হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৮

‘কেন, আমার ঘরে থাকতে কি তােমার ভাল লাগছে না?  লাগছে। তবে আরাে ভাল লাগতাে যদি তুমিও থাকতে।’  নবনী অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে নিল। শাহেদ এত সহজ ভাবে এমন সব কথা বলে যে দারুণ অস্বস্তি লাগে। যদিও অস্বস্তি লাগার হয়ত কিছু নেই। এ ধরনের কথা বলার  অধিকার শাহেদের আছে।  নবনী! ‘কি?’  ‘গম্ভীর হয়ে আছ কেন? একটু… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৭

জামিল সাহেব বললেন, সুরুজ মিয়া আপনি অনেক ঝামেলা করেছেন। এখন বাসায় গিয়ে বিশ্রাম করুন। মেনি থ্যাকস।  মাছটা কাটায় তারপর যাব স্যার । এতবড় মাছ সবাই কাটতে পারে না। পেটি নষ্ট হয়ে যাবে। মাছ কাটার লােক এবং বটি নিয়ে এসেছি।‘  ভাল করেছেন।  জামিল সাহেব ইতস্তত করে বললেন, মাছ যে কাটবে সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন তাে? আমার স্ত্রী… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৬

তা তাে দিই।’ ‘তােমার আসতে অসুবিধা হয়নি।  হয়েছে। অনেক ঝামেলা করে আসতে হল। ‘এলে কেন ঝামেলা করে?’  শাহেদ হাসল । নবনী চোখ ফিরিয়ে নিতে গিয়েও নিতে পারল না। মনে মনে ভাবল, এত সুন্দর করে মানুষ হাসে কি ভাবে?  ‘আমি হঠাৎ উপস্থিত হওয়ায় খুশি হয়েছ তাে?’  নবনী জবাব দিল না। সে প্রচণ্ড খুশি হয়ে গেছে। তার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৫

এই ঘর থেকে চলে যা। মিলু একটু সরে গেল কিন্তু ঘর থেকে বের হল  না।  মিলু প্রায় কুড়ি বছর ধরে তাদের সঙ্গে আছে। দশ বছর বয়সে ভিক্ষা করতে এসেছিল। জাহানারা তার সুন্দর মুখ দেখে অবাক হয়ে বললেন, ভিক্ষা করছিস কেন বাসায় কাজ করবি? মিলু বলল, না। তিনি মেয়েটাকে একটা জামা দিলেন। পাঁচটা টাকা দিলেন। বলে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৪

‘জি আম্মা। সামান্য জিনিসে স্যার খুশি হবেন ভাবি নাই । স্যার খুশি হয়েছেন । আমার একেবারে চোখে পানি এসে গেছে।’সুরুজ মিয়ার চোখে আবার পানি এসে গেছে । সত্যি সত্যি পানি। একজন বয়স্ক লােক যার মাথার বেশির ভাগ চুল পাকা সে এত সহজে কেঁদে ফেলতে পারে? নবনী ভেবে পাচ্ছে না, এই লােকটা আসলেই কাঁদছে, না যে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৩

মবিন কথা বলছে না। একা একা কথা চালিয়ে যাওয়া যায় না। ই হা বলার জন্যে একজনকে দরকার । শনীর কথা বলতে ইচ্ছে করছে। এ রকম তা কখনাে হয় না । কথা বলতে ইচ্ছা করে না ।  মবিন সাহেব।  আমার ছােট বােনের নামটা আপনার কাছে কেমন লাগল তা তাে বললেন না।”  শ্রাবণ মাসে জলছে বলে শ্রাবণী… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২

নবনী দাড়িয়ে পড়েছে। তার মনে হচ্ছে সে একা একা আর ডাকবাংলোয় ফিরতে পারবে না। তার সব সাহস চলে গেছে। এখন হয়ত সে পথই খুঁজে পাবে না। বটের ঝুড়ির আড়াল থেকে কে যেন কাশল। একবার না, পরপর দু’বার ননী দারুণ চমকে বলল, কে? কে শুখানে গাছের বাঁধানাে গুঁড়িতে পা তুলে গুটিসুটি মেয়ে কে যেন বসে আছে।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১

নবনী অনেকক্ষণ থেকে হাঁটছে। কতক্ষণ সে জানে না। তার হাতে ঘড়ি নেই। এরকম অজ পাড়াগাঁয়ে ঘড়ির দরকারও নেই। তবে গায়ে চাদর থাকলে ভাল হত। শীত লাগতে শুরু করেছে। কিছুক্ষন আগেও শীত ছিল না, এখন ঝপ করে শীত পড়ে গেছে। নবনী মনে মনে বলল, ‘বাহ। আশ্চর্য তাে!‘ মনে মনে বলার প্রয়ােজন ছিল না, চেঁচিয়েও বলা যেত… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৭)

খাঁচাগুলােতে আলাের ব্যবস্থা এখনও করে উঠতে পারিনি।’ আমরা গাইডকে বকশিশ দিয়ে ছাত থেকে সােজা সিঁড়ি দিয়ে একদম নীচে নেমে এলাম। | গেটের বাইরে এসে দেখলাম মহাবীর আরও দুজন ভদ্রলােককে নিয়ে সেই কালাে স্ট্যান্ডার্ড গাড়িটায় উঠছে। বনবিহারীবাবুর বাড়িতে পৌঁছতে প্রায় চারটে বাজল। বাইরে থেকে বােঝার কোনও উপায় নেই যে ভিতরে একটা চিড়িয়াখানা আছে, কারণ যা আছে… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৭)

সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৬)

ধীরুকাকা আমাদের দেখে বললেন, “এসাে আলাপ করিয়ে দিই। ইনিই বনবিহারীবাবু-—যাঁর চিড়িয়াখানা আছে।  আমি অবাক হয়ে নমস্কার করলাম। ইনিই সেই লােক ! প্রায় ছ ফুট লম্বা, ফরসা রং, সরু গোঁফ, ছুঁচলাে দাড়ি, চোখে সােনার চশমা। সব মিলিয়ে চেহারাটা বেশ চোখে পড়ার মতাে।   আমার পিঠে একটা চাপড় মেরে ভদ্রলােক বললেন, ‘লক্ষ্মণের রাজধানী কেমন লাগছে খােকা ?… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৬)