মুহিব উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বলল, আপনি যে ছাগলের লাদির মতাে বড়িগুলাে খাওয়াচ্ছিলেন সেগুলি কি খেয়েই যাব না খাওয়া বন্ধ করে দেব ? তৌফিকুর রহমান কোনাে জবাব দিলেন না। মুখের সামনে খবরের কাগজ ধরলেন। রাত দশটার দিকে মুহিব একটা সুটকেস এবং একটা হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে খায়রুল মিয়ার ফ্ল্যাট বাড়িতে উঠে এলাে। খায়রুল মিয়ার আনন্দের সীমা রইল। তার… Continue reading উড়ালপঙ্খি-(শেষ)-পর্ব-হুমায়ুন আহমেদ
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(২২)-হুমায়ুন আহমেদ
ফটোগ্রাফার সার্বক্ষণিকভাবে থাকা দরকার, সেলিব্রিটি কেউ আসল, ঝপাঝপ ছবি। তাের বাসায় ক্যামেরা আছে ? বড় ভাইজানের আছে। দিবে না। চেষ্টা করতে তাে ক্ষতি নেই। চেষ্টা না করেই যদি বলে ফেলিস দিবে না। তাহলে হবে কীভাবে? সব কাজ বাদ দিয়ে বাসায় যা, তাের ভাইকে ভজিয়ে। ভাজিয়ে ক্যামেরা নিয়ে চলে আয়। নােরা ম্যাডাম যদি সত্যি আসেন তাহলে।… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(২২)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(২১)-হুমায়ুন আহমেদ
বাথটাব ভর্তি পানি। আমি গলা ডুবিয়ে পানিতে শুয়ে আছি। আমার হাতে একটা জ্বলন্ত সিগারেট। তুমি কি এখন নিয়মিত সিগারেট খাচ্ছ ? তা খাচ্ছি। দিনে এক প্যাকেটের বেশি শেষ হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই ছেড়ে দিব । আমি কোনাে কিছুই বেশিদিন ধরে রাখি না। বেশির ভাগ মানুষের স্বভাব পুরনাে জিনিস ধরে রাখা। মানুষ কিছুই ফেলতে পারে না।… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(২১)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(২০)-হুমায়ুন আহমেদ
মৌ ভাবি হয়তাে বা রাজি হয়ে যাবেন কিছুক্ষণের জন্যে আসতে। নাটকের আরেকজন শিল্পীর বাসায় মুহিব একবার গেছে। শীলা আহমেদ। তাকে বললে সে অবশ্যই রাজি হবে । তবে মেয়েটা এখন নাটক ছেড়ে দিয়েছে। নাটক ছেড়ে দিলেও লােকজন তাকে চিনে। এখন নিশ্চয়ই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়ে যাবার জন্যে লােকজন তার পেছনে লেগে থাকে না। সেখানে হঠাৎ একজন কেউ… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(২০)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৯)-হুমায়ুন আহমেদ
পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সে খারাপ লিখবে না। লেখাটা ভালাে হয়েছে। সমস্যা হলাে পােস্টারটা হাতে লেখা হবে না কম্পিউটারে কম্পােজ করে সেঁটে দেয়া হবে সেটা নিয়ে। একদল বলছে, হাতে লেখা উচিত। হাতে লেখার মধ্যে একটা পার্সোনাল টাচ থাকে। ব্যাপারটা রিয়েলিস্টিকও হবে। বেকার মানুষ কম্পিউটার কম্পােজের টাকা পাবে কোথায় ? আরেক দলের ধারণা কম্পিউটার কম্পােজ হওয়া উচিত।… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৯)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৮)-হুমায়ুন আহমেদ
নামাজের শেষে তিনি এত আবেগের সঙ্গে দোয়া পড়লেন যে মুহিবের চোখ ছলছল করতে লাগল । মুহিব! জি ভাবি। মুহিবের বড়ভাবি দরজার পাশ থেকে তার অতি বিরক্ত মুখ বের করে বললেন— তােমার টেলিফোন এসেছে, ধর । যাকে তাকে নাম্বার দিও না তাে। সময়ে অসময়ে টেলিফোন করে, অতি বিরক্ত লাগে। মুহিব বিছানা থেকে নামতে নামতে বলল, ইলিশ মাছটা… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৮)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৭)-হুমায়ুন আহমেদ
মুহিব বলল, আছে। কমনসেন্স বলে একটা জিনিস যে বাজারে প্রচলিত আছে তার ব্যাপারে সেটা মনে হলাে না। I am so annoyed. কী করেছে ? ভাের ছ‘টার সময় টেলিফোন করে তােকে চাচ্ছে। আমি বললাম, জরুরি কিছু ? সে বলল— না, জরুরি কিছু না। আমি বললাম, জরুরি কিছু না হলে পরে টেলিফোন করাে। ছুটির দিনে ভাের ছ‘টায়… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৭)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৬)-হুমায়ুন আহমেদ
এত টাকা বাসায় ছিল ? ওরা কালার টিভি কিনবে। আলাদা টিভি দেখবে। বৌমার বুদ্ধি । এই মেয়ে ছেলেটার মাথা খারাপ করে দিচ্ছে।আলাদা টিভি দেখার কী আছে তুই বল। এইসব আমার এখন আর ভালাে লাগে না। আমি ঠিক করেছি এদের সঙ্গে থাকব । থাকবে কোথায় ? মনােয়ারা চুপ করে রইলেন। চিন্তা করে বের কর কোথায় থাকতে চাও।… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৬)-হুমায়ুন আহমেদ
উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৫)-হুমায়ুন আহমেদ
আরজু সাহেব আজমীর মামার শােবার ঘরের দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর শরীর কাঁপছে। কপাল ভর্তি ঘাম। কপালের ঘাম নাক বেয়ে টুপটুপ করে পড়ছে। তিনি ভাঙা গলায় বললেন, এখানে কী হয়েছে ? সফিক বলল, তেমন কিছু হয় নি। আমরা কাটাকুটি খেলেছি। তার মানে কী ? সব কিছুর মানে কি পরিষ্কার করে বলা যায়? বলা যায় না।… Continue reading উড়ালপঙ্খি-পর্ব-(১৫)-হুমায়ুন আহমেদ
পাখি আমার একলা পাখি-(শেষ)-পর্ব-হুমায়ুন আহমেদ
রূপার গলার স্বর বদলে যাচ্ছে। চোখের তারায় অন্য এক ধরনের আলাে। সে আজ বিশেষ কিছু বলবে। সেই বিশেষ কথাগুলি শােনার জন্যে আমি অপেক্ষা। করছি। রূপী চায়ের কাপ নামিয়ে রেখে ঠোট মুছল, তারপর আগের চেয়েও নিচু গলায় বলল, প্রতিবাদ আমি নিজেও করতে পারতাম। ভণ্ডামী, ভান এইসব আমার ভাল লাগে না। যেখানে এইসব দেখেছি কঠিন গলায় প্রতিবাদ… Continue reading পাখি আমার একলা পাখি-(শেষ)-পর্ব-হুমায়ুন আহমেদ