Continue reading মনে পড়ে- মহিউদ্দিন জুলহাস

সূর্য- মহিউদ্দিন জুলহাস

মাকে সেদিন প্রশ্ন করে ছোট্ট ছেলে তূর্য মাগো তুমি সঠিক জানো হলুদ কেন সূর্য। ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার সূর্য মামার ব্যাস তার আলোতে ঝলসে ওঠে বিশ্বের সকল দেশ। বিদ্যালয়ে গিয়ে আমি শিখে এলাম পাঠ ওই সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে গ্রহ আট। সূর্য যদি না দেয় আলো প্রাণটা যাবে ফুড়ুত্ তো আল্লাহ যা করছে সৃ‌ষ্টি সবই… Continue reading সূর্য- মহিউদ্দিন জুলহাস

রানির উপদেশ -মহিউদ্দিন জুলহাস

রানি বলে, ‘রাজা! অসৎ মানুষ ধরে ধরে দিবে তুমি সাজা। প্রজা যেন সুখে থাকে করবে এমন কাম দেশকে যারা ভালোবাসে তাঁদের দিবে দাম। তোমার কামে থাকে যেন প্রজাগণের আস্থা কঠোর হস্তে দমন করো দুর্নীতির সব রাস্তা। প্রজার স্বাধীন মত প্রকাশে তোমার বাধা থাকবেনা তোমার দেশে স্বৈরাচারি কোন নিয়ম রাখবেনা। তোমার পুলিশ বিরোধীদের ধরে ধরে মারবেনা… Continue reading রানির উপদেশ -মহিউদ্দিন জুলহাস

রামেলা -মহিউদ্দিন জুলহাস

রামেলা মহিউদ্দিন জুলহাস ছোট্ট মেয়ে রামেলা মাকে করে ঝামেলা। মা যে দিলেন বকা তারে জ্বালাও কেন বারেবারে। যখন করি রান্না কেন করো কান্না? কান্না করলে বিয়ে দেব সঙ্গে একটা টিয়ে দেব। কী যে সুন্দর টিয়ে পাখি মুছে ফেল ভিজা আঁখি। আঁখি রাখলে পবিত্র ভালো থাকবে চরিত্র।

রিহাবের নতুন জামা-মুহাম্মদ বরকত আলী

রিহাবের নতুন জামা রিহাব সকাল থেকেই হু হু করে কাঁদছে। দু’চোখের কোণায় এক ফোটাও জল নেই। এভাবে কাঁদলে কি আর মায়ের মন গলানো যায়? চোখে জল নাই-বা এলো, তাতে কী যায় আসে? মুখের জলতো ফুরিয়ে যায়নি। একটু আঙুলে করে লাগিয়ে নিলেই তো হলো। হোক সেটা অভিনয়ের জল। মানুষতো বেশির ভাগ সময় অভিনয়ই করে। বরং মঞ্চের… Continue reading রিহাবের নতুন জামা-মুহাম্মদ বরকত আলী

মায়াবিনী-শাওন মল্লিক

কার ছাঁয়া? চেনা চেনা মনে হয়! ও কার ছাঁয়ার প্রতিচ্ছায়া? ও কার পায়ের শব্দ! ও কার নূপুরের ছন্দ! কোন ভুলে সে এই পথে হেঁটে গেলো! সে আমার অসহ্য যন্ত্রণার মত রক্তের তপ্ত স্রোতী, ফাল্গু নদীর নিদাঘ জলের মত সে আমার অমরাবতী বিধুনন বিধুর বুকে সে আমার আগনন যাতনার কাম অপূর্ব মোহময় কবিতার মত দ্রোহী যার… Continue reading মায়াবিনী-শাওন মল্লিক

রাত একটার প্যারাডক্স!-শাওন মল্লিক

কি এমন হারিয়েছি আমি, যা নিয়ে পুরো বসন্তের লকলকে বিষাদ? কি এমন ফেলে এসেছি, যা নিয়ে অরণ্য হয়েছে জঞ্জাল? সে কাগজে কি এমন লেখা ছিলো, যে ডাক বাক্সের কাঠেই আগুন লেগে, পুরো আস্ত একটা মানুষ রবীন্দ্রনাথ হয়ে গেলো? কি এমন হারিয়েছি আমি, যা নিয়ে জীবনানন্দ তো দূরে থাক, সুজিত সরকারও দু’টো লাইন লিখে যায়নি? কি… Continue reading রাত একটার প্যারাডক্স!-শাওন মল্লিক