নবনী অনেকক্ষণ থেকে হাঁটছে। কতক্ষণ সে জানে না। তার হাতে ঘড়ি নেই। এরকম অজ পাড়াগাঁয়ে ঘড়ির দরকারও নেই। তবে গায়ে চাদর থাকলে ভাল হত। শীত লাগতে শুরু করেছে। কিছুক্ষন আগেও শীত ছিল না, এখন ঝপ করে শীত পড়ে গেছে। নবনী মনে মনে বলল, ‘বাহ। আশ্চর্য তাে!‘ মনে মনে বলার প্রয়ােজন ছিল না, চেঁচিয়েও বলা যেত… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৭)
খাঁচাগুলােতে আলাের ব্যবস্থা এখনও করে উঠতে পারিনি।’ আমরা গাইডকে বকশিশ দিয়ে ছাত থেকে সােজা সিঁড়ি দিয়ে একদম নীচে নেমে এলাম। | গেটের বাইরে এসে দেখলাম মহাবীর আরও দুজন ভদ্রলােককে নিয়ে সেই কালাে স্ট্যান্ডার্ড গাড়িটায় উঠছে। বনবিহারীবাবুর বাড়িতে পৌঁছতে প্রায় চারটে বাজল। বাইরে থেকে বােঝার কোনও উপায় নেই যে ভিতরে একটা চিড়িয়াখানা আছে, কারণ যা আছে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৭)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৬)
ধীরুকাকা আমাদের দেখে বললেন, “এসাে আলাপ করিয়ে দিই। ইনিই বনবিহারীবাবু-—যাঁর চিড়িয়াখানা আছে। আমি অবাক হয়ে নমস্কার করলাম। ইনিই সেই লােক ! প্রায় ছ ফুট লম্বা, ফরসা রং, সরু গোঁফ, ছুঁচলাে দাড়ি, চোখে সােনার চশমা। সব মিলিয়ে চেহারাটা বেশ চোখে পড়ার মতাে। আমার পিঠে একটা চাপড় মেরে ভদ্রলােক বললেন, ‘লক্ষ্মণের রাজধানী কেমন লাগছে খােকা ?… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৬)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৫)
ওই জানালাটা বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল। গেট থেকে জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরটা পরিষ্কার দেখা যায়। ইলেকট্রিক লাইট হলে তাও বা কথা ছিল, কিন্তু তোর কাকা আবার লাগিয়েছেন ফ্লুয়ােরেসেন্ট। “তাতে কী হয়েছে ? ‘তাের বাবাকে দেখতে পাচ্ছিস ? ‘শুধু মাথাটা। উনি যে চেয়ারে বসে আছেন।’ ‘ওই চেয়ারে দশ মিনিট আগে কে বসেছিল ? ‘ডক্টর শ্রীবাস্তব।… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৫)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৪)
শ্রীবাস্তব একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “দ্বিতীয়বার যখন হার্ট অ্যাটাক হল, আর আমি ওঁকে দেখতে গেলাম, তখন উনি একটা কিছু আমাকে বলতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু পারলে না। তবে একটা কথা আমি শুনতে পেয়েছিলাম । “কী কথা ? ‘দুবার বলেছিলেন—“এ স্পাই… “এ স্পাই…”। ধী»োকা সােফা ছেড়ে উঠে পড়লেন। না ডক্টরজি-পিয়ারিলাল যাই বলে থাকুক—আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৪)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৩)
দেখলাম আংটিটার উপরে ঠিক মাঝখানে একটা প্রায় চার আনির সাইজের ঝলমলে পাথর–নিশ্চয়ই হিরে-~~আর তাকে ঘিরে লাল নীল সবুজ সব আরও অনেকগুলাে ছােট ছােট পাথর। এত অদ্ভুত সুন্দর আংটি আমি কোনওদিন দেখিনি। ফেলুদার দিকে আড়চোখে চেয়ে দেখি সে একটা শুকনাে ইউক্যালিপটাসের পাতা নিয়ে কানের মধ্যে ঢুকিয়ে সেটাকে পাকাচ্ছে, যদিও তার চোখটা রয়েছে আংটির দিকে।বাবা বললেন,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৩)
বিমান কাহিনি – তারাপদ রায়
সার্থকনামা মানুষ বিমানচন্দ্র। তাঁর পদবি এই ক্ষুদ্র কাহিনিতে প্রয়োজনীয় নয়। শুধু বিমানচন্দ্র লিখলেই চলবে। বিমানচন্দ্রের বয়েস, মাত্র দু-এক বছর আগে, পঞ্চাশের কোঠায় এসে পৌঁছেছে। চর্বিহীন, সুন্দর সুগঠিত দেহ। তাকে যুবক না বললেও বৃদ্ধ, এমনকী প্রৌঢ় বলাও সঙ্গত হবে না। একটিও চুল পাকেনি, একটিও দাঁত নড়েনি। ঋজু, দীর্ঘ শরীর। বিমানচন্দ্র জন্মেছিলেন সেই চল্লিশের দশকের গোড়ায় কলকাতার… Continue reading বিমান কাহিনি – তারাপদ রায়
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১২)
ফেলুদা চোখটা ঢুলুঢুলু করে ঘাড়টা দুবার নাড়িয়ে চুপ করে গেল। বুঝলাম ও আর কথা বলবে না। এখন ও শহরের পথঘাট বাড়িঘর লােকজন এক্কা টাঙ্গা সৰ খুব মন দিয়ে লক্ষ করছে । ধীরুকাকা কুড়ি বছর আগে লখনৌতে প্রথম আসেন উকিল হয়ে। সেই থেকে এখানেই আছেন, এবং এখন নাকি ওঁর বেশ নামডাক। কাকিমা তিনবছর হল মারা গেছেন,… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১২)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১১)
বাদশাহী আংটি বাবা যখন বললেন, তাের ধীরুকাকা অনেকদিন থেকে বলছেন—তাই ভাবছি এবার পুজোর ছুটিটা লখনৌতেই কাটিয়ে আসি’—-তখন আমার মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস ছিল লখনৌটা বেশ বাজে জায়গা। অবিশ্যি বাবা বলেছিলেন ওখান থেকে আমরা হরিদ্বার লছমনবুলাও ঘুরে আসব, আর লছমনঝুলাতে পাহাড়ও আছে—কিন্তু সে আর কদিনের জন্য ? এর আগে প্রত্যেক ছুটিতে দাজিলিং না হয়… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১১)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১০)
রাজেনবাবু হেসে বললেন, ‘আর তা ছাড়া আমার চাকরটা খুব ভাল রান্না করে। আজ মুরগির মাংস রাঁধতে বলেছি। স্যানাটোরিয়ামে অমনটি খেতে পাবে না। রাজেনবাবু আমাদের ঘরটা দেখিয়ে দিয়ে নিজের ঘরে চলে গেলেন। ফেলুদা সৃটান খাটের উপর শুয়ে পড়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে কড়িকাঠের দিকে তাগ করে পর পর পাঁচটা ধোঁয়ার রিং ছাড়ল । তার পর আধবােজা চোখে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১০)