‘এমনিতে বুঝি আমার সঙ্গে গল্প করার সুযােগ পাস না?’ উহু, পাই না। রাতে পাশাপাশি শুয়ে গল্প করার অন্যরকম আনন্দ। আচ্ছা আপা, আজ না-কি তুমি ঐ মাস্টার সাহেবের খোজে গিয়েছিলে?’ ‘কে বলল?’ ‘আমি অনুমান করছি। চেয়ারম্যান চাচা বললেন, তুমি বটগাছের কাছে গিয়েছিলে। সেখান থেকে ধারণা করলাম, তুমি নিশ্চয়ই ইংরেজির অধ্যাপকের সন্ধানে গিয়েছ। আমি গাছটাই দেখতে গিয়েছিলাম-কারাে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২১
করোনাকালে শিশুকে সুরক্ষিত রাখার উপায়
করোনার আতঙ্ক এখন নিত্যসঙ্গী । বিশ্বের শান্তি ও স্বস্তি কেড়ে নিয়েছে কোভিড -১৯ । আমরা নিজেদের বিষয়ে সচেতন, কিন্ত্ত প্রশ্নটা যদি হয় শিশুদের নিয়ে, তাহলে বাবা-মায়ের চিন্তার শেষ থাকেনা । কেননা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে খুবই কম । আবার মনের মতো না হলে অনেক কিছুই খেতে চায় না বাচ্চারা । তাই শিশুদের… Continue reading করোনাকালে শিশুকে সুরক্ষিত রাখার উপায়
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২০
জামিল সাহেব বললেন, ভাল ভাঙ্গারে তো তাৰ মে এ গেমে আছে। বিদেশে আয়। সেখানে না চাইলে কিভাবে কি সবার কাছে এমন অসুখ-বিসুখের যন্ত্রণায় পড়ি তাহলে ভাল লাগে ন্ন । তাে এই পৃথি আরে লক আছে! নবণী বলল, বাবা, তুমি বেশি রেগে যায়। আমি খুব ম নেগেছি, মা খুবই কম। আমি সই েম + তে ।… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-২০
সাধনবাবুর সন্দেহ – সত্যজিৎ রায়
সাধনবাবু একদিন সন্ধ্যাবেলা কাজ থেকে ফিরে তাঁর ঘরে ঢুকে দেখলেন মেঝেতে একটা বিঘতখানেক লম্বা সরু গাছের ডাল পড়ে আছে। সাধনবাবু পিটপিটে স্বভাবের মানুষ। ঘরে যা সামান্য আসবাব আছে–খাট, আলমারি, আলনা, জলের কুঁজো রাখার টুল–তার কোনওটাতে এক কণা ধুলো তিনি বরদাস্ত করতে পারেন না। বিছানার চাদর, বালিশের ওয়াড়, ফুলকারি করা টেবিল ক্লথ–সবই তকতকে হওয়া চাই। এতে… Continue reading সাধনবাবুর সন্দেহ – সত্যজিৎ রায়
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৯
তারা পাশাপাশি বসল। নবনী হালকা গলায় বলল, তুমি হঠাৎ চলে আসায় আমি যে কি পরিমাণ খুশি হয়েছি তা কোন দিন তােমাকে বুঝিয়ে বলতে পারব না। আমার ছুটিটাই অন্য রকম হয়ে গেছে। তােমার ভাবভঙ্গি দেখে আমি অবশ্যি কিছু বুঝতে পারিনি। শ্রাবণী বরং অনেক হৈ চৈ করেছে।’ আমি শ্রাবণীর মত না। আনন্দিত হলেও চুপ করে থাকি। কষ্ট… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৯
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৮
জামিল সাহেব ঘরে ঢুকলেন। মেয়ের বিছানায় পা তুলে বসলেন। তার হাতে জ্বলন্ত সিগারেট। তিনি বললেন, তাের ঘরে সিগারেট খাবার অনুমতি আছে তাে? ‘অনুমতি নেই, তবে তুমি খেতে পার।’ ‘জানালাটা ভাল করে খুলে দে, ধোঁয়া চলে যাবে।’ শ্রাবণী জানালা খুলে দিল। জামিল সাহেব বললেন, তাের সুন্দর বনের বাঘের খবর চলে এসেছে। লাস্ট সেনসাস রিপাের্ট। বাঘ-বাঘিনীর… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৮
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৭
নবনী এসে বসল বাবার পাশের চেয়ারে। শ্রাবণীও এল বেড়াতে খোড়াতে। শাহেদও আছে। সে একটু দূরে বসেছে। মনে হয় তেমন উৎসাহ বােধ করছে না। দুটি পাজেরাে জিপে অতিথি যারা এসেছিলেন তাঁদের একদল চলে গেছেন। অন্য একটা দল এখনাে আছেন । মনে হয় তারা থেকে যাবেন। শ্রাবণী বলল, ব্যাপার কি? সুরুজ মিয়া বলেন, ব্যাপার নিজের কানে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৭
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৬
পেছনের দরজা দিয়ে ঢোকার সময় প্রথমই শ্রাবণীর ঘর পড়ে। ঘরে বাতি জ্বলছে। দরজা খােলা। শ্রাবণী মােরায় বসে আছে। টিনের গামলা ভর্তি গরম পানিতে তার বাঁ পা ডুবানাে। শ্রাবণীর হাতে বই, তবে গল্পের বই না। পাঠ্যবই। ফিজিক্সের বই। নবনী বলল, তাের কি হয়েছে? ‘পা মচকে ফেলেছি। শাহেদ ভাইয়ের একটা রং সার্ভিস রিটার্ন করতে গিয়ে – পা… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৬
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৫
বটগাছের সামনে এসে নবনী থমকে দাঁড়াল। আজও প্রথম দিনের মত বলতে ইচ্ছা করল, হ্যালাে মি. বটগাছ, কেমন আছেন? বলা হল না। সঙ্গে সুরুজ মিয়া আছেন। তাঁর সামনে চুপ করে থাকাই ভাল। এই বটগাছটার বয়স কত হবে? বলা মুশকিল, আম্মা। তবে খুব পুরনাে গাছ। ‘গাছের গুঁড়ি বাঁধানাে। কারা বাঁধিয়েছে জানেন?’ জি না আম্মা, জানি না,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৫
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৪
শ্রাবণী বলল, দেখতে তােমার মােটেই ভাল লাগছে না। তুমি খুব বিরক্ত হয়ে তাকিয়ে আছ। ‘মােটেই বিরক্ত হয়ে তাকিয়ে আছি না। তুই যে হেরে ভূত হচ্ছিস, দেখে ভাল লাগছে।’ আপা, আমি হেরে ভূত হচ্ছি না। শাহেদ ভাই কেমন খেলে আমি বােঝার চেষ্টা করছি। যখন বােঝা হয়ে যাবে তখন বাজির খেলা খেলব। সিরিয়াস বাজি ধরে খেলা হবে।’ … Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা ”তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে ”খন্ড-১৪