মিসির আলীর অমিমাংসিত রহস্য পর্ব – ৮
হুইল চেয়ারে যে-বৃদ্ধা বসে আছেন তাঁর চেহারা এই বয়সেও অত্যন্ত সুন্দর গায়ের রঙ দুধে-আলতায় বলে যে-কথাটি প্রচলিত আছে ভদ্রমহিলাকে দেখে তা সত্যি মনে হয়। মাথার চুল লম্বা এবং সাদা। ধবধব করছে। ধবধবে সাদা চুলেরও যে আলাদা সৌন্দৰ্য আছে, তা এই বৃদ্ধাকে দেখে বোঝা যায়। বৃদ্ধার হুইল চেয়ার ধরে যে-মেয়েটি দাঁড়িয়ে আছে তার গায়ের রঙ শ্যামলা হলেও সুশ্ৰী। এই মেয়েটির নামই সালেহা। কাজের মেয়ে বলে তাকে মনে হয় না। মাথায় ঘোমটা দেওয়া বলে সালেহাকে কেমন বৌ-বৌ মনে হচ্ছে।
মিসির আলি বৃদ্ধার সামনে বসতে—বসতে বললেন, আপনি কেমন আছেন? বৃদ্ধ নরম গলায় বললেন, বাবা, আমি ভালো আছি। এই বয়সে বেঁচে থাকাই ভালো থাকা।আমি আমার পরিচয় দিয়ে নিই, আমার নাম মিসির আলি…… আপনাকে পরিচয় দিতে হবে না। বাবা। আপনি কে আমি জানি। এখানে কি জন্যে আছেন তাও নাদিয়া বলেছে।দু-একটা প্রশ্ন করব, যদি কিছু মনে না করেন।
কিছু মনে করব না। আপনি যত ইচ্ছা প্রশ্ন করেন। সব প্রশ্নের জবাব ঠিকমতো দিতে পারব কি না তাও তো জানি না-বয়স হয়ে গেছে, ঠিকমতো গুছিয়ে কিছু বুলতে পারি না।এই বাড়িতে আপনি কত দিন ধরে আছেন।অনেক দিন। তা ধর কুড়ি বছর। তুমি করে বলে ফেলেছি বাবা। ভুল হয়ে গেছে।কোনো ভুল হয় নি। আপনি আমাকে তুমি করে বলুন। কিছু অসুবিধা নেই।আপনি তাহলে কুড়ি বছর ধরে এদের সঙ্গে আছেন?
হ্যাঁ।এরা মানুষ কেমন? বৃদ্ধা হাত ইশারা করে সালেহা মেয়েটাকে চলে যেতে বললেন। সালেহা চলে গেল। যাবার সময় দরজা ভেজিয়ে দিয়ে গেল। বৃদ্ধা গলার স্বর নিচু করে বললেন, নাদিয়া মেয়েটা খুব ভালো। একটু পাগল ধরনের। রাতে ঘুমায় না, সিগারেট খায়। কিন্তু বড় ভালো মেয়ে। অন্তরটা বিরাট বড়।মেয়ের বাবা-মা সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? ওরা মন্দও না। আবার ভালোও না।
ভালো-মন্দে মেশানো। কিন্তু নাদিয়া মেয়েটার মধ্যে মন্দের ভাগ খুব সামান্য। এই রকম সচরাচর দেখা যায় না। নিজের ছেলেমেয়েরা আমাকে দেখে না, কিন্তু পরের মেয়ে নাদিয়া আমাকে দেখে। একবার জ্বর হল—এক শ চার। জ্বরে অচেতন হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি এই মেয়ে আমার মাথায় পানি ঢালছে। চিন্তা কর বাবা-কোটিপতি বাবার মেয়ে! তার মুখের হুকুমে দশজন লোক ছুটে আসবে। সে কিনা মাথায় পানি ঢালে।আপনার ছেলেমেয়ে কজন?
তিন ছেলে, দুই মেয়ে। বড় ছেলেটা বাহরাইনে ড্রাইভারের চাকরি নিয়ে গিয়েছিল। আর ফিরে আসে নাই। তার কোনো খোঁজখবরও জানি না। ছোটটা থাকে তার বোনের কাছে চিটাগাং। গুণ্ডামি বদমায়েশি এইসব করে। মেজো ছেলেটাকে তো বাবা তুমি দেখেছি। আব্দুল মজিদ।মিসির আলি বিস্মিত হয়ে বললেন, আব্দুল মজিদ আপনার ছেলে? হ্যাঁ বাবা। আমি জানি সে তোমাকে বলে নাই যে আমি তার মা। কাউকেই বলে না। বাপ-মার পরিচয় দিতে লজ্জা পায়। আমার ছেলেটা ভালো, তবে বোকা ধরনের। বোকা বলেই ভালো। বয়স তো আমার কম হয় নাই। আমি দেখেছি। এই জগতে বোকারাই ভালো।
বোকা বলছেন কেন? আমার কাছে তো বোকা মনে হয় না।তুমি দূর থেকে দেখেছ, এই জন্যে তোমার কাছে বোকা মনে হয় না। আসলে বোকা।এই বাড়িতে একটা বাচ্চা ছেলে মারা গিয়েছিল, আপনার মনে আছে? হ্যাঁ, মনে আছে।কি ব্যাপার বলুন তো।ঐ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না বাবা। ঐটা একটা অ্যাকসিডেন্ট। এই দুনিয়ায় অ্যাকসিডেন্ট তো হয়। ছেলের নিয়তি ছিল ভয় পেয়ে মৃত্যু-তাই হয়েছে। নিয়তিকে গালাগাল দিয়ে তো লাভ নাই। কারণ আল্লাহপাক বলেছেন—নিয়তিকে গালি দিও না, কারণ আমিই নিয়তি।পরবর্তী সময়ে যে দেখা গেল বাথরুম আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে যায়, এই সম্পর্কে আপনার ধারণা কী?
মনের ভুল। দরজা হয়তো একটু শক্ত হয়ে লাগে। এম্নি ভয় পেয়ে চিৎকার শুরু করে। কথায় আছে না-বনের বাঘে খায় না, মনের বাঘে খায়? মনের বাঘটাই বড়।আপনার বেলায় কখনো এই জাতীয় কিছু ঘটে নি? না।সালেহ, ঐ মেয়েটির কি এ-রকম অভিজ্ঞতা হয়েছে? একবার নাকি হয়েছে। চিৎকার, হৈচৈ। বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে খুলতে পারে না। আমি হুইল চেয়ারে করে গেলাম। ধাক্কা দিতেই দরজা খুলল। দরজা খুলে দেখি অচেতন হয়ে পড়ে আছে। দাঁতে-দাঁতে লেগে জিহ্বা কেটে বিশ্ৰী অবস্থা! ঐ যে বললাম মনের বাঘ। তাকেও ধরেছে মনের বাঘে তুমি কি নিজে মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করতে চাও?
না, চাই না।না-চাওয়াই ভালো। জিজ্ঞেস করার আসলে কিছু নাই। ভয় পাওয়া এই বাড়ির মানুষের একটা রোগ হয়ে গেছে।মিসির আলি উঠে দাঁড়ালেন। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় দেখা হল নাদিয়ার সঙ্গে। তিনি আজও টিয়াপাখি রঙের একটা শাড়ি পরেছেন। সবুজ রঙের প্রতি এই মেয়েটির খুব দুর্বলতা। নাদিয়া থমকে দাঁড়িয়ে বললেন, তদন্ত এগুচ্ছে? হ্যাঁ, এগুচ্ছে।আমার ফুপুর সঙ্গে কথা বলে এলেন? হ্যাঁ। উনি আপনার কেমন ফুপু? সম্পর্ক বেশ দূরের, তবের দূরের হলেও নিকট আত্মীয় বলতে উনিই আছেন।আপনাকে খুব স্নেহ করেন বলে মনে হল।তা করেন। বেশ স্নেহ করেন। উনি আবার খুব চমৎকার গল্প বলতে পারেন। আমি এত সুন্দর করে গল্প বলতে কাউকে শুনি নি। আপনার তদন্তের ঝামেলা শেষ হলে একবার ওর গল্প শুনে যাবেন।
তাঁর ছেলেটি সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? আব্দুল মজিদের কথা বলছেন? বিরাট বোকা। সে বয়সে আমার বড়, কিন্তু প্রতি ঈদে সেজেগুজে এসে আমার পা ছুঁয়ে সালাম করবে। ও আপনার খাতির-যত্ন করছে তো? আপনার দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছি ওর ওপর।ও যত্ন করছে। ভালোই যত্ন করছে।বাড়াবাড়ি রকমের যত্ন দিয়ে সে যদি আপনাকে বিরক্ত করে আমাকে বলবেন।
আমি ধমক দিয়ে দেব ও নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে কিছু-কিছু কাজ করে, যা সহ্য করা যায় না। একবার কী করেছে শুনুন—কোথেকে এক মৌলানা সাহেবকে ধরে নিয়ে এসেছে। মৌলানা সাহেব নাকি দোয়া পড়ে এই বাড়ির জিন তাড়াবেন! লম্বা কোর্তা পরা মৌলানা। প্রতিটি বাথরুমে ঢুকছে আর কি দোয়—কালোম পড়ছে। দেখুন তো কী অস্বস্তিকর অবস্থা। বাথরুম কি দোয়া পড়ার জায়গা? আচ্ছা যাই, পরে কথা হবে। আপনার তদন্ত শেষ হতে কতদিন লাগবে?
বেশিদিন লাগবে না। প্রায় শেষ করে এনেছি।তদন্ত শেষ হলে আবার নিজের আস্তানায় ফিরে যাবেন? তা তো বটেই।নাদিয়া হাসতে-হাসতে বললেন, আপনি ইচ্ছা করলে কিন্তু তদন্ত শেষ হবারচ পরেও আমার এখানে থেকে যেতে পারেন। আপনাকে কেন জানি না আমার পছন্দ হয়েছে। কী কারণে পছন্দ হয়েছে তা অবশ্যি আমি নিজেও ধরতে পারছি না।
নাদিয়া সিড়ি বেয়ে উঠে গেলেন। মেয়েটির চেহারায় আচার-আচরণে মিসির আলি শোকের কোনো ছাপ দেখলেন না। পিতার মৃত্যুশোক সে কাটিয়ে উঠেছে। মনে হয় ভালোভাবেই কাটিয়েছে।গুলশান থানার ওসি বিরক্ত চোখে তাকিয়ে আছেন। তিনি তাঁর ওসি জীবনে এত বিরক্ত চোখে বোধহয় কারো দিকে তাকান নি। ওসি সাহেবের ঠিক সামনের চেয়ারে মিসির আলি বসে আছেন।
মিসির আলি কয়েকবার খুব আন্তরিক ভঙ্গিতে ওসি সাহেবের দিকে তাকিয়ে হাসার চেষ্টা করলেন। ওসি সাহেব পাত্তা দিলেন না। পাত্তা দেবার কথাও না। মিসির আলি নামের এই মানুষটি তাঁর সারাটা দিন নষ্ট করেছে। সকাল নটার সময় এসেছে, এখন বাজছে একটা। যাবার নাম নেই। চুপচাপ চেয়ারে পা তুলে বসে আছে। ক্ষুধা-তৃষ্ণা কিছুই বোধ-হয় মানুষটির নেই।ওসি সাহেব হাই তুলতে-তুলতে বললেন, আজ চলে যান মিসির আলি সাহেব। আজ আর হবে না।
দীর্ঘদিন আগের ব্যাপার। পুরানো রেকর্ডপত্র কোথায় আছে কে জানে। সতের বছর তো অল্প সময় নয়।মিসির আলি বললেন, আমি বরং সন্ধ্যার দিকে একবার আসি।সন্ধ্যার দিকে আসার দরকার নেই। সামনের সপ্তাহে খোঁজ নিয়ে যাবেন।তথ্যটা জানা আমার খুব দরকার। সতের বছর আগে বাথরুমে অল্পবয়সী একটা ছেলে মারা গিয়েছিল। এই বিষয়ে থানায় কোনো জিডি এন্ট্রি করা হয়েছে কিনা, পোষ্ট মার্টেম হয়েছে কি না, হয়ে থাকলে তার রিপোর্ট….
ওসি সাহেব অসহিষ্ণু গলায় বললেন, মিসির আলি সাহেব, দেশটা বিলেত-আমেরিকা না–বাংলাদেশ। এই দেশে এক সপ্তাহ আগের জিনিসই পাওয়া যায় না। আপনি এসেছেন সতের বছর আগের ব্যাপার নিয়ে।আমার খুব প্রয়োজন ছিল।সতের বছর আগে কী ঘটেছিল তা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। বর্তমানে কী ঘটছে তা নিয়ে মাথা ঘামান।পাওয়া যাবে না বলছেন? পাওয়া না-যাবারই কথা।রেকর্ড নিশ্চয়ই কোথাও রাখা হয়।তা রাখা হয়। ফাইলের গুদামে পড়ে থাকে। একসময় পোকায় কাটে। আমার ধারণা আপনি যে- রেকর্ডের কথা বলছেন তা এখন উই পোকার পেটে।
খুঁজে দেখবেন না? উইপোকার পেট চিরে খুঁজতে বলছেন? জ্বি-না–গুদামের কথা বলছি।বললাম তো খোঁজ হচ্ছে।তাহলে সন্ধ্যাকেলা একবার আসি? ওসি সাহেব হতাশ গলায় বললেন, আসুন। শুধুসন্ধ্যায় না। রাতে একবার আসুন। মাঝরাতেও আসুন।আপনি মনে হচ্ছে আমার ওপর বিরক্ত হচ্ছেন।হ্যাঁ, হচ্ছি। পুলিশে কাজ করি বলে কি বিরক্তও হতে পারব না? অনেক আজব চিড়িয়া আমি আমার পুলিশী জীবনে দেখেছি, আপনার মতো দেখি নি।
আপনার বিরক্তি উৎপাদন করেছি বলে দুঃখিত।শুধু বিরক্তি না ভাই, আপনি আরো অনেক জিনিস উৎপাদন করেছেন। তার মধ্যে রাগও আছে। নেহায়েত হোম ডিপার্টমেন্টের চিঠি আছে বলে কিছু বলি নি।মিসির আলি হাসলেন। ওসি সাহেব তীব্রগলায় বললেন, হাসছেন কেন? মিসির আলি বললেন, আর হাসব না। তবে আমি আসব। সন্ধ্যা সাতটার দিকে আসব।
ডাক্তার মুসফেকুর রহমান, (এম.আর. সি. পি., প্রফেসর, পিজি হাসপাতাল) ওসি সাহেবের মতোই বিরক্ত চোখে তাকিয়ে আছেন। ডাক্তারদের সময়ের দাম আছে। সেই দামী সময়ের অংশ নিতান্ত অকারণে কাউকে দিয়ে দেওয়া যায় না। মুসফেকুর রহমান সাহেবের ধারণা, মিসির আলি নামের মানুষটি নিতান্ত অকারণে তাঁর সময় নিচ্ছে। তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া উচিত, কিন্তু দেওয়া যাচ্ছে না। সভ্যসমাজের অনেক অভিশাপের মধ্যে একটা অভিশাপ হচ্ছে—যা করতে ইচ্ছা করে, তা করা যায় না।ডাক্তার সাহেব বললেন, আপনাকে যা বলার তা তো বলেছি, তার পরেও বসে আছেন কেন?
এক্ষুণি চলে যাব। শুধু একটা জিনিস জানার বাকি, ওসমান গনি সাহেব কি কখনো কোনো সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে গিয়েছিলেন?আমি জানি না। আর জানলেও আপনাকে বলতাম না। ডাক্তারদের কিছু এথিকেল কোড় মানতে হয়। রুগীর রোগ সম্পর্কে অন্যকে কোনো তথ্য না-দেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে একটি। কার কি অসুখ তা আমি অন্যদের বলব না।কেন বলবেন না? ব্যাধি তো গোপন রাখার বিষয় নয়।দেখুন মিসির আলি সাহেব, আমি বুঝতে পারছি আপনি মানুষটি তর্কে পটু। আমি আপনার সঙ্গে তর্কযুদ্ধে যেতে চাচ্ছি না। ওসমান গনি সাহেবের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে তাঁর সম্পর্কে আমি যা জানি তা আপনাকে বলেছি। এর বেশি কিছু জানি না।শেষের দিকে তিনি কোনো ধরনের হেলুসিনেশনে ভুগছিলেন কি?
আমার জানা নেই। একটু মনে করে দেখুন তো তিনি কি কখনো কথা প্রসঙ্গে আপনাকে বলেছেন যে তিনি তীব্র ভয় পাচ্ছেন বা এই জাতীয় কিছু? হ্যাঁ, তা বলেছেন। বাথরুমে ঢুকলে তিনি ফিসফিস করে কথা শুনতে পান—যেন কেউ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেষ্টা করে। বাচ্চা ছেলের গলা ছেলেটা তাঁর নাম ধরে ডাকত। দুঃস্বপ্ন দেখতেন। তিনি একবার জানতে চাইলেন কেন এ-রকম হচ্ছে।উত্তরে আপনি তাঁকে কী বলেন? আমি বলি যে অতিরিক্ত টেনশনে এ-রকম হতে পারে। আমি তাঁকে টেনশন কমাতে বলি। তাঁকে ঘুমের অষুধ দিই।কী অষুধ দেন? এটাও কি আপনার জানতে হবে?
হ্যাঁ, জানতে হবে। ডাক্তার সাহেব খসখস করে কাগজে অষুধের নাম লিখে মিসির আলির দিকে বাড়িয়ে দিলেন। শুকনো গলায় বললেন, এই অষুধটা দিই। আরো কিছু জানতে চান? এই অষুধ কীভাবে কাজ করে। কীভাবে নাৰ্ভ শান্ত করে-এ-জাতীয় কিছু? না, আর কিছু জানতে চাই না। আপনাকে যথেষ্ট বিরক্ত করা হয়েছে। ধন্যবাদ।মিসির আলি ঘর থেকে বেরুতে গিয়েও বেরুলেন না।
আবার ফিরে এসে আগের জায়গায় বসলেন। ডাক্তার সাহেব কপাল কুচকে বললেন, কি হল? একটা কথা জিজ্ঞেস করতে ভুলে গিয়েছি। ওসমান গনি সাহেবের মেয়ে নাদিয়া গনি, সে কি কখনো তার বাবার মতো সমস্যা নিয়ে আপনার কাছে এসেছিল? না, আসে নি। আপনার কথা কি শেষ হয়েছে? জ্বি, শেষ হয়েছে।শেষ হয়ে থাকলে দয়া করে যান। দরজার কাছ থেকে আবার ফিরে আসবেন না।
Read more
