কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২৪)

তুমি রেলের কাউকে কিছু বলতে পার না? আচ্ছা দেখি। কি করতে পারি আপনাকে জানাব। দশ মিনিট পর আমি টেলিফোন করি? হেলাল উদ্দিন বললেন, আপনাকে কষ্ট করতে হবে না। আমি জানাব। আবুল খায়ের সাহেব চাপা নিঃশ্বাস ফেললেন । তিনি নিশ্চিত হেলাল উদ্দিন আর টেলিফোন করবে না। নিজের মােবাইলও অফ করে রেখে দেবে। হেলালকে দোষ দিয়ে লাভ… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২৪)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২৩)

মাওলানা বললেন, ঐ ডাক্তার ছেলে গলাপর্যন্ত মদ খেয়েছে। তার মুখ দিয়ে ভক ভক করে মদের গন্ধ, আসছে। ঐ গন্ধ আমি চিনি। কিছু মনে করবেন না জনাব আপনিও মদ খেয়েছেন। রশীদ উদ্দিন হতাশ গলায় বললেন, কথা সত্য। মদ খাওয়ায় ডাক্তারের শরীর এবং মন হয়ত অশুচি হয়েছে। তার বিদ্যা কিন্তু হয় নি।  রশীদ উদ্দিনের কথা শেষ হবার… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২৩)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২২)

মাওলানা সাহেবের স্ত্রী আফিয়ার ৩৫ সপ্তাহ মাত্র চলছে। শিশু চল্লিশ সপ্তাহ মায়ের পেটে থেকে বড় হবে। এই চল্লিশ সপ্তাহ সে তার জগতে নিজের মত বড় হবে। সব শেষে তৈরী হবে তার ফুসফুস। ফুসফুস তৈরী হয়ে যাবার পর শিশু সিগন্যাল পাঠাবে মায়ের শরীরে—আমি এখন তৈরি। পৃথিবী দেখব। আমাকে বন্দিদশা থেকে মুক্তি দাও। মায়ের শরীর ব্যবস্থা নেবেন।… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২২)

বানভাসি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

পরশুদিন দুপুরে ভাত জুটেছিল। আর আজ এই রাতে। হিসেবে দু-দিন দাঁড়ায়। তবে খিদেটিদে উবে গিয়েছিল জলের তোড়ে তল্লাট ভেসে যেতে দেখে। পরশু থেকে আজ অবধি কাশীনাথ তার নৌকায় কতবার যে কত জায়গায় খেপ মেরে লোক তুলে এনেছে তার লেখাজোখা নেই। রায়চক উঁচু ডাঙা জমি, এইরকম দু-একটা জায়গা ডোবেনি। এখন সেইসব জায়গায় রাসমেলার ভিড়। খোলামাঠেই বৃষ্টির… Continue reading বানভাসি – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২১)

চিত্রা বলল, কিছু মনে করবেন না। আপনাকে কিন্তু খুশি খুশি লাগছে। আশহাব বলল, ঠিক ধরেছেন বিচিত্র কারণে আমি ফান পাচ্ছি। কেন পাচ্ছি নিজেও জানি না।  চিত্রা বলল, আমি জানি। আশহাব বিস্মিত হয়ে বলল, আপনি কিভাবে জানবেন?  চিত্রা কঠিন গলায় বলল, আপনার মা আমাকে বৌমা বৌমা ডাকছেন এই বিষয়টাতে আপনি ফান পাচ্ছেন। যে কোনাে মেয়েকে স্ত্রী… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২১)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২০)

রশীদ সাহেব বললেন, এই হাইপােথিসিসে বিশ্ব ভ্ৰহ্মাণ্ড একটা হলােগ্রাম ছাড়া আর কিছুই না…  খােলা দরজায় বসির মাথা বের করে বলল, বিরাট এক সমস্যা হয়েছে। আপা আপনি কি ডাক্তার?  চিত্রা বলল, না তাে। আশহাব সাহেব ডাক্তার।  বসির বলল, একজন মহিলা ডাক্তার দরকার। পাঁচ নম্বর কেবিনে এক মহিলার ডেলিভারী পেইন শুরু হয়েছে। উনার হাসবেন্ড মাওলানা । উনি… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২০)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৯)

আমার সঙ্গে ফাজলামী করবি না। তােকে যা বলেছি কর । বৌমাকে ডেকে নিয়ে আয়।  মা তুমি কি সত্যি ভাবছ সে তােমার বৌমা? না-কি ইচ্ছা করে একটা নাটক করছ?  সাজেদা বললেন, তাের এতবড় সাহস? তুই এইভাবে আমার সঙ্গে কথা বলছিস? আমি আমার বৌমাকে চিনব না।  মা তােমাকে দু’টা ট্যাবলেট দিচ্ছি। ট্যাবলেট খেয়ে শুয়ে পড়। তােমার ঘুম… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৯)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৮)

তবে  পারবেন। আবুল খায়ের খান টেলিফোন করেছেন পূর্ত মন্ত্রীকে। রিং হচ্ছে। কেউ টেলিফোন ধরছে না। রিং হতে হতে টেলিফোন থেমে গেল। একটা সময় ছিল দ্বিতীয় রিং শেষ হবার আগেই পূর্তমন্ত্রী বলতেন, গ্রেট খায়ের ভাই! কি ব্যাপার! বান্দা হাজির। এখন সময় ভিন্ন। খায়ের ভাইয়ের গ্রেটনেস বলে কিছু নেই। তার টেলিফোন ধরতে হবে না। আবুল খায়ের আবার টেলিফোন… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৮)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৭)

সুরমা বললেন, আমি কিন্তু যমুনাকে কিছু বলি নি। ওদের ট্রিপটা নষ্ট করে লাভ কি?  এক সময় যেহেতু জানবে এখনি বলে দাও। যমুনা এগিয়ে আসছে। তার হাতে মােবাইল। সে মােবাইল অন করে তার আলােয় সাবধানে এগুচ্ছে।  দুলাভাই? বল শুনছি। ট্রেনের প্রতিটি কামরায় লাইট আছে। শুধু আমাদেরটায় নেই। আমরা অন্ধকারে বসে আছি। তাই নাকি? হা। আপনি খোজ নিয়ে… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৭)

কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৬)

আপনি যদি কিছু মনে না করেন—আমি রাতে আপনার মা’র সঙ্গে থাকব না।  আশহাব বলল, মা’র সমস্যা একটাই কথা বলা। এ ছাড়া তার আর কোনাে সমস্যা নেই।  বুঝতে পারছি, আমার ভাল লাগছে না। আপনি আপনার মা’র কাছে যান। তিনি অপেক্ষা করছেন। আপনারা মাতা-পুত্র খাওয়া দাওয়া করুন। এর মধ্যে আমাকে ডাকবেন না প্লিজ। আমি বুফে কারে খাব।… Continue reading কিছুক্ষণ- হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১৬)