হোটেলটা নতুন। এদিক দিয়ে যাওয়া-আসার পথে বাইরে থেকে কয়েকবার দেখেছে মনোজ, এর আগে ভেতরে কখনও ঢোকেনি। প্রয়োজন হয়নি। ট্যাক্সি থেকে নামবার পর মনোজ কার্ডটা আর-একবার দেখে নিল। পার্টিটা হচ্ছে পার্ল রুমে। কাচের দরজা টেনে ভেতরে ঢুকে মনোজ দাঁড়িয়ে রইল একটুক্ষণ। মস্তবড় একটা হল, তার। এদিক-সেদিকে সোফায় বসে নানা ধরনের মানুষ, কিছু সাহেব-মেমও রয়েছে। হোটেলটা নতুন,… Continue reading ভুল মানুষের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
Category: শিল্প-ও-সাহিত্য
পাপ-শাওন মল্লিক
#পাপ # শাওন_মল্লিক ও খেলা ভালোবাসা- ও খেলা সর্বনাশা! জেনে শুনে করেছি পাপ সে পাপে দহন আছে, জ্বলে পুড়ে মরছি আজো মরে গিয়ে বাঁচার মাঝে। Read More হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা বাদশাহ নামদার পর্ব – ১
লোভ – হুমায়ূন আহমেদ
ভদ্রলোক চেইন স্মোকার। চেইন স্মোকারের যে অভ্যাস, একটা সিগারেট পুরোপুরি শেষ না করেই অন্য একটা ধরাচ্ছেন। ভদ্রলোককে ঠিক স্বাভাবিক বলে মনে হল না। কেমন অস্থির ভাবভঙ্গি। কিছুক্ষণ পর পর জিব দিয়ে ঠোট ভেজাচ্ছেন। মাথা চুলকাচ্ছেন। আমার দিকে তাকিয়ে তিনি চাপা গলায় বললেন, আমার একটাই মেয়ে। তার নাম আনান। আপনি কি আনান শব্দটার মানে জানেন? জ্বি-না।… Continue reading লোভ – হুমায়ূন আহমেদ
আমার বন্ধুরা – হুমায়ূন আহমেদ
বইমেলার সময় শেষ। এ সাতটাতেই সময় শেষ হয়, এখন বাজছে নটা। কোথাও কেউ নেই নামের স্টলে বসে আছি। হলুদ পর্দা ফেলে দেয়া হয়েছে। চা এসেছে, ঝালমুড়ি এসেছে। চা, ঝালমুড়ি, সিগারেট সমানে খাওয়া হচ্ছে। দিনের ক্লান্তির শেষে জমিয়ে আড্ডা দেয়া। অতি সামান্য রসিকতাতেই আমরা হো হো করে হাসছি। মনে হচ্ছে এই জীবনটা তো খুব খারাপ না।… Continue reading আমার বন্ধুরা – হুমায়ূন আহমেদ
বিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
আচ্ছা মশাই, আত্মবিশ্বাস জিনিসটা আসলে কীরকম বস্তু তা বলতে পারেন?…….বলা কঠিন। তবে যতদূর মনে হয় লোহার রডের মতো একটা শক্ত জিনিস মেরুদণ্ডের ভিতর দিয়ে ঠেলে মাথা অবধি ওঠে। তাতে হয় কি, ঘাড়–গর্দান সব সোজা থাকে, মাথাটাও সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে না। আমাদের পটলবাবুকে তো দেখেছি, সবসময়ে যেন খাড়া হয়ে আছেন। তাই হবে। ওই রডটা আমার… Continue reading বিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
একটা চোর ধরা পড়ল – হুমায়ূন আহমেদ
দুপুর বেলা আমাদের ছাদে একটা চোর ধরা পড়ল।…….আমি খবরের কাগজ নিয়ে রোদে বসেছিলাম। ছুটির দিনে আরাম করে কাগজ পড়ব–হৈ চৈ শুনে ছাদে গেলাম।…..সেখানে শিশুদের একটা জটলা। জটলার মাঝখানে সুখীসুখী চেহারার একজন লোক। গোল গোল মুখ। সুন্দর করে চুল আচড়ানো। পরনে লুঙ্গী, সাদা। পাঞ্জাবী। আমাদের কাজের ছেলেটি শক্ত করে লোকটির হাত ধরে আছে এবং কিছুক্ষণ পর… Continue reading একটা চোর ধরা পড়ল – হুমায়ূন আহমেদ
তারপর.. – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
এক যে রাজা; তার ভারি গল্প শোনার শখ। কিন্তু তা থাকলে কি হয়, রাজামশাইকে কেউ গল্প শুনিয়ে খুশি করতে পারে না।…….রাজামশাই বললেন, ‘যে আমাকে গল্প শুনিয়ে খুশি করতে পারবে, তাকে আমার অর্ধেক রাজ্য দিব, না পারলে কান কেটে নিব’। তা শুনে দেশ বিদেশের কত ভারি ভারি নামজাদা গল্পওয়ালা কোমর বেঁধে গোঁফে তা দিয়ে গল্পের ঝুড়ি… Continue reading তারপর.. – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
হাওয়া বন্দুক – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
দিন যায়। থাকে কথা।…….মণিকার দিন যায়। কিন্তু কীভাবে যায় কেউ কি তা জানে? তার সুখের ধারণাও খুব বড় নয় দুঃখের ধারণাও নয় বড়। ছোট সুখ, ছোেট দুঃখে দিন তার কেটে যেত। বুকের মধ্যে প্রজাপতির মতো উড়ন্ত একটুখানি সুখ, বা ছোট্ট কাঁটার মতো একটু দুঃখ—এ তো থাকবেই। নইলে বেঁচে যে আছে তা বুঝবে কেমন করে মণিকা!… Continue reading হাওয়া বন্দুক – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
পেঁপেসেদ্ধ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
যারা টিফিনে পেঁপেসেদ্ধ খায় আমি তাদের খুবই শ্রদ্ধা করি।…………কেন মশাই, যারা পেঁপেসেদ্ধ খায় তাদের শ্রদ্ধা করার কী আছে?……….যারা এভারেস্টে ওঠে, বানজি জাম্প দেয় বা ট্রাপিজের খেলা দেখায় তাদের প্রতি কি আমাদের শ্রদ্ধা হয় না? আমি যা পারি না তা আর একজন যখন অনায়াসে পারে তখন শ্রদ্ধাকে। ঠেকানো মুশকিল। আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি পেঁপেসেদ্ধ… Continue reading পেঁপেসেদ্ধ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
কালো ছড়ি – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
মুরারিবাবু প্রতিদিনের মতো মর্নিংওয়াকে বেরিয়েছিলেন। ডাক্তারের পরামর্শ, এ বয়সে রোজ ভোরবেলা অন্তত একঘণ্টা হাঁটাচলা করলে হার্টের অবস্থা ভালো থাকে। আঁকাবাঁকা গলিতে হাঁটতে হাঁটতে বড় রাস্তায়। তারপর কিছুদূর হাঁটলেই একটা পার্ক। বার দুই-তিন পার্কটা চক্কর দিয়ে মুরারিবাবু একটা বেঞ্চে কিছুক্ষণ বসে জিরিয়ে নেন। তারপর ধীরেসুস্থে বাড়ি ফেরেন। একদিন পার্কে চক্কর দিয়ে তিনি জিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটা… Continue reading কালো ছড়ি – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ