হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৯

ছেলে মা’র জন্যে ছবি এঁকে পাঠিয়েছে— এটা জানলে রাগ নাও করতে পারে।  আমি ছবি টানিয়ে দিলাম। ফরিদা মুগ্ধ চোখে ছবির দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখ ছলছল করতে লাগল।  হিমু ভাইজান! বলাে। ইমরুল আমাকে দেখতে আসতে চায় না— এটা কি আপনি জানেন ?  জানি না।  ও আসতে চায় না। সে যে-কোনাে জায়গায় যেতে রাজি, হাসপাতালে আমাকে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৯

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৮

কারণ আমি চেয়েছিলাম মেয়ে হােক। ফরিদার সব কিছু আমাকে ঘিরে। এখন সে মারা যাবে বিনা চিকিৎসায়, আমি কিছুই করতে পারছি না— এটা হলাে  বিশ হাজার টাকা জোগাড় হয় নি। হাবিবুর রহমান ছােষ্ট্র নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, না। চেষ্টাও করি নি। কেন? বিশ হাজার টাকা যদি জোগাড় করি, বাকিটা পাব কোথায় ?   আমি বললাম, সেটা অবশ্য… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৭

আপনি কীভাবে বুঝবেন? এইসব সূক্ষ্ম বিষয় বুঝতে হলে সূক্ষ্ম বুদ্ধি লাগে। আপনার বুদ্ধি তাে পাঁঠা-শ্রেণীর।  হাবিবুর রহমান বললেন, এইসব জিনিস বােঝা যায় । আমি পরিস্কার বুঝতে পারছি, ফরিদা পনেরাে-বিশ দিনের বেশি নাই। ইমরুলকে নিয়ে কী করব আমি এই চিন্তায় অস্থির। আমার একার পক্ষে ইমরুলকে বড় করা সম্ভব না।   দত্তক দিয়ে দিন। ছেলেপুলে নেই এমন… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৬

ফরিদা আমাকে দেখে যে রকম খুশি হয় তার ছেলে ইমরুলও খুশি হয়। এই খুশির কোনােরকম ন্যাকামি সে দেখায় না। বরং ভাব করে যেন আমাকে। চিনতে পারছে না। শুধু যখন আমার চলে যাবার সময় হয় তখন মাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে। কান্নার ফাকে ফাকে বলে– হিমু যাবে না। হিমু থাকবে।   ইমরুল বারান্দায় বসে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৫

খালা আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, আজ বিকেলের মধ্যে ছেলের একটা। ছবি নিয়ে আয়, আমি ইন্টারনেটে পাঠিয়ে দেব। ছবি পছন্দ হলে আসমাকে বলব সে যেন এক সপ্তাহের মধ্যে চলে আসে।   আমি বললাম, এখন আমাকে বায়নার টাকা দাও। বায়নার টাকা মানে ? ইমরুলকে বায়না করলে বায়নার টাকা দেবে না ? কত দিতে হবে ? আপাতত বিশ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৪

ছেলে না মেয়ে ? হেলো । হেলো কেন?  খালা বললেন, আমার স্বামীর পছন্দ হলো । আমীয় পটাকেই আসমা গুরুত্ব দিচ্ছে। যদিও আসমার খুব শখ ছিল মেয়েবাকার। কারণ বিদেশে মেয়েদের অনেক সুন্দর সুন্দর ড্রেস পাওয়া যায়। ছেলেদের তাে একটাই পােশাক। শার্ট, গেঞ্জি, প্যান্ট।   গায়ের রঙ।  গায়ের রঙ শ্যামলা হতে হবে। আসমা এবং আমার স্বামী দুজনই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৩

থাকলে কী ? আশ্চর্য! তুই তাে দেখি মানসিক রােগী হয়ে যাচ্ছিস। রােগা চিমশা তেলাপােকা টাইপের একটা মানুষ। তাকে ভয় পাওয়ার কী আছে?   খালু সাহেব ডাইনিং রুমের চেয়ারে খবরের কাগজ হাতে নিয়ে বসে আছেন। আমাকে ঢুকতে দেখে মুখের উপর থেকে কাগজ সরিয়ে একবার শুধু দেখলেন, আবার কাগজ দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললেন। যে দৃষ্টিতে দেখলেন সেই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২

বলেছিলাম না?  জি বলেছিলেন। তাহলে এসেছ কেন? খালা খবর পাঠিয়ে এনেছেন। তাঁর কী একটা সমস্যা নাকি হয়েছে। তুমি সমস্যার সমাধান কীভাবে করবে ? আমি আমার জীবনে তােমাকে কোনাে সমস্যার সমাধান করতে দেখি নি। তুমি যে-কোনাে তুচ্ছ সমস্যাকে ঘোট পাকিয়ে দশটা ভয়াবহ সমস্যায় নিয়ে যাও। সমস্যা তখন মাথায় উঠে জীবন অতিষ্ঠ করে তুলে। তুমি এক্ষুণি বিদেয়… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সে আসে ধীরে খন্ড-২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সূর্যের দিন শেষ খন্ড

বড়চাচীর কান্নার শব্দ ক্রমেই বাড়তে লাগলাে। বাবা চুপ করে বসে রইলেন। তারপর প্রসঙ্গ বদলবার জন্যে বললেন—তোমার কি মনে হয় বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন ?    আমি জানি না। ও সে ততাে কেউ জানে না। কিন্তু তোমার কি মনে হয়?  আমার কিছু মনে-টনে হয় না।   এভাবে কথা বললে তাে হবে না খােকন। এখন থেকে আমাদের সবাইকে ভাবতে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সূর্যের দিন শেষ খন্ড

হুমায়ূন আহমেদের লেখা সূর্যের দিন খন্ড-১১

ও ভয়ের কিছু নেই নীলু। ও আমার ভয় করছে না।সাজ্জাদরা কোথায়? ও জানি না। রান্নাঘরে বোধ হয়। আমি কি বসব তােমার সঙ্গে? ও জানি না, ইচ্ছে হলে বসেন।   দাদুমণি বসলেন। নীচু স্বরে বললেন—আমরা গ্রামে চলে যাব। সুযোগ পেলেই চলে যাব। নীল কিছু বললো না। দাদুমণি বললেন কাফু ওদের এক সময় তুলতেই হবে। হবে না? … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা সূর্যের দিন খন্ড-১১