হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৩

ভিটামিন ই। এন্টি এজিং ভিটামিন। খুব কাজের। ভিটামিন ই ক্রীম পাওয়া যায়। ঐ ক্রীম মুখে মাখি। গুলশানে একটা হেলথ ক্লাবে ভর্তি হয়েছি। ফ্রী হ্যান্ড   একসারসাইজ করি। একসারসাইজের পর সােয়ানা নেই। সােয়ানার পর আধঘণ্টা সুইমিং করি। সােয়নাটা শরীরে ফ্যাট কমানাের জন্যে খুব উপকারী।  ‘সােয়ানাটা কি?  ‘ীম বাথ। দশ-পনেরাে মিনিট স্টীম বাথ নিলে শরীর পুরােপুরি রিলাক্সড… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-২

কাতর মায়ের সামনে দাঁড়ানাের ক্ষমতা হিমুদের দেয়া হয়নি।  আমি রাত নটার দিকে ফাতেমা খালার বাড়িতে উপস্থিত হলাম। বাড়ি ও মানুষ। ফাতেমা খালা নাকি এর মধ্যে কয়েকবার অজ্ঞান হয়েছেন। এখন এ সুস্থ। ডাক্তার রিলাক্সেন খেয়ে অন্ধকার ঘরে শুয়ে থাকতে বলেছে। তিনি তার শােবার ঘরে শুয়ে আছেন। সেই ঘরে কারাের যাবার হকুম নেই।   বকুম ছাড়াই আমি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-১

ফাতেম খালা একটা চিরকুট পাঠিয়েছেন। চিরকুটে লেখা—  এক্ষুনি চলে আয়, ম্যানেজারকে পাঠালাম। খবর্দার দেরি করবি না। খুবই জরুরী। very urgent. ফাতেম খালা।  ম্যানেজার লােক গম্ভীর মুখে বসে আছেন। তার গায়ে স্যুট। পায়ে কালাে রঙের জুতা। মনে হয় আসার আগে পালিশ করিয়ে এনেছেন। জুতা জোড়া আয়নার মত চকচক করছে। গলায় সবুজ রঙের টাই। বেশির ভাগ মানুষকেই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৮

আসাদুল্লাহ সাহেব দুবার বেল টিপলেন। আবারও হাসলেন। তার হাসি আগের মতই সুন্দর। প্রকৃতি তাকে বিছানায় ফেলে দিয়েছে কিন্তু সৌন্দর্য হরণ করেনি। সেদিন বরং হাসিটা আরাে বেশি সুন্দর লাগল। “হিমু সাহেব।  যাবে ?  ‘সেই চেষ্টা কেউ করেনি। | আসাদুল্লাহ সাহেব হঠাৎ খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন, ভুরু কুঁচকে ফেললেন। আমি বললাম, এত চিন্তিত হয়ে কি ভাবছেন?  ‘ভাবছি,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৭

আমাকে দেখেও একবারও জিজ্ঞেস করল না – ব্যাপার কি? সহজ ভঙ্গিতে সে আমাকে নিয়ে গেল তার বাবার কাছে। বিশাল একটা ঘরে ভদ্রলােক খালি গায়ে বিছানায় বসে আছেন। অনেকটা পদ্মাসনের ভঙ্গিতে বসা। তার চোখ একটা খােলা বইয়ের দিকে। দেখেই বােঝা যায় ভদ্রলােক গভীর মনযােগে বই পড়ছেন। আমরা দুজন যে ঢুকলাম তিনি বুঝতেও পারলেন না। মারিয়া বলল,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৬

শাড়ির মত আকাশী নীল।  | ঘুম ভেঙে দেখি চোখের সামনে হুলস্থুল ধরনের বাড়ি। প্রথম দর্শনে মনে হল বাড়িতে আগুন ধরে গেছে। বুকে একটা ছােটখাট ধাক্কার মত লাগল। পুরাে বাড়ি বােগেনভিলিয়ার গাঢ় লাল রঙে ঢাকা। হঠাৎ ঘুম ভাঙায় ফুলের রঙকে আগুন বলে মনে হচ্ছিল। মারিয়া বলল, বাড়ির নাম মনে করে রাখুন – চিত্রলেখা। চিত্রলেখা হচ্ছে আকাশের… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৫

বই–প্রেমিক। হাতে বইটা পাবার পর আশপাশের সবকিছু ভুলে গেছেন। আমাকে সাধারণ ভদ্রতার ধন্যবাদও দেননি। আমি নিশ্চিত, আবার যখন দেখা হবে তখন দেবেন। পরের বছর চৈত্র মাসের কথা (আমার জীবনের বড় বড় ঘটনা চৈত্র মাসে ঘটে।  বই বগলে নিয়ে ভদ্রলােক এগুচ্ছেন। আমি তার পেছনে পেছনে যাচ্ছি। তার চোখ ভালমত না দেখে বিদেয় হওয়া যায় না। ভদ্রলােক… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৪

কুকর। আমাকে এতটা মমতা দেখানাে কি ঠিক হচ্ছে? আমাদের পশু জগতের নিয়ম খুব কঠিন। ভালবাসা ফেরত দিতে হয়। মানুষ হয়ে তােমরা বেঁচে গেছ। তােমাদের ভালবাসা ফেরত দিতে হয় না। আসগর সাহেবের সঙ্গে দেখা হল, কথা হল না। তাকে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে। চলে আসছি, দরজার কাছের বেড থেকে একজন ক্ষীণ স্বরে ডাকল ভাই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৩

ফুপা তিক্ত গলায় বললেন, দুই নেত্রীর বােঝার হলে আগেই বুঝত। এই পর্যন্ত তাে মানুষ কম মরেনি। তুই তাে প্রথম না ।।  আমি বললাম, এইখানে আপনি একটা ভুল করছেন ফুপ। বাদল প্রথম তাে।  বটেই। এম্নিতেই মানুষ মরছে পুলিশের গুলিতে, বােমাবাজিতে কিন্তু আত্মাহুতি তাে এখনাে হয়নি। বাদলই হল প্রথম। পত্রিকায় ঠিকমত জানিয়ে দিলে এরা ফটোগ্রাফার নিয়ে থাকবে।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১২

সম্ভাবনা আছে। সেও আমাকে পছন্দ করে। তাকে একদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম, মানুষ মারতে কেমন লাগে কস?  | সে খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাই তুলতে তুলতে বলল, ভাল–মন্দ কোন রকম লাগে না।  ‘বটি দিয়ে লাউ কাটতে যেমন লাগে তেমন ‘চ’ একটা শব্দ? “ঠিক সেই রকম না, ভাইজান। মরণের সময় মানুষ চিল্লাফাল্লা কইরা বড়  ত্যক্ত করে। লাউ তাে আর… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১২