অনীশ-পর্ব-(৬)-হুমায়ূন আহমেদ

অনীশ

তাহলে চল অন্য কোথাও যাই। ‘ঢাকার বাইরে যেতে আমার ইচ্ছা করে না। 

ঢাকার ভেতরেই কোথাও যাই চল।’ 

কোথায় যেতে চাস? মামাদের বাড়ি! 

না।” 

‘বাবার দেশের বাড়িতে যাবে মা? বড়চাচা তাে লিখেছেন যেতে। 

সেই চিঠি তুমি পড়েছ? হা।। 

কেন পড়লে? আমি বলি নিআমার কাছে লেখা কোনাে চিঠি তুমি পড়বে না? বলেছি, না বলি নি? 

বলেছ।” 

তাহলে কেন পড়েছ? আর পড়ব না মা। ‘এইভাবে বললে হবে না। চেয়ারের উপর উঠে দাঁড়াও! কানে ধর। কানে ধরে বলআর পড়ব না।’ | মা’র চরিত্রে অস্বাভাবিকতার বীজ আগে থেকেই ছিল। যত দিন যেতে লাগল তত তা বাড়তে লাগল।

মানুষের মানিয়ে চলার ক্ষমতা অসাধারণ। আমি মার সঙ্গে মানিয়ে চলার চেষ্টা করতে লাগলাম, এবং চলতে লাগলাম। নিজের মনে থাকি। প্রচুর গল্পের বই পড়ি। মাঝেমাঝে অসহ্য রাগ লাগে। সেই রাগ নিজের মধ্যে রাখি, মা’কে জানতে দিই না। আমার বয়স অল্প হলেও আমি ততদিনে বুঝে গিয়েছিআমিই মার একমাত্র অবলম্বন। তাঁর সমস্ত জগৎ, সমস্ত পৃথিবী আমাকে নিয়েই। 

অনীশ-পর্ব-(৬)

মাঝেমাঝে মা এমন সব অন্যায় করেন, যা ক্ষমার অযােগ্য। আমি সেই অপরাধও ক্ষমা করে দিই। একটা উদাহরণ দিই। আমি সেবার ক্লাস নাইনে উঠেছি। যারা এস এস সি পরীক্ষা দেবে তাদের ফেয়ারওয়েল হচ্ছে। ফেয়ারওয়েলে নাটক করা হবে।

আমাকে নাটকে একটা পার্ট দেওয়া হল। আমার উৎসাহের সীমা রইল না। মা’কে কিছুই জানালাম না। জানালে মা নাটক করতে দেবেন না। মা জেনে গেলেন। গম্ভীর হয়ে রইলেন। কিছু বললেন না। আমি মাকে সহজ করার অনেক চেষ্টা করলাম। মা সহজ হলেন না। যেদিন নাটক হবে তার আগের রাতে খাবার টেবিলে মা প্রথমবারের মতাে বললেন, ‘তােমাদের নাটকের নাম কি

আমি উৎসাহের সঙ্গে বললামহাসির নাটক মা। নাম হচ্ছেপনের। দমফাটানাে হাসির নাটক। 

 তােমার চরিত্রটা কী? 

‘আমি হচ্ছি বড় বোন, পাগলাটে ধরনের মেয়ে। তাকে যেকাজটি করতে বলা হয় সে সবসময় তার উল্টো কাজটি করে। তারপর খুব অবাক হয়ে বলে0hTy God, এটা কী করলাম।

আমার অভিনয় খুব ভালাে হচ্ছে মাআমাদের বড়আপা গতকালই আমাকে ডেকে নিয়ে বলেছেন আমার ভেতর অভিনয়ের জন্মগত প্রতিভা আছে। চর্চা করলে আমি খুব নাম করবমা, তুমি কি নাটকটা দেখবে? 

‘না।’ 

অনীশ-পর্ব-(৬)

দেখতে চাইলে দেখতে পারবে। এ গার্জিয়ানরা আসতে পারবেন না। তবে বড়আপা বলেছেন, যারা অভিনয় করছে তাদের মারা ইচ্ছে করলে আসতে পারবেন। তুমি যাবে মা? চল না। প্লীজ। 

মা শুকনাে গলায় বললাে, দেখি।’ ‘তুমি গেলে আমি অসম্ভব খুশি হব মা অসম্ভব, অসম্ভব, অসম্ভব খুশি হব। 

হব যে চিৎকার করে কাঁদব।’ 

ললেন না। আমামনে ক্ষীণ আশা হল মা হয়তাে যাবেন। আনন্দে সারা রাত আমি ঘুমুতে পারলাম না। তল্লামতো আসে আবার তন্দ্রা ভেঙে যায়। কী যে আনন্দ।। | ভােরবেলা দরজা খুলে বেরুতে গিয়ে দেখি দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ। আমি চেঁচিয়ে ডাকলাম, ‘মামামা। 

মা এলেন। আমি চেঁচিয়ে বললাম, ‘তালাবন্ধ করে রেখেছ কেন মা?”। 

মা শীতল গলায় বললেন, ‘আমি অনেক চিন্তা করে দেখলাম তােমার অভিনয় করা ঠিক হবে না।’ 

কী বলছ তুমি মা? ‘যা সত্যি তাই বলছি।’ 

স্কুলে আপারা কী মনে করবে মা! আমি না গেলে নাটক হবে না।’ ‘নাহলে নাহবে। নাটক এমন কিছু বড় জিনিস না।’ 

পরে যখন স্কুলে যাব ওদের আমি কী বলব? বলবি অসুখ হয়েছিল। মানুষের অসুখ হয় না

আমি কাঁদতেকাঁদতে বললাম, ঠিক আছে মাআমি স্কুলে যাব না। তুমি তালা খুলে দাও। 

অনীশ-পর্ব-(৬)

‘তালা সন্ধ্যার সময় খুলব।’ 

আমি যাচ্ছি না দেখে স্কুলের এক আপা আমাকে নিতে এলেন, মা তাঁকে বললেন, ‘মেয়েটা অসুস্থ। খুবই অসুস্থসে মামার বাড়িতে আছে। একবার ভাবলাম চিৎকার করে বলি—আপা আমি বাড়িতেই আছি, মা আমাকে তালাবন্ধ করে রেখেছে। পরমুহুর্তেই মনে হলথাক। 

মা তালা খুললেন সন্ধ্যাবেলায়। তাঁকে কিছুমাত্র লজ্জিত বা দুঃখিত মনে হল না। 

শুধু রাতে আমার সঙ্গে ঘুমুতে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে ব্যাকুল হয়ে কাঁদতে লাগলেন। কান্না দেখে আমি মা’র অপরাধ ক্ষমা করে দিলাম। 

আমি যখন ক্লাস টেনে উঠলাম তখন মা আরাে একটি বড় ধরনের অপরাধ করলেন। আমাদের একতলায় তখন নতুন ভাড়াটে। তাদের বড় ছেলের নাম আবীর। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজিতে অনার্স পড়েন। লাজুক স্বভাবের ছেলে। কখনাে আমার দিকে চোখ তুলে তাকান না।

যতবার আমার সঙ্গে দেখা হয় তিনি লজ্জায় লাল হয়ে যান। আমি ভেবে পাই না, আমাকে দেখে উনি এত লজ্জা পান কেন? আমি কী করেছি? আমি তাে তাঁর সঙ্গে কথাও বলি না। তাঁর দিকে তাকাইও না।

একদিন সন্ধ্যাবেলা চায়ের কাপ হাতে নিয়ে ছাদে গিয়েছি, দেখি, উনি ছাদে হাঁটাহাঁটি করছেন। আমাকে দেখে চমকে উঠে বললেন, আমার বাবা আমাকে আপনাদের এই ছাদটা দেখতে পাঠিয়েছেন, এই জন্যে ছাদে এসেছি। অন্য কিছু না। 

আমি বললাম, ছাদ দেখতে পাঠিয়েছেন কেন? 

অনীশ-পর্ব-(৬)

‘আমার বড় বােনের মেয়ে হয়েছে। এই বাসায় ওর আকিকা হবে। বাবা বললেন-~~-ছাদে প্যান্ডেল করে লােকখাওয়াবেন, যদি ছাদটা বড় হয়।’ 

‘ছাদটা কি বড়? 

‘বড় না, তবে খুব সুন্দর। আমি যদি কিছুক্ষণ ছাদে থাকি আপনার মা কি রাগ করবেন? 

‘না, রাগ করবেন কেন? 

ওঁকে দেখলেই মনে হয় আমার উপর উনি খুব রাগ করে আছেন। আমার কেন জানি মনে হয় উনি আমাকে সহ্য করতে পারেন না। | আমি হাসতেহাসতে বললাম, আপনি শুধুশুধু ভয় পাচ্ছেন। মা শুধু আমার 

উপর রাগ করেন, আর কারাে উপর রাগ করেন না। | তিনি বললেন, আপনি যে এতক্ষণ ছাদে আছেন, আমার সঙ্গে কথা বলছেন, এটা জানতে পারলে আপনার মা খুব রাগ করবেন। 

রাগ করবেন কেন? আর আপনি আমাকে আপনিআপনি করছেন কেন? শুনতে বিশ্রী লাগছে। আমি আপনার ছােট বােন মীরার চেয়েও বয়সে ছােট। আমাকে তুমি করে বলবেন। 

মনে হল আমার কথা শুনে তিনি খুব ঘাবড়ে গেলেন। আমার দারুণ মজা লাগল। উনি অনেকক্ষণ চুপচাপ থেকে বললেন, আপনি কি মানে তুমি কি রােজ ছাদে এসে চা খাও?’ 

‘হা। হেঁটেহেঁটে চা খেতে আমার খুব ভালাে লাগে। হেঁটেহেঁটে চা খাই, আর নিজের সঙ্গে গল্প করি।’ 

নিজের সঙ্গে গল্প কর মানে? 

‘আমার তাে গল্প করার কেউ নেই। এই জন্যে নিজের সঙ্গে গল্প করি। আমি একটা প্রশ্ন করি। আবার আমিই উত্তর দিই। আচ্ছা, আপনি চা খাবেন? আপনার জন্যে চা নিয়ে আসব। 

না-নানা।” 

অনীশ-পর্ব-(৬)

রকম চমকে উঠে নানা করছেন কেন? আপনার জন্যে আলাদা করে চা বানাতে হবে না। মা একটা বড় টীপটে চা বানিয়ে রেখে দেন। একটু পরপর চা খান। আমি সেখান থেকে ঢেলে এককাপ চা নিয়ে আসব। আপনি আমার মতাে হাঁটতে হাঁটতে চা খেয়ে দেখুন, আপনার ভালাে লাগবে।’ 

‘ইয়েতাহলে দু’ কাপ চা আন। দু জনে মিলেই খাই। তােমার মা জানতে পারলে আবার রাগ করবেন না তাে? 

না, রাগ করবেন না।’ 

আমি ট্রেতে করে দু’ কাপ চা নিয়ে ছাদের সিঁড়ির দিকে যাচ্ছি-মা ডাকলেন, ‘বুডি এদিকে আয়। কি ব্যাপার? চাকার জন্যে নিয়ে যাচ্ছিস?’ | আমি মার কথা বলার ভঙ্গিতে ভয়ানক চমকে উঠলাম। কী ভয়ংকর লাগছে মাকে! হিংস্র কোনাে পশুর মতাে দেখাচ্ছে। তার মুখে ফেনা জমে গেছে। চোখ 

টকটকে লাল। 

‘তুই কি আবীর ছেলেটির জন্যে চা নিয়ে যাচ্ছিস? ‘হ্যা। ‘এতক্ষণ কি ছাদে তার সঙ্গে কথা বলছিলি? ‘হু।’ 

ও কি তাের হাত ধরেছে? আমি হতভম্ব হয়ে বললাম, ‘এসব কী বলছ মা! ‘া কি না? 

মা, আমি শুধু দু-একটা কথা •••••• 

শােন্ বুড়ি, তুই এখন আমার সঙ্গে নিচে যাবি। ঐ বদ ছেলের মা’কে তুই বলবি আপনার ছেলে আমার গায়ে হাত দিয়েছে। আমি ঐ বদ ছেলেকে শিক্ষা দেব, তারপর বাড়ি থেকে তাড়াব। কাল দিনের মধ্যেই এই বদ পরিবারটাকে বাড়ির বাইরে বের করে দিতে হবে।’ 

আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম, এসব তুমি কী বলছ মা? 

অনীশ-পর্ব-(৬)

মা হিসহিস করে বললেন, আমি যা বললাম তা যদি না করিস, আমি তােকে খুন করব। আল্লার কসম আমি তােকে খুন করব। আয় আমার সঙ্গে, আয় বললাম, আয়।’ 

আমি কাঁদতে কাঁদতে মার সঙ্গে নিচে (গলাম। মা আবীরের মা’কে কঠিন গলায় বললেন, আপনার ছেলে আমার মেয়ের গায়ে হাত দিয়েছে। আপনার ছেলেকে ডেকে আনুন। এর বিচার করুন। 

ছেলের মা হতভম্ব হয়ে বললেন, ‘আপা, আপনি এসব কী বলছেন? আমার ছেলে এ-রকম নয়। আপনি ভূল সন্দেহ করছেন। আবার এমন নােংরা কাজ কখনাে করবে না।’ 

“আপনি আপনার ছেলেকে ডেকে আনুন। আমি তার সামনেই কথা বলব।’ 

উনি এসে দাঁড়ালেন। লজ্জায় ভয়ে বেচারা এতটুক হয়ে গেছে। অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। মা আমাকে বললেন, ‘বুড়ি বল, বল্ তুই। এই বদ ছেলে কি তাের গায়ে হাত দিয়েছে? সত্য কথা বল্। সত্য কথা নাবললে তােকে খুন করে ফেলৰ বল এই ছেলে কি তাের গায়ে হাত দিয়েছে? 

আমি কাঁদতেকাঁদতে বললাম, হা, দিয়েছে। ‘বুকে হাত দিয়েছে কি না বল। দিয়েছে বুকে হাত? 

অনীশ-পর্ব-(৬)

মা কঠিন গলায় বললেন, আপনি নিজের কানে শুনলেন আমার মেয়ে কি বলল, এখন ছেলেকে শাস্তি দেবেন বা দেবেন না সেটা আপনাদের ব্যাপার। আমার কথা হল আগামীকাল দুপুরের আগে আপনারা এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবেন। | আমি এক পলকের জন্যে তাকালাম আবীর ভাইয়ের দিকে। তিনি পলকহীন চোখে আমার দিকেই তাকিয়ে আছেন। সেই চোখে রাগ, ঘৃণা বা দুঃখ নেই; শুধুই বিস্ময়। 

তারা পরদিন দুপরে সত্যিসতি বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন। রাতে মা আমার সঙ্গে ঘুমুতে এসে, আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব কাঁদতে লাগলেন। আমি মনেমনে বললাম, মা, তােমাকে আমি ক্ষমা করতে চেষ্টা করছি, পারছি না। তুমি এমন করে কেঁদো না মা। আমার কষ্ট হচ্ছে। এমনিতেই অনেক কষ্ট পেয়েছি। আর কষ্ট দিও না। 

প্রথম পর্যায়ের লেখা এই পর্যন্তই। তারিখ দেওয়া আছে। সময় লেখা রাত দ’টা পনের। সময়ের নিচে লেখাএকটানা অনেকক্ষণ লিখলাম। ঘুম পাচ্ছে। এখন ঘুমুতে যাব। মা আমার বিছানায় এসে শুয়েছেন। আজ সারা দিন হাঁপানিতে কষ্ট পেয়েছেন। এখন সম্ভবত হাঁপানিটা কমেছে। আরাম করে ঘুমুচ্ছেন। আজ সারা দিন মার নামাজ কাজা হয়েছে। ঘুম ভাঙলে কাজা নামাজ শুরু করবেন। রাত পার করে দেবেন নামাজে। কাজেই মা’র ঘুম না ভাঙিয়ে খুব সাবধানে বিছানায় যেতে হবে। 

মিসির আলি তাঁর নােটবই বের করে পয়েন্ট নােট করতে বসলেন। পয়েন্ট একটিই—মেয়ের মা’র চরিত্রে যেঅস্বাভাবিকতা আছে তা মেয়ের মধ্যেও চলে এসেছে। মেয়ে নিজে তা জানে না। সে নিজেকে যতটা স্বাভাবিক ভাবছে তত স্বাভাবিক সে নয়।

একটি স্বাভাবিক মেয়ে তার মৃত বাবার জন্যে অনেক বেশি ব্যস্ততা দেখাত। এত বড় একটি লেখার কোথাও সে বাবার নাম উল্লেখ করে নি। এমন না যে বাবার নাম তার অজানা। মার সম্পর্কে রূপবতী শব্দটি সে ব্যবহার করেছেবাবা সম্পর্কে কিছুই বলে নি।

অনীশ-পর্ব-(৬)

তার মা, এত বড় একটা কাণ্ড করার পরেও মা’র কষ্টটাই তার কাছে প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজেকে সে মার কাছ থেকে আলাদা করতে পারছে না। এর ফলাফল সাধারণত শুভ হয় না। এত বড় ঘটনার পরেও যে মা’র কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করতে পারছে নাসে আর কোনােদিনও পারবে না। 

 মিসির আলি রূপার খাতার পাতা ওল্টালেন। 

এস, এস.সি.তে আমার এত ভালাে রেজাল্ট হবে আমি কল্পনাও করি নি। আমাদের ক্লাসের অন্য সব মেয়েদের প্রাইভেট টিউটর ছিল, আমার ছিল না। মার পছন্দ নয়। মার ধারণা, অল্পবয়স্ক প্রাইভেট মাস্টাররা ছাত্রীর সাথে প্রেম করার চেষ্টা করে, বয়স্করা নানান কৌশলে গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। কাজেই যা পড়লাম, নিজে নিজে পড়লাম। রেজাল্ট হবার পর বিস্ময়ে হকচকিয়ে গেলাম। কি আশ্চর্য 

কাণ্ড, ছেলেমেয়ে সবার মধ্যে ফিফথ। পাঁচটা বিষয়ে লেটার। 

আমি বললাম, তুমি কি খুশি হয়েছ মা?” মা যন্ত্রের মতাে বললেন, ‘হু। ‘খুব খুশি না অল্প খুশি? খুব খুশি।’ 

‘আমাদের সঙ্গে যে, মেয়েটা ফোর্থ হয়েছে সে শান্তিনিকেতনে পড়তে যাচ্ছে। তুমি কি আমাকে শান্তিনিকেতনে পড়তে দেবে? 

 

Read more

অনীশ-পর্ব-(৭)-হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *