হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৮

ভেতরে ঢুকে। মাংস ম হয়। মাংসের প্রত্যেকটা আশ আলাদা আলাদা হয়ে যায়। আমার কথা শুনে আজ খেয়ে দেখ। একবার খেলে আর টাটকা পােলাও খেতে পারবি না। শুধু বাসি পােলাও খাবি। খাওয়ার মত স্থূল ব্যাপারও যে এত দৃষ্টিনন্দন হতে পারে ভাবিনি। আরিফ খাচ্ছে, আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছি। মনে হচ্ছে পোলাওয়ের প্রতিটি দানার স্বাদ সে আলাদা করে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৭

পাওয়া যাবে সাধু সন্ত—মহাপুরুষ পর্যায়ের, কয়েকজন নিশ্চয়ই ভয়ংকর অপরাধী  খুনটুন করে ফেলেছে। কিছু থাকবে রেপিষ্ট , ন দশ বছরের বালিকা রেপ করে লুকিয়ে আছে।  ঢাকা শহরের সব ক’টা ইয়াকুবকে একত্র করে একটা গ্রুপ ছবি তুলতে পারলে ভাল হত। এদের নিয়ে গবেষণাধর্মী একটা বইও লেখা যেত –  A comprehensive study in the lives of Yakub’s of… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৭

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৬

ছেলেটাকে একটা লেগাে সেট উপহার দেব। জামানের বােন ভাল আছে তাে?  ‘তামান্নার কথা বলছিস?   ‘আশ্চর্য, এখনো তাের মাথায় তামান্না আছে? আমি তাে ভেবেছি সব ভুলে বসে আছিস। তাের যা নেচার। তােকে তাে আমি আজ থেকে চিনি না। যাই হােক, তুই তামান্নার ব্যাপারে ভাবিস না। আমি সব ব্যবস্থা করব। আমি তামান্নাকে কিছু হিস দিয়েছি। সরাসরি তাের… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৬

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৫

হিমু-৩  ইয়াকুবের সন্ধানে যাত্রা শুরু হল। কোন একটা উদ্দেশ্য নিয়ে ঘর থেকে বের হবার আলাদা আনন্দ। নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় । ছক্কর দোকানে চা খেয়ে ফুটপাতে পা রাখা মাত্র নিজেকে কলম্বাসের মত মনে হল। একজন মানুষ, একটা মহাদেশের মত। মানুষকে আবিষ্কার এবং মহাদেশ আবিষ্কার একই ব্যাপার ।   ফুটপাতে বিশাল এক পাথর।  পাথরে ধাক্কা খেয়ে… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৫

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৪

‘তুই পাশ করবি। তাের কাজই তাে পথে পথে ঘােরা। আর ইয়াকুব লােকটা খুব সম্ভব পথে পথেই থাকে।  ‘যদি পাই কি করব? কানে ধরে তােমার কাছে নিয়ে আসব?   ‘আমার কাছে আনতে হবে না। খবর্দার আমার কাছে আনবি না। তুই ত’র সঙ্গে গল্পগুজব করবি।  ‘ইয়াকুব সাহেবকে খুঁজে বের করে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্পগুজব করব, এই আমার… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৪

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৩

ভিটামিন ই। এন্টি এজিং ভিটামিন। খুব কাজের। ভিটামিন ই ক্রীম পাওয়া যায়। ঐ ক্রীম মুখে মাখি। গুলশানে একটা হেলথ ক্লাবে ভর্তি হয়েছি। ফ্রী হ্যান্ড   একসারসাইজ করি। একসারসাইজের পর সােয়ানা নেই। সােয়ানার পর আধঘণ্টা সুইমিং করি। সােয়নাটা শরীরে ফ্যাট কমানাের জন্যে খুব উপকারী।  ‘সােয়ানাটা কি?  ‘ীম বাথ। দশ-পনেরাে মিনিট স্টীম বাথ নিলে শরীর পুরােপুরি রিলাক্সড… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-৩

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-২

কাতর মায়ের সামনে দাঁড়ানাের ক্ষমতা হিমুদের দেয়া হয়নি।  আমি রাত নটার দিকে ফাতেমা খালার বাড়িতে উপস্থিত হলাম। বাড়ি ও মানুষ। ফাতেমা খালা নাকি এর মধ্যে কয়েকবার অজ্ঞান হয়েছেন। এখন এ সুস্থ। ডাক্তার রিলাক্সেন খেয়ে অন্ধকার ঘরে শুয়ে থাকতে বলেছে। তিনি তার শােবার ঘরে শুয়ে আছেন। সেই ঘরে কারাের যাবার হকুম নেই।   বকুম ছাড়াই আমি… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-২

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-১

ফাতেম খালা একটা চিরকুট পাঠিয়েছেন। চিরকুটে লেখা—  এক্ষুনি চলে আয়, ম্যানেজারকে পাঠালাম। খবর্দার দেরি করবি না। খুবই জরুরী। very urgent. ফাতেম খালা।  ম্যানেজার লােক গম্ভীর মুখে বসে আছেন। তার গায়ে স্যুট। পায়ে কালাে রঙের জুতা। মনে হয় আসার আগে পালিশ করিয়ে এনেছেন। জুতা জোড়া আয়নার মত চকচক করছে। গলায় সবুজ রঙের টাই। বেশির ভাগ মানুষকেই… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর রূপালী রাত্রি খন্ড-১

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৮

আসাদুল্লাহ সাহেব দুবার বেল টিপলেন। আবারও হাসলেন। তার হাসি আগের মতই সুন্দর। প্রকৃতি তাকে বিছানায় ফেলে দিয়েছে কিন্তু সৌন্দর্য হরণ করেনি। সেদিন বরং হাসিটা আরাে বেশি সুন্দর লাগল। “হিমু সাহেব।  যাবে ?  ‘সেই চেষ্টা কেউ করেনি। | আসাদুল্লাহ সাহেব হঠাৎ খুব চিন্তিত হয়ে পড়লেন, ভুরু কুঁচকে ফেললেন। আমি বললাম, এত চিন্তিত হয়ে কি ভাবছেন?  ‘ভাবছি,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৮

হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৭

আমাকে দেখেও একবারও জিজ্ঞেস করল না – ব্যাপার কি? সহজ ভঙ্গিতে সে আমাকে নিয়ে গেল তার বাবার কাছে। বিশাল একটা ঘরে ভদ্রলােক খালি গায়ে বিছানায় বসে আছেন। অনেকটা পদ্মাসনের ভঙ্গিতে বসা। তার চোখ একটা খােলা বইয়ের দিকে। দেখেই বােঝা যায় ভদ্রলােক গভীর মনযােগে বই পড়ছেন। আমরা দুজন যে ঢুকলাম তিনি বুঝতেও পারলেন না। মারিয়া বলল,… Continue reading হুমায়ূন আহমেদের লেখা হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম খন্ড-১৭