খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ০১. পায়ের তলা কাদা পায়ের পাতা কাদায় একটুখানি গেঁথে যেখানে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গলার রগ টানটান করে যতোটা পারে উঁচুতে তাকিয়ে গাঢ় ছাই রঙের মেঘ তাড়াতে তমিজের বাপ কালো কুচকুচে হাত দুটো নাড়ছিলো, ঐ জায়গাটা ভালো করে খেয়াল করা দরকার। অনেকদিন আগে, তখন তমিজের বাপ তো তমিজের বাপ, তার বাপেরও জন্ম… Continue reading খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস – পায়ের তলা কাদা
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
মেঘলা আকাশ- মনিকা শকুন্তলা
মেঘলা আকাশ মনিকা শকুন্তলা সকাল সকাল ঘুম ভেঙে দেখি মেঘমেদুর আকাশে বলাকার ঝাঁক। ফাগুন হাওয়া সাথে কুয়াশা মোড়া আবছা অন্ধকার। সুয্যিমামা উঠবে বলেও ওঠেনি অজানা কোনো অভিমানে। তাই সুযোগ বুঝে শীতের বুড়ি আরো একবার আষ্টেপৃষ্ঠে জাপটে ধরেছে প্রকৃতিকে। প্রকৃতির এই দৈন্যদশা দেখে দেখে আমি যখন কল্পনায় তোমাকে নিয়ে কাব্য আঁকছি ঠিক তখনই জানলাম তুমি ভালো… Continue reading মেঘলা আকাশ- মনিকা শকুন্তলা
“জীবনের একূল অকূল “-মনিকা শকুন্তলা
“জীবনের একূল অকূল ” প্রবন্ধ সংকলন। লেখিকা: মনিকা শকুন্তলা। জীবন ক্ষেত্রের দুই কূল দুই তীরে আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। দেখলাম এপারেও শুধু চাই চাই আর চাই… ওপারেও শুধু চাই চাই আর চাই… কি চাই? তোর কি এত চাই রে জীবন? জীবন বলে জানিস না এ জগতের আরাধ্য এখন কে? আমি বলি কে? কে সে? জীবন নামের… Continue reading “জীবনের একূল অকূল “-মনিকা শকুন্তলা
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী -মানুষের চেহারা জাগ্রত অবস্থায় একরকম
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী ২০. মানুষের চেহারা জাগ্রত অবস্থায় একরকম ২০. মানুষের চেহারা জাগ্রত অবস্থায় একরকম, ঘুমন্ত অবস্থায় অন্যরকম। শহরের বেলাতেও তাই। জাগ্রত অবস্থায় কোনও মানুষকে বেশ চালাকচতুর বলে মনে হয়, কিন্তু ঘুমন্ত অবস্থায় তাকেই দেখায় আস্ত হাবা গঙ্গারামের মতো। দুপুরবেলা লালদিঘি গমগম করে রাত্রে সেখানে গা ছমছম করে। আমাদের পাড়া পার্ক সার্কাসের… Continue reading জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী -মানুষের চেহারা জাগ্রত অবস্থায় একরকম
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী- দেশভ্রমণ আমি বিস্তর করেছি
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী ১৫. দেশভ্রমণ আমি বিস্তর করেছি ১৫. দেশভ্রমণ আমি বিস্তর করেছি। সামান্য কিছু ঘটতে না ঘটতেই আমি বিচলিত হয়ে পড়িনে। রিফ্রেশমেন্ট রুমে চা খেতে গিয়েছি, ওদিকে গাড়ি আমার বাক্স-তোরঙ্গ বিছানা-বালিশ নিয়ে চলে গিয়েছে, বিদেশ-বিভুঁইয়ে মানিব্যাগ চুরি যাওয়াতে আমি কপর্দকহীন, ইতালির এক রেস্তোরাঁয় দুই দলে ছোরা-ছুরি হচ্ছে– আমি নিরীহ বাঙালি এক… Continue reading জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী- দেশভ্রমণ আমি বিস্তর করেছি
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী – পল আর পার্সিকে
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী ১০. পল আর পার্সিকে ১০. পল আর পার্সিকে এখন আর বড় একটা দেখতে পাইনে। ওরা আবুল আসফিয়ার কোটের উপর ডাকটিকিটের মতো সেঁটে বসেছে–চিনে-জোকের মতো লেগে গেছে বললে কমিয়ে বলা হয়, কারণ, রক্ত শোষা শেষ হলে তবু ছিনে-জোক কামড় ছাড়ে এরা খামের উপর ডাকটিকিটের মতো, যেখানেই আবুল আসফিয়া সেখানেই তারা।… Continue reading জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী – পল আর পার্সিকে
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী -কলম্বো থেকে আদন বন্দর
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী ০৫. কলম্বো থেকে আদন বন্দর ০৫. পল বিজ্ঞকণ্ঠে বললে, কলম্বো থেকে আদন বন্দর ২০৮২ মাইল রাস্তা। জাহাজে ছদিন লাগে। মাঝখানে দ্বীপ-টীপ নেই, অন্তত আমার ম্যাপে নেই। তবে আদনের ঠিক আগেই সোকোত্রা দ্বীপ। সেটা হয়তো দেখতে পাব। আমি বললুম, যদি রাত্রিবেলা ওই জায়গা দিয়ে যাই তবে দেখবে কী করে? আর… Continue reading জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী -কলম্বো থেকে আদন বন্দর
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী – বন্দর থেকে জাহাজ ছাড়ার কর্মটি
জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী ০১. বন্দর থেকে জাহাজ ছাড়ার কর্মটি জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী ০১. বন্দর থেকে জাহাজ ছাড়ার কর্মটি সবসময়ই এক হুলস্থুল ব্যাপার, তুমুল কাণ্ড! তাতে দুটো জিনিস সকলেরই চোখে পড়ে; সে দুটো– ছুটোছুটি আর চেঁচামেচি। তোমাদের কারও কারও হয়তো ধারণা যে সায়েব-সুবোরা যাবতীয় কাজকর্ম সারা করে যতদূর সম্ভব চুপিসারে… Continue reading জলে ডাঙায় – সৈয়দ মুজতবা আলী – বন্দর থেকে জাহাজ ছাড়ার কর্মটি
*আমার পেছনে ডাকে আমার ক্ষুদ্রতা*-মনিকা শকুন্তলা।
*আমার পেছনে ডাকে আমার ক্ষুদ্রতা* কি ভাবছেন বলুন তো? প্রথম লাইন পড়েই মনে খটকা লেগে গেলো? কি বলতে চায় লেখিকা? হ্যাঁ বলতে এটাই চাই যে আমাদের প্রত্যেকের ভেতর যে আমিত্ব আছে সেখানে আবার কিছু ভাবনার প্রকারভেদ আছে। এই যে মনের ক্ষুদ্র মানসিকতা প্রসূত চিন্তা চেতনা সেটাই হলো মনের ক্ষুদ্রতা আবার মনের বৃহৎ বাসনা যা বিকশিত… Continue reading *আমার পেছনে ডাকে আমার ক্ষুদ্রতা*-মনিকা শকুন্তলা।
হাজি মুরাদ – লিও তলস্তয় – মেজরের বাড়িতে হাজি মুরাদ
হাজি মুরাদ – লিও তলস্তয় ২০. মেজরের বাড়িতে হাজি মুরাদ ২০ দুর্গে মেজরের বাড়িতে হাজি মুরাদের এক সপ্তাহ কেটে গেল। তিনি সঙ্গে মাত্র দুজন মুরিদ রেখেছিলেন–খানেফি আর এলডার। মেরি দমিত্রিয়েভনা নোংরা খানেফিকে রান্নাঘর থেকে বের করে দিলেও হাজি মুরাদের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি ছিল পরিষ্কার। সে আর তাকে খাবার পরিবেশন করত না, সে কাজটা… Continue reading হাজি মুরাদ – লিও তলস্তয় – মেজরের বাড়িতে হাজি মুরাদ