এ জাতীয় বই পড়া আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। ‘তুমি আমাকে চেন? মেয়েটি হেসে ফেলে বলল, আপনাকে কেন চিনব না? আমি কি এই পৃথিবীর মেয়ে না ? কি নাম তােমার ? ‘আমার নাম নুহাশ। ‘পড়াশােনা কর?” ‘না। বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির ক্যাটালগার। ‘পটে প্রচুর কফি আছে। তুমি ইচ্ছা করেলে কফি খেতে পার। ‘ধন্যবাদ স্যার। নুহাশ সাবধানে কফি ঢালল।… Continue reading ফিহা সমীকরণ-হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-২)
ফিহা সমীকরণ-হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১)
শহীদুল্লাহ হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘরের দরজা এবং জানালার রঙ গাঢ় বেগুনী। বেগুনী রঙ তাকে কখনাে আকর্ষণ করে না। তার ধারণা শুধু তাকে না এই রঙ কাউকেই আকর্ষণ করে না। নয়ম করা হয়েছে সব রেস্টুরেন্টের রঙ হবে বেগুনী। দরজা জানালা বেগুনী, পর্দা বেগুনী, এমন কি মেঝেতে যে কৃত্রিম মার্বেল। বসানাে থাকবে তার রঙও হবে বেগুনী। রঙের… Continue reading ফিহা সমীকরণ-হুমায়ূন আহমেদ -(পর্ব-১)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৯)
ফেলুদা একটা হাই তুলে বলল, “হাইনা। বাপরে!—একেই বলে হাইনার হাসি ! শ্রীবাস্তব বললেন তাঁর নাকি প্রথম প্রথম এই হাসি শুনে গা ছম ছম করত, এখন অভ্যেস হয়ে গেছে। ‘আপনার বাড়িতে কাল আর কোনও উপদ্রব হয়নি তাে ? ধীরুকাকা প্রশ্ন করলেন। শ্রীবাস্তব হেসে বললেন, ‘নাে, নাে। নাথিং।‘ আমরা যখন বাড়িতে ফিরলাম তখন প্রায় সন্ধে হয়ে গেছে।… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৯)
সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৮)
বনবিহারীবাবু তাঁর পাইপে তামাক ভরতে ভরতে বললেন, “কেন লাগবে না বলুন ? ভয়টা কীসের? এককালে কত বাঘ ভালুক মেরেছি জানেন ? ওয়াইল্ড অ্যানিম্যাল ছাড়া মারতুম অব্যর্থ টিপ ছিল। একবার কী যে ভীমরতি ধরল। চাঁদার জঙ্গলে এক মার্কিনি সাহেবকে বড়াই করে টিপ দেখাতে গিয়ে দেড়শাে গজ দূর থেকে এক হরিণ মেরে ফেললুম। আর তারপর সে কী… Continue reading সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা সমগ্র ১ম খণ্ড (পর্ব-১৮)
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”শেষ-খন্ড
বাচ্চা নষ্ট হল। তার বাবার বুদ্ধি তো খুব বেশি। কাজেই বুদ্ধি করে লাইগেশনও করিয়ে আনল। এতে খুব সুবিধা – ছেলেপুলে হবার ভয় নেই। যন্ত্রণা নেই। বুঝতে পারছিল কিছু? কাল রাতের কথা শুনবি? কাছে আয়, কানে কানে বলি। মিলু আমার মাথা টিপে দিচ্ছিল। তাের বাবা তাকে আমার ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গেল। কোন রকম লজ্জা নেই,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”শেষ-খন্ড
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৬
সুরুজ মিয়া বললেন- ফিরতে খুব সমস্যা হবে আম্মা। বেজায় সমস্যা , ফিরতে হবে উজানে। শাহেদ বলল তখন দেখা যাবে । ফেরার সময় আসুক, তারা নেমে পরল। শ্রাবণী বলল আমরা কোন একটা গাছের নিচে বসি। আপনার ,চলুন শাহেদ ভাই , দায়িত্ব হচ্ছে সুন্দর একটা গাছ খুজে বের করা। আপনি ক্যামেরা এনেছেন না। এনেছি। তাহলে চুপচাপ বসে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৫
আমি সাহেব সিগারেট ধরাতে ধরাতে বললেন, ছুটি কাটানাের ব্যাপারে আমরা এনে অত্যন্ত হয়ে উঠিনি। দুটি ব্যাপারটা বাঙালি কালচারে নেই। আমাদের ছুটি মানে যার বাড়িতে গিয়ে কিছুদিন থেকে আসা। তার ফল এই হয়েছে যে সত্যিকার অর্থে দুটি টানাে বিটা আমরা জানি না। বাইরে বেড়াতে এলে হাজারাে সমস্যায় হাবু-ডুবু খাই। এন রাতে ঘুমায় না। একজনের বিষন্নতা রােগ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৪
না।’ যা সত্যি তা স্বীকার করে নেয়াই কি ভাল না? আমি জানি এখন তােমার কষ্ট হচ্ছে। এটা কিন্তু অনেক ভাল। কষ্টটা বিয়ের পর হবার চেয়ে আগে হওয়াই ভাল। ‘তুই চুপ ক’। তারা নিঃশব্দে ডাকবাংলােয় ফিরে এল । ডাকবাংলাের গেটের কাছে শাহেদ দাঁড়িয়ে আছে। তার মাথায় ক্রিকেট খেলােয়াড়দের মত সাদা টুপি। তাকে সুন্দর দেখাচ্ছে । শাহেদ… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৪
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৩
তিনি কাউকে অগ্রাহ্য করেন না। সবার সমস্যাই শুনেন। শুধু নিজের মেয়েদের কোন কথা শােনার সময় পান না। ছুটির সাতদিন পুরােপুরি মেয়েদের সঙ্গে কাটাবেন ভেবেছিলেন—তাও হচ্ছে না। নবনী মা, বােস তাে আমার পাশে। নবনী বসল। জামিল সাহেব বললেন, মা’র মুখটা এমন মলিন কেন? কি হয়েছে আমার মার? ‘আমার কিছু হয়নি, বাবা। সম্ভবত মার কিছু হয়েছে। রাতে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২৩
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২২
তাহলে দয়া করে চা বানিয়ে নিয়ে এস। আমি কুয়ােতলায় যাচ্ছি। কুয়ােতলা বেশ একটা ইন্টারেস্টিং জায়গা। শ্রাবণীর কথা প্রথম বিশ্বাস করিনি। এখন দেখি কুয়ােতলায় বসে চা খেতে অন্যরকম লাগে।’ ‘তুমি যাও কুয়ােতলায়, আমি চা নিয়ে আসছি।’ নবনী রান্নাঘরে ঢুকে দেখে জাহানারা ইতিমধ্যেই চুলায় কেতলি বসিয়ে ময়দা মাখছেন। লুচি তৈরি হবে। জাহানারা বললেন, তােকে এমন দেখাচ্ছে কেন… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২২