জি আচ্ছা । আমার সামনে টেলিফোন দিয়ে জামান সরে গেল । এইটুকু ভদ্রতা আছে । অধিকাংশ দোকানেই টেলিফোন করতে দেয় না । টাকা দিয়েও না । যদিও দেয় -রিসিভারের আশেপাশে ঘুরঘুর করে কী কথা হচ্ছে শুনবার জন্যে । হ্যালো, কে কথা বলছেন ? তুমি কি মীরা ? হ্যাঁ হ্যাঁ, আমি মীরা । আপনি কে আমি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ২০
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
জাহানারা ইমাম এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
তিনি শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত। তিনি ছিলেন লেখিকা, শিক্ষাবিদ, কথাসাহিত্যিক এবং একাত্তরের ঘাতক দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী। তিনি আজীবন একাত্তরের ঘাতক, দালাল, রাজাকার, আলবদর, আলশামশদের শাস্তির দাবিতে সংগ্রাম করেছেন। তিনি এক মহীয়সী নারী। তাঁর নিজের কষ্ট, ব্যথার ডায়েরি একাত্তরের দিনগুলো একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি। তিনি স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন। গণ-আদালত ছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের অপকর্মের… Continue reading জাহানারা ইমাম এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
রামনারায়ণ তর্করত্ন এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
রামনারায়ণ তর্করত্ন ছিলেন বাঙালি নাট্যকার। বাংলা মৌলিক নাটক রচয়িতা হিসেবেই তর্করত্ন মুখ্য পরিচয়। বাংলা ভাষায় তিনি প্রথম বিধিবদ্ধ নাটক রচনা করেন। তাঁর পিতা সেকালের একজন নামকরা পন্ডিত ছিলেন। তাঁর দাদা প্রাণকৃষ্ণ বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি নিজেও কলেজে পন্ডিত এবং অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন। কলেজ থেকে অবসর গ্রহণ করে তিনি নিজগ্রাম হরিনাভিতে চতুষ্পাঠী খুলে… Continue reading রামনারায়ণ তর্করত্ন এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৯
মজিদকে ছাত্র হিসেবে পেলে বাবার লাভ হতো । মজিদ ! … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৮
আচ্ছা, রূপার পরনে কী রঙের শাড়ি ছিল বল তো ? লক্ষ্য করিনি তো । … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৭
মজিদকে আমার একবার তাজমহল দেখানোর ইচ্ছা । শুধু দেখার জন্যে সত্যি সত্যি সে কী করে । বা আসলেই কিছু করে কিনা! দশদিন পর মজিদের সঙ্গে আমার দেখা- সে একবার মাত্র মাথা ঘুরিয়ে তাকাল । তার পরপরই পত্রিকা পড়তে লাগল বছরখানিক আগের বাসি একটা ম্যাগাজিন । একবার জিজ্ঞেস করল না, আমার খবর কী? আমি কেমন ।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৬
সমুদ্রের পানি রূপার মতো চকচক করছে, আর তোমরা ….. আমরা কী ? … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৫
তোর কাছে আসলাম একটা পরামর্শের জন্যে! আজই ওদের বিয়ে লাগিয়ে দাও । আজই বিয়ে লাগিয়ে দেব ? হু । কাজি ডেকে এনে বিয়ে পড়িয়ে দাও- ঝামেলা চুকে যাক । তারপর ওরা যত ইচ্ছা রাত জেগে গল্প করুক । আসল অনুষ্ঠান পরে হবে । বিয়েটা হয়ে যাক । ফুপু নিঃশ্বাস ফেললেন-মনে হচ্ছে আমার কথা তার মনে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৪
মামার পেট এফোড়–ওফোড় হয়ে যায় । কোচের খানিকটা পিঠ ছেদ করে বের হয়ে থাকে । উঠানে চাটাই পেতে মামাকে শুইয়ে রাখা হয় । দৃশ্য দেখার জন্যে সারা গ্রামের লোক ভেঙে পড়ে । তাকে সদর নিয়ে যাওয়ার জন্যে মহিষের গাড়ির ব্যবস্থা হলো । মামা ঠাণ্ডা গলায় বললেন, এতক্ষণ বাঁচব না । তোমরা আমাকে থানায় নিয়ে যাও… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৩
এসব বলবেন না তালই সাব । আত্মীয়ের মধ্যে গণ্ডগোল আমার পছন্দ হয় না । আইনের আশ্রয় নিলে আপনারও ক্ষতি, আমারও ক্ষতি । আর্থিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি। কোর্ট ফি এখন বাড়ায় করেছে তিনগুণ । গরিব মানুষ যে একটু মামলা-মোকদ্দমা করবে সে উপায় রাখে নাই । বাবা হিমালয়, তুমি কি আমার সঙ্গে যেতে চাও না ? … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের খন্ড- ১৩