হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৯

নীলা ফুপুর চোখ লাল। মুখ ফোলা। তিনি গত দুদিন ধরে ঘরে আছেন। ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। রাতে মনে হয় ঘুমাচ্ছেনও না। কাল রাত তিনটার সময়ও দেখেছি তার ঘরে বাতি জ্বলছে। অসুখ-বিসুখ নিশ্চয়ই না। অসুখ হলে চাদর গায়ে বিছানায় শুয়ে থাকতেন। মাথা টিপে দেবার জন্যে কিংবা মাথায় পানি ঢালার জন্যে আমার ডাক পড়ত। এখনাে ডাক… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৯

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৮

কোন ফল পাখিরা আনন্দ করে খায় ?  মাকাল ফল। বড়ই সৌন্দর্য ফল, কিন্তু মানুষের জন্য বিষ। ছােটভাই, শুকনা আলাপ শুইন্যা লাভ নাই। লটকন খান। আপনার উছিলায় আমিও দুইটা খাব। আমার সাথে লবণ আছে। তিনটা লটকনের দানা মুখে দিবেন আর এক চিমটি লবণ । দেখেন স্বাদ কারে বলে । আমরা লটকন খাওয়া শুরু করলাম। আমাদের খাওয়া… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৭

তাের কাছে ভাঙুতি আছে?  আছে । ক্যানের সেভেন আপ আনবি। সঙ্গে স্ট্র আনবি। আমি রিকশা থেকে নেমে গলির ভেতর ঢুকে হাঁটা দিলাম। মা থাকুন গরমের মধ্যে রিকশায় বসে। আমাকে ফেলে চলে যেতে পারবে না। ছেলে সেভেন আপ আনতে গিয়ে কোথায় গেল। তার কোনাে বিপদ হলাে কি-না। সবচে’ ভালাে হয় যদি আজ রাত বাসায় না ফিরি।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৬

বাবা চল যাই হাসপাতালে। ভর্তি করানাে যায় কি-না দেখি।  ঠিক আছি। আমি ঠিক আছি। বমি করার পর শরীরটা ফর্মে চলে এসেছে। তুই বাসায় চলে যা। বাসায় গিয়ে সাবান ডলে গরম পানি দিয়ে একটা গোসল দিবি । নয়তাে দেখা যাবে তােকেও ধরেছে। ভাইরাস মারাত্মক জিনিস, একবার ধরলে জান ‘বিলা করে দেয়। যূথীর মনে হয় আমার আনা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৫

 সঞ্চিত টাকা পয়সা একত্র করিয়া তােমার মায়ের নামে দুইটি এফডিআর করাইয়া দিয়াছিলাম। একটি এফডিআর চলতি মাসের ১১ তারিখে ম্যাচিউরড হইয়াছে। তােমার মাতা এই এফডিআর হইতে দশ লক্ষ টাকা পাইবেন । এই অর্থের কিছু আমাকে দিলে আমার উপকার হইত। তােমার মাতাকে যে এই বিষয়ে অনুরােধ করিব সেই সুযােগও পাইতেছি না। আল্লাহ পাকের উপর ভরসা। দেখি উনি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৪

জি।  ফার্স্ট সেকেন্ড হওয়া ছেলেমেয়েদের সঙ্গে বাবা–মা’র ছবিও ছাপা হয়। এতে বাবা-মা’দের মনে আনন্দ হয়। তাদের আনন্দেরও তাে প্রয়ােজন আছে। আছে ? জি।  তােমার বাবার বিষয়ে উড়াউড়া কিছু খবর শুনি। সেটা সত্যি ? | জি সত্যি।  ভেরি স্যাড। পিতামাতা হলাে সন্তানের আদর্শ। সেই পিতামাতা যদি এরকম করে তাহলে সন্তান আর কী করবে? যাই হােক, মন খারাপ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৩

উনার হাত-পা-মুখ সব শক্ত। নিঃশ্বাসও বন্ধ । জীবন্ত মানুষ থেকে হঠাৎ তিনি মূর্তি হয়ে যাচ্ছেন। নায়ক তার পেছনে দাঁড়ানাে মাত্রই তিনি আড়চোখে তাকাবেন । তাকিয়ে শরীরে ছােট্ট ঝাঁকি দেবেন।শেষপর্যন্ত টেক ওকে হলাে। তবে পরিচালকের মন মতাে হলাে না। তিনি তাঁর অ্যাসিসটেন্টকে বললেন, এই গাধীকে আবার যদি কল দিয়ে আনাে, তােমাকে আমি কানে ধরে উঠবােস ক্লাব।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা লিলুয়া বাতাস খন্ড–১৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৮

‘ওর সঙ্গে অনেকদিন দেখা হয় না । পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম দেখা করে যাই।’ ‘রাত ক’টা বাজে জান?’ ‘জিও না’। ‘ওয়ান ফর্টি । রাত একটা চল্লিশে কেউ কারোর বাড়িতে অকারণে আসে আমার জানা ছিল না।’ ‘অকারণে আসিনি স্যার-অনেকদিন দেখা হয় না । ও ভাল আছে তো?’ ‘হ্যাঁ ভাল আছে । তোমার নাম কি যেন বললে?… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৭

‘দেখি এক সিঙ্গেল বেলের শরবত’।                                                  ‘ডবল খান । ডবল শইলের জন্যে ভাল।’                                       … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৬

তবে সমস্যা কি জানিস-আমি একটা কোন কথা বললেই তো মন্ত্রী শুনবে না। তিনি যেন মন দিয়ে আমার কথা শুনেন সেই ব্যবস্থা করতে হবে । আরেক কাপ চা খাবি?’ রফিক জবাব দিল না । মাথা নিচু করে বসে রইল । সে মনে হল আরো সুন্দর হয়েছে । বসে আছে কেমন হতাশ ভঙ্গিতে । বড় মায়া লাগছে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস দরজার ওপাশে খন্ড-৬