কক্সবাজার জেলার সংক্ষিপ্ত তথ্যাবলী ও দর্শনীয় স্থানসমূহ

কক্সবাজার জেলার সংক্ষিপ্ত তথ্যাবলী

কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাষ্ণলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অষ্ণল। প্রশাসনিক মোট আয়তন ২৪৯১.৮৬ কি.মি। এ জেলা উত্তরে চট্টগ্রাম জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে বান্দরবন জেল, মায়ানমারের আরকান এবং নাফ নদী ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর দ্বারা পরিবেষ্ঠিত। উপকুলবর্তি এলাকা হওয়ার এ জেলা প্রায়ই সামুদ্রিক ঝড়, জলচ্ছাস, হারিকেন, স্লাইকোন ইত্যাদি দ্বারা আক্রান্ত হয়।

প্রধান দ্বীপ : মহেশখালি, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহপরি, সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ (নারিকেল জিঞ্জরা), মাতাবাড়ি।

প্রধান বন  :  ফুলছড়ি রেঞ্জ, ভুমারিয়া ঘোনা রেঞ্জ, মেহেব্ল ঘোনা রেঞ্জ, বাক খালি রেঞ্জ।

কক্সবাজারে পৃথিবীর দীর্ঘতম (১১১ কি.মি দীর্ঘ) সমুদ্র সৈকত রয়েছে। কক্সবাজার বাংলাদেশের একটি বৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র। এখানে ৬ টি বড় হোটেল, ৮০ ট অন্যান্য হোটেল আছে। এখানে একটি ঝিনুক মার্কেট ও একটি বার্মিজ মার্কেট আছে যেখানে মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীনের সামগ্রিক পাওয়া যায়।

কক্সবাজার জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • আদিনাথ মন্দির (মহেশখালী উপজেলা)
  • সোনাদিয়া দ্বীপ, মহেশখালী
  • হিমছড়ি
  • কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, কক্সবাজার
  • স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতিকস্বরূপ এ জেলায় ৩টি শহিদ মিনার ও ১টি গণহত্যার কেন্দ্র আছে।
  • চৌফলদন্ডী খুরুশকুল সংযোগ সেতু, মহেশখালী চ্যানেলের সাথে সংযুক্ত ইছাঁখালী নদীর উপর দিয়ে এই সেতুর অবস্থান।
  • আগাভামেধ বুদ্ধ খেয়াং
  • পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার, কক্সবাজার সদর হতে ৩২ কিঃ মিঃ দূরে উখিয়া উপজেলার ১ কিঃ মিঃ পূর্বে টেকনাফ কক্সবাজার আরকান সড়কের পাশে অবস্থিত।
  • এক গম্বুজ মসজিদ।
  • বরইতলী মৎস খামার, বরইতলী ইউনিয়ন
  • বুদ্ধের প্যাগোডা
  • বড়ঘোপ সমুদ্র সৈকত, বড়ঘোপ ইউনিয়নের পশ্চিমে
  • বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ হতে ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
  • বীর কামলা দীঘি (টেকনাফ উপজেলা)
  • মনোমুগ্ধকর গোলাপ বাগান, বরইতলী ইউনিয়ন
  • মহেশখালী জেটি, মহেশখালী
  • রামকোট বুদ্ধ খেয়াং
  • মগনামা ঘাট, মগনামা ইউনিয়ন

কক্সবাজার জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

  • মৎস্য অবতরণ ও পাইকারী মৎস্য বাজার, বিমান বন্দর সড়ক, কক্সবাজার।
  • মাহাসিংদোগ্রী বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমি, কক্সবাজার সদর উপজেলা
  • মানিকপুরের ফজল কুকের সাতগম্বুজ মসজিদ
  • মাতামূহুরী নদী, কাকারা, চকরিয়া, কক্সবাজার।
  • মথিনের কূপ, টেকনাফ
  • রাবার বাগান, রামু
  • রামকট হিন্দু মন্দির
  • রাখাইন পাড়া, খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদ হতে ২ কিলোমিটার ও সদর উপজেলা পরিষদ হতে ৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই রাখাইন পল্লী।
  • কুতুব আউলিয়ার সমাধি
  • রাডার স্টেশন, হিলোটপ সার্কিট হাউজের পাশে
  • লবণ রপ্তানি জোন, ইসলামপুর, কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার।
  • লামাপাড়া বুদ্ধ খেয়াং (উখিয়া উপজেলা)
  • শ্রী শ্রী রামকূট বৌদ্ধ বিহার, রামু
  • শাহ ওমরের সমাধি (চকোরিয়া উপজেলা)
  • ইনানী সি বীচ, কক্সবাজার শহর হতে ৩২ কিলোমিটার এবং যে কোন গাড়ী নিয়ে যাওয়া যায়।
  • সেন্টমাটিন প্রবালদ্বীপ, টেকনাফ
  • ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমাটিন, টেকনাফ
  • কানা রাজার ‍সুড়ঙ্গ, কক্সবাজার শহর হইতে ২৫ কিলোমিটার এবং উখিয়া থেকে ১৩ কিলোমিটার, যে কোন গাড়ী নিয়ে যাওয়া যায়।
  • কালারমা মসজিদ
  • কাকারা শাহওমর মাজার, মাইজ কাকারা, কাকার, চকরিয়া, কক্সবাজার।
  • কুতুপালাং ‍বুদ্ধ মন্দির
  • কুতুবদিয়া বাতিঘর, কুতুবদিয়া
  • চিংড়ি রপ্তানি জোন, ইসলামপুর, কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার।
  • চিংড়ির ঘের, চকরিয়া শাহারবিল
  • হাসের দীঘি
  • ডুলাফকির মাজার, ইসলামপুর, কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার।
  • ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক, চকরিয়া

  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার শহর থেকে বন্দর মোকাম পর্যন্ত প্রায় ১৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র-সৈকত কক্সবাজারের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে খুবই ছোট মনে হলেও সাগরের বিশালতা দেখে মনটা বিশাল হয়ে যাবে।

বিশাল সাগরের বুকে দৃষ্টি দিলে চোখে পড়বে শুধু পানি আর পানি। আছড়ে পড়া ঢেউ, সমুদ্রের গর্জন আর নীল জলরাশি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। দূরে ভাসমান জেলে নৌকা, সকাল বিকেলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার এ এক অন্যরকম মজা। অন্যরকম শিহরণ ! হরেক রকম বিনোদন ও ভ্রমণ আয়োজন যে কাউকে মুগ্ধ করবে।

প্রবাল, শামুক, ঝিনুক আর এসব সামুদ্রিক পণ্যের তৈরি নানা সামগ্রী পর্যটকদের জন্য বাড়তি পাওনা। কম মূল্যে শামুক ও ঝিনুকের মালা, বার্মিজ ও বাংলাদেশী পণ্য, আচার আর হরেক রকম বিদেশী পণ্যের জন্য বিখ্যাত এই শহর। সামুদ্রিক মাছ ও মাছের মজাদার রেসিপি যেকোন পর্যটককে রসনা-তৃপ্তি দেবে।

চান্দের গাড়িতে ঘোরার পাশাপাশি চাদের আলোয় বালুকা বেলায় ঘোরার জন্য কক্সবাজারই সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। এসবের পাশাপাশি বৌদ্ধ বিহার ও উপজাতীয় মানুষের জীবনাচার দেখা, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ ও জেলেদের সঙ্গে সময় কাটানো, বাখাইনদের হাতে তৈরি পণ্য কেনা, স্পিডবোটে জার্নি কিংবা মহেশখালীর পাহাড়ের উপরে ৬০০ বছরের বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির দর্শন, মহেশখালীর মজাদার পানের স্বাদ গ্রহণ-সবই সম্ভব একমাত্র কক্সবাজারে। এছাড়া কুতুবদিয়া ও সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণ, পাহাড়, সমুদ্র, বন ও লেকের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগের ‍সুযোগ শুধু কক্সবাজারেই আছে। এবার জেনে নিন তার কিছু তথ্য।

হিমছড়ি

 কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশের পিচঢালা মনোরম পথ ধরে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে প্রকৃতির এক বিচিত্র সৗন্দর্যে ভরপুর হিমছড়ি। সমুদ্রের পাড় ঘেঁষে নয়নাভিরাম ঝর্নাধারা আর পাহাড় ও সাগরের মিতালি দেখতে হলে আপনাকে হিমছড়ি আসতেই হবে।

বর্তমানে এখানে বেশ কয়েকটি ছোটখাটো খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। সুউচ্চ পাহাড় দেখে যাদের উপরে ওঠার সাধ তাদের জন্য রয়েছে বিশাল সিঁড়িপথ।

উপরে বিশ্রামাগার। এখানে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ৪০ টাকা হিসেবে টিকেট কাটতে হয়। শীত মৌসুমে ৬০০-১২০০ টাকায় প্রতিদিন কক্সবাজার থেকে অসংখ্য চাঁদের গাড়ি কিংবা সিএনজি, অটোরিকশায় যাওয়া যায়। অফিসজনে ভাড়া পড়ে রিজার্ভ সিএনজি ৪০০-৬০০ টাকায়। একক বা রিজার্ভ করেও যাওয়া যায়।

তবে দল বেধেঁ গেলে খরচ কম পড়ে। হিমছড়িতে দাঁড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত নীল সাগরের ঢেউ, পাহাড়ের ধার ঘেঁষে সারি সারি ঝাউবন আর নৈসর্গিক দৃশ্য দেখার জন্য হিমছড়ি আপনাকে সারা বছর স্বাগত জানাবে।

ইনানি বিচ

কক্সবাজারের অন্যতম সুন্দর সমুদ্র-সৈকত ইনানি। শহর থেকে ৩৩ কিলোমিটার দক্ষিণ উখিয়া থানায় এবং হিমছড়ি থেকে প্রাং ২০-২১ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। যারা হিমছড়ি দেখতে যেতে চান তারা একই সঙ্গে ইনানির নৈসর্গিক দৃশ্যাবলীয়ও উপভোগ করতে পারেন।

বর্তমান এখানে প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পাকিংয়ের জন্যও নির্দিষ্ট ভাড়া প্রদান করতে হয়। এখানে থাকার জন্য রয়েছে দুটি ভালো মানের হোটেল। ইনানি সৈকতের পশ্চিমে মূল সমুদ্র-সৈকত। পূর্বদিকে সুউচ্চ পাহাড় ও সমতলভূমি। বিস্তৃত সৈকত অসংখ্য প্রবাল পাথরের সমারোহ।

অসংর্খ বন্যপ্রাণী ও পাখির সমারোহ রয়েছে এই এলাকাটিতে। বেশ কিছু মৎস্য হ্যাচারি আর স্থানীয় এক ধরনের ফল পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। এখানের সুস্বাদু ডাব আর স্থানীয় ছুপড়ি দোকানের চা বাড়তি পাওনা।

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কতা 

 সমুদ্রে নামার আগে অবশ্যই জোয়ার-ভাটার সময় জেনে নিন। এ সম্পর্কিত ইয়াছির লাইফ গার্ডের বেশ কয়েকটি সাইনবোর্ড ও পতাকা রয়েছে বিচের বিভিন্ন স্থানে। জোয়ারের সময় সমুদ্রে গোসলে নামা নিরাপদ। জোয়ারের সময় নিদেশিত থাকে, পাশাপাশি সবুজ পতাকা ওড়ানো হয়।

ভাটার সময় সমুদ্রে স্লান বিপজ্জনক ভাটার টানে মুহূর্তেই হারিয়ে যেতে পারে যে কেউ। তাই এই সময় বিচ এলাকায় ভাটার সময় লেখাসহ লাল পতাকা ওড়ানো থাকলে সমুদ্রে নামা থেকে বিরত থাকুন। কোনোভাবেই দূরে যাবেন না। প্রয়োজনে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ইয়াছির লাইফ গার্ডের সহায়তা নিন। ওদের জানিয়ে বিচে নামুন ।

বিচ বাইক

তিন চাকার বেশ কয়েকটি বিচে চলার উপযোগী বাইক কক্সবাজার সাগর সৈকতে চলাচল করে। প্রায় ১ কিলোমিটার দূরত্বে এসব বাইক রাউন্ড প্রতি ৫০ টাকা করে পর্যটকদের প্রদান করতে হয়। এছাড়া ঘোড়ায় চড়াতে পারেন বাচ্চদের।

স্পিডবোট

বিচে চলে বেশ কয়েকটি স্পিডবোট। মেইন বিচ থেকে এগুলো চলাচল করে লাবলী পয়েন্ট পর্যন্ত। ভাড়া এক রাউন্ড ৫০ টাকা। এছাড়া খোলা স্পিডবোটের সাহায্যে চলে লাইফ বোট জনপ্রতি ভাড়া ২০০ টাকা।

বিচ ফটোগ্রাফি

 কক্সবাজারে পর্যটন মৌসুমে ২৫০-৩০০ বিচ ফটোগ্রাফার পর্যটকদের ছবি তুলে থাকে। প্রায় ঘন্টাখানেকের মধ্যেই এসব ছবি প্রিন্ট করে নেগেটিভসহ পর্যটকদের হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রয়েছে। একইরকম (লাল রঙের) পোশাক পরা এসব বিচ ফটোগ্রাফারদের প্রত্যেকের রয়েছে একটি করে আইডি কার্ড। বেশ কয়েকটি স্টুডিও এ কাজের সঙ্গে জড়িত। সরকারি রেট অনুযায়ী 3R সাইজের ছবি ১২ টাকা হলেও অনেক সময় পর্যটকদের থেকে ১৫ টাকা করে নেওয়া হয়ে থাকে। এই সম্পর্কিত সাইনবোর্ড মেইন বিচে দেখতে পাওয়া যায়। এসব বিচ ফটোগ্রাফারদের কাছ থেকে ছবি তোলার আগে আইডি কার্ড দেখে নেওয়া ভালো।

মহেশখালী

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ মহেশখালী। মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়িয়া দ্বীপ হিসেবে পরিচিত । নৌকা, লষ্ণ বা স্পিডবোটে অল্প সময়েই এখানে পৌঁছানো যায়।

প্রতিদিন সকাল বিকেলে কক্সবাজার বাহার ছড়া ঘাট থেকে মহেশখালী যাওয়া যায়। স্পিডবোটে ৬৫ টাকা এবং ট্রলার জাতীয় নৌকায় জনপ্রতি ২০ টাকায় পৌনে এক এক ঘন্টায় মহেশখালী যাওয়া যায়।

মহেশখালীতে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এ মন্দির সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান। প্রায় ৬০০ বছরের এ প্রাচনি সভ্যতা দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবেন। নেপালের রাজাদরবারের বদান্যতায় ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় এটি নতুন রূপ ধারণ করছে।

এখানে দেখার জন্য কোনো প্রবেশমূল লাগে না। পাশাপাশি জুমিয়া, মগ আর রাখাইনদের হাতে তৈরি পোশাক ও তৈজসপত্র এখানে পাওয়া যায়। এছাড়া শিবমন্দির দর্শন, মৎস শিকার আর সংখ্যালঘু মগদের জীবনযাপন খুব কাছ থেকে দেখতে অনেকেই মহেশখালী ভ্রমণ করে থাকেন। এখানে খাবারের জন্য বেশ কয়েকটি হোটেল থাকলেও থাকার জন্য ভালোমানের তেমন কোনো হোটেল নেই।

রেস্টুরেন্ট

ক্যাফে হায়দার : বাইপাস সড়ক, ফোন  :  ০৩৪১-৬২০৫২, খাওয়া দাওয়া : বাজারঘাট, ফোন  : ০৩৪১-৬৩৩৮২,  পউষী হোটেল : সায়মন রোড, ফোন  :  ০৩৪১-৬২৩৪৩,  ভাতঘর : বড় বাজার, ফোন  : ০৩৪১-৬৪৫৯৬,  শেখ আহমেদ রেস্টুনেন্ট : গোলদীঘির পাড়, ফোন  :  ০৩৪১-৬২৬১১।

রামু

বৌদ্ধ কৃষ্টির জন্য বিখ্যাত কক্সবাজারের রামু থানা। কক্সবাজার থেকে ঢাকার পথে আসতে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রসিদ্ধ স্থান। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র স্থান।

এখানে রয়েছে বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা, ধাতু ও ব্রোঞ্জের তৈরি বুদ্ধ মূর্তি, ছোট-বড় ১৩টি বৌদ্ধ মূর্তি নিয়ে লাল সিং ও পাশে সাদা সিং নামের বৌদ্ধ বিহার রয়েছে এখানে। বাঁশখালীতে রয়েছে ১৩ ফুট উঁচু ব্রোঞ্জের বুদ্ধ মূর্তি যা পর্যটকদের ভীষণভাবে আকর্ষণ করে। এছাড়া রাবার বাগান, স্থানীয় রাখাইন ও বড়ুয়া সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ রয়েছে এই এলাকায়। এখানে যাতায়াতের জন্য রয়েছে টেম্পু বাস ও রিকশা। বাসে ১৫-২০ টাকা এবং টেম্পুতে ১০০-১৫০ টাকা ভাড়ায় আসা যায়।

ঝিনুক মার্কেট

পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান হচ্ছে ঝিনুক মার্কেট। সৈকত সংলঘ্ন রেস্ট হাউসের উত্তর পূর্ব কোণায় এবং মোটেল লাবণী পয়েন্টে আরেকটি ঝিনুক মার্কেট অবস্থিত। সব মিলেয়ে প্রায় ১০০ এর মতো দোকান রয়েছে এখানে। শামুক বা ঝিনুকে নাম লেখানো, স্টুডিও, খাবার দোকান, কেনাকাটা সব সুযোগ ঝিনুক মার্কেটে রয়েছে।

উপকূলবর্তী এলাকার লোকজন বিভিন্ন ধরনের ঝিনুক ও প্রবাল কুড়িয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এর মধ্যে কাটা শামুক, শঙ্খ কড়ি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, মুক্তা, মুক্তার পাত্র ইত্যাদি নানা রূপে নানা ঢঙে ক্রেতার কাছে উপস্থাপন করা হয়। বিভিন্ন ধরনের মাছ, নামফলক, গলার মালা, কানফুল, চাবির রিং, হাতের চুড়ি, বালাসহ নারীদের নানা ধরনের পণ্য এখানে কিনতে পাওয়া যায়।

উখিয়া

কক্সবাজার শহর থেকে ৩৩ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে উখিয়া অবস্থিত। সড়কপথে খুব সহজেই উখিয়া যাওয়া যায়। ছোট বড় পাহাড়ের সারি, চমৎকার রাস্তা আর সবুজ বনভূমি দেখার মতো। এখানকার আকর্ষণ হাতি ধরার খেদা। এছাড়া বড় বিড়াল, টিয়া, ময়ূর, তোতা দেখার সুযোগ রয়েছে এই এলাকায়।

বার্মিজ মার্কেট

পর্যটকদের আকর্ষণীয় কেনাকাটার স্থান কক্সবাজারের বার্মিজ মার্কেট। কক্সবাজার পৌরসভার বেশ কয়েকটি ভবনে এ মার্কেট অবস্থিত। এখানে কয়েকশ দোকানে আকর্ষণীয় সব জিনিসপত্র বিক্রি করা হয়, যা পর্যটকদের প্রলুব্ধ করে। বার্মা, থাইল্যান্ড, ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানিকৃত এসব পণ্য বেশ কম দামে কেনা যায়। বার্মিজ মার্কেটের দোকানগুলোতে অধিকাংশ বিক্রেতাই রাখাইন তরুণী।

এসব রাখাইন তরুণী মুখমন্ডলে মাখে সাদা চন্দন। পরনে থাকে বার্মিজ থামি ও ব্লাউজ। এখানে রাখাইনদের হাতে তৈরী নানা ধরনের পোশাক পাওয়া যায়। বার্মিজ স্যান্ডেল। কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ, চন্দন, পাখা, হরেক রকমের বার্মিজ আচার, হাতির দাঁতের তৈরি তৈজসপত্র, কানের দুল, চুড়ি, কুটির শিল্প, কাঠের ফ্রেম ও গহনা বাক্স ক্রেতাদের আকর্ষণ করে। ইদানীং শতরের বিভিন্ন এলাকায় বার্মিজ মার্কেট গড়ে উঠেছে।

সতর্কতা  :  নামে বার্মিজ হলেও এখানে পণ্যই বাংলাদেশের তৈরি। তবে ক্রেতাদের ভালোমতো দরদাম করে এসব পণ্য কেনা শ্রেয়। কথায় প্রলুব্ধ না হয়ে যাচাই বাছাই করে পণ্য কেনা উচিত। এখানে এমন অনেক জিনিস আছে- যা চিটাগাং এর বিভিন্ন মার্কেট অর্ধেকে দামে কিনতে পারবেন। সুতরাং দেখেশুনে কিনুন।

আগগা মেধা ক্যাং

কক্সবাজার পৌরসভার বৌদ্ধ মন্দির সড়কে এই ক্যাং অবস্থিত। প্রাচীন এই ক্যাং পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহজেই, এর কারুকার্য স্থাপনা ও ছোট বড় অসংখ্য বৌদ্ধমূর্তি নান্দনিকতায় ভরপুর। কাঠের সুউচ চমৎকার প্যাটার্নের ঘরে মূর্তিগুলো স্থাপিত। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ক্যাং প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে দর্শনাথীদের জন্য খোলা থাকে। গেটেই জুতা খুলে প্রবেশ করতে হয়। পেছনে রয়েছে ছোট-বড় বেশ কিছু মঠ ও সংগ্রহ। স্থানীয় রাখাইন তরুণেরা পর্যটকদের ঘুরে দেখায়। কোনো প্রবেশমূ্ল্য নেই। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে ভ্রমণে আসেন। বৌদ্ধপূর্ণিমা, প্রবারণা পূর্ণিমা ও চৈত্র  সংক্রান্তির উৎসবে ক্যাংটিতে প্রাণোচ্ছল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এটি কক্সবাজার শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

কুতুবদিয়া

কুতুবদিয়া বাংলাদেশের সৌন্দর্যমন্ডিত দ্বীপগুলোর অন্যতম। চট্টগ্রাম থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে কিংবা কক্সবাজার হয়ে কুতুবদিয়া যেতে হয়। চট্টগ্রাম সদরঘাট থেকে শীত মৌসুমে স্টিমার ছেড়ে যায়। ৬/৭ ঘন্টা এ চমৎকার জার্নি পর্যটকদের ভীষণভাবে আকর্ষণ করে।

এখানে রাত যাপনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন সরকারি রেস্ট হাউজ ও ব্যক্তিমালিকানাধীন হোটেল। রয়েছে ১৮২৮ সালে নির্মিত বাতিঘর। বর্তমানে সেটি বিলুপ্তপ্রায়। এই বাতিঘর জাহাজিদের পথের দিকনির্দেশনা দিত। কুতুব আউলিয়ার নামে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয় কুতুবদিয়া । কুতুবদিয়ার সৌন্দর্য সত্যিকারের মুগ্ধ হওয়ার মতো।

সোনাদিয়া

        কক্সবাজারের বিপরীতে উপকূলীয় ছোট একটি দ্বীপ সোনাদিয়া। এটি যাযাবর পাখিদের স্বর্গ। মনোরম এ দ্বীপের পশ্চিমাংশ বালুকাময় ও ঝিনুকের জন্য বিখ্যাত। কক্সবাজার থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে মহেশখালী উপজেলায় এর অবস্থান। যেতে হয় মহেশখালী হয়ে লষ্ণে, ট্রলার কিংবা স্পিডবোটে। খরচ জনপ্রতি ১০০-১২০ টাকা। শীত মৌসুমে বেড়ানোই নিরাপদ।

হোয়াই ক্যাং

কক্সবাজার জেলার টেকনাফের আরো একটি আকর্ষণীয় এলাকা হোয়াং ক্যাং। এটি টেকনাফ থেকে ২৪ কিলোমিটার উত্তরে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত একটি চমৎকার পিকনিক স্পট।

শীত মৌসুমে এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। পাহাড়ের টিলার উপরে অবস্থিত সুসজ্জিত ফরেস্ট বাংলো ছাড়াও এখানে রয়েছে প্রকৃতির রূপ দর্শনের অপূ্র্ব সুযোগ। নাফ নদীর মনোরম দৃশ্য ও আরাকানের রাজসিক পর্বতশৃঙ্গ দেখার সুযোগ রয়েছে এখানকার পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে।

ধোয়াইং গা চৌধুরীর ক্যাং

রামু থানার ফতেষাঁর কুল ইউনিয়নের থোয়াইংগা চৌধুরীর ক্যাংটি অবস্থিত। এই ক্যাং-এ গলিত পিতল নির্মিত বৌদ্ধ মূর্তিটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মূর্তি। একসময় রামু ছিল বৌদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। পুরনো কাঠ দিয়ে তৈরি অভ্রভেদী চূড়াসহ ক্যাংয়ের অপূর্ব স্থপত্যশৈলী সহজেই পর্যটকদের নজর কাড়ে

 নাফ নদীর মোহনায়

নাফ নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত একটি নদী। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার দক্ষিণ-পূর্ব কোনা দিয়ে প্রবাহিত। এই নদীটি মূলত বঙ্গোপসাগরের বর্ধিত অংশ। তাই এর পানি লবণাক্ত।

 নদীর পশ্চিম পারে বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা এবং পূর্বে মিয়ানমারের আরকান প্রদেশ অবস্থিত। নদীটির প্রস্থ স্থান বিশেষে ১.৬১ কিলোমিটার থেকে ৩.২২ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। জোয়ার-ভাটাপ্রবণ এই নদীটি বাংলদেশকে মিয়ানমার থেকে পৃথক করেছে। নাফ নদীটি বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের জন্য ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দরটি এই নাফ নদীর তীরেই অবস্থিত।

  কক্সবাজার ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্যাবলী

*  ঢাকা থেকে ৪১৪ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫২ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজারের অবস্থান। ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার যেতে হয়। পাশাপশি ঢাকা থেকে বিমানে চট্টগ্রাম নেমে বাসে বা মাইক্রোবাসে কক্সবাজার পৌঁছানো যায়। সরাসরি বিমনেও কক্সবাজার যাবার সুযোগ আছে। অনেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বাসে গিয়ে তারপর যেখান থেকে কক্সবাজার বিমানে গিয়ে থাকেন। এতে বিমান থেকে নিচের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী দেখার সুযোগ মেলে। পাশাপাশি খরচও কম হয়।

*  কক্সবাজারে থাকার জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিকমানের পাঁচতারা সুবিধার হোটেল ছাড়াও ছোট-বড় অনেক মোটেল, রেস্ট হাউজ বা বোডিং। শীত মৌসুমে যারা কক্সবাজার ভ্রমণে যেত চান তদের আগেভাগেই হোটেলর সিট বকি করা ভালো। দুইভাবে হোটেল বুক করা যায়। প্রথম সরাসরি গিয়ে কিংবা আগে ফোনে যোগাযোগ করে তারিখ জানিয়ে কুরিয়ারে টাকা পাঠিয়ে। এসএ পরিবহন ছাড়াও কয়েকটি কুরিয়ার সার্ভিসে টাকা পাঠানো যায়।

*  একাকী ভ্রমণের চেয়ে দলগতভাবে ভ্রমণ বেশ আনন্দদায়ক। এক্ষেত্রে দলের সঙ্গে থাকুন। বিচ্ছিন্ন হয়ে চলাচল না করাই উত্তম। এতে খরচও বেশি হয়।

* প্যাকেজ ট্যুরের ব্যাপারে ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে বিস্তারিত জেনে নিয়ে তবেই বুকিং দিন। কোনো সমস্যা দেখা দিলে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এদের অফিসের মোবাইল ও গাইডের নম্বর সংরক্ষণ করুন।

কক্সবাজার ভ্রমণের অনুষঙ্গ    

   * কতদিন, কোথায় কোথায় থাকবেন, বেড়াবেন তার পূর্ণাঙ্গ গাইড ও তথ্য জেনে নিন। প্রয়োজনে আগেভাগেই একটি ভ্রমণ সিডিউল তার তৈরি করে নিন। এর ফলে পরবর্তীতে বেড়ানোর সময় বাড়তি টেনশন করতে হবে না।

   *  যাত্রার পূর্বে রেইন কোট, ছাতা সঙ্গে রাখুন।

*  টর্চ ব্যাটারি মোমবাতি, ম্যাচ, পানির বোতল, পানি বিশুদ্ধ করা ট্যাবলেট, টুপি, হাফপ্যান্ট, ট্রাউজার, রোদ চশমা সঙ্গে রাখুন।

*  আগেই পরিবহন ও যাতায়াতের ব্যবস্থাসহ বাসস্থানের পরিপূর্ণ ঠিকানা ফোন নম্বর ও মোবাইল নম্বর জেনে নিন।

* খাবার হোটেল, হাসপাতাল, পুলিশ, সেলুনের অবস্থান জেনে নিন।

*  সঙ্গে রাখুন প্রয়োজনীয় ফিল্ম, ব্যাটারি, ক্যামেরা ও বাইনোকুলার।

*  নোটবুক, কলম ও ছোট হ্যান্ডব্যাগ, মোবাইল সযতনে রাখুন।

*  জেনে নিন খাবার মেন্যু, থাকার ভাড়া সম্পর্কে। এছাড়া পরিবহন খরচের ব্যাপারে আগেই স্বচ্ছ ধারণা নিন।

*   নিরাপত্তার জন্য হোটেলর ভিজিটিং কার্ড, মোবাইল নম্বর ছাড়াও স্থানীয় পুলিশ ও বিচ পুলিশ ফাঁড়ির ফোন ও ইয়াছির লাইফ গার্ডের নম্বরসমূহ সঙ্গে রাখুন। কোনোরকম বিপদের আশঙ্কা দেখা দিলেই হোটেল কর্তৃপক্ষ ও কর্তব্যরত পুলিশের সহায়তা নিন।

*   মনে রাখবেন বর্তমানে কক্সবাজারে টুরিস্টদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে প্রশাসন সহ স্থানীয় জনগণও খুবই সজাগ। কারণ, এই টুরিস্টদের থেকে আয় করা টাকাতেই বেশিরভাগ মানুষের জীবন যাপন করতে হয়। সুতরাং যে কোন ধরনের সমস্যা হলে আপনি সকলের কাছ থেকে সহৃদয় সহযোগিতা পাবেন।

*  কেনাকাটায় সতর্ক থাকুন। আগেই গাড়ির সিট বুক করে রাখুন।

*  বিচের উঁচু নিচু এলাকা সম্পর্কে সর্তক হোন। প্রয়োজনে ভাটার সময় গিয়ে বিচের উঁচু নিচু এলাকা দেখে আসুন। কেননা জোয়ারের সময় এসব এলাকা পানিতে পরিপূর্ণ থাকে। ভাটার টানে নিচু এলাকায় পড়ে অনেক তীরে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন। তাই অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে ইয়াছির লাইফ গার্ডসহ স্থানীয়দের পরামর্শ মেনে চলুন।

কক্সবাজার যাতায়াত ব্যবস্থা                                  

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল ও বিমান সকল পথেই কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ৪৪০ কি.মি.। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে কক্সবাজার রুটের বাসগুলো ছেড়ে যায়। তবে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, কমলাপুর, মতিঝিল ও আরামবাগ থেকে অধিকাংশ বাস ছেড়ে যায়। তবে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, কমলাপুর, মতিঝিল ও আরামবাগ থেকে অধিকাংশ বাস ছেড়ে যায়।

এই রুটে এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের বাস রয়েছে। এই রুটে চলাচলকারী উল্লেখযোগ্য পরিবহনগুলোর মধ্যে রয়েছে – গ্রীন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন, সৌদিয়া, এস.আলম. পরিবহন, মডার্ন লাইন, শাহ বাহাদুর, সেন্টমার্টিন প্রভূতি। এছাড়া আরও কিছু পরিবহনের বাস এই রুটে চলাচল করে। তবে মনে রাখতে হবে, এই ভাড়া পরিবর্তনযোগ্য। সুতরাং ভাড়ার বিষয়ে পরিপূর্ণ তথ্যগুলো জানতে নিচের ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।

পরিবহনের নাম                                ভাড়া                          যোগাযোগ

গ্রীন লাইন (ভলভো)                          ১,৪০০/-

(স্ক্যানিয়া)                                         ১,৮০০/-                           ০২-৭১৯২৩০

পরিবহনের নাম                            ভাড়া                                         যোগাযোগ

হানিফ এন্টারপ্রাইজ                         ৭০০/-                                  ০১৭১৩-৪০২৬৭৩,

(এসি)                                        ১,৭০০/-                                 ০১৭১৩-৪০২৬৮৬

শ্যামলী পরিবহন                              ৭০০/-

(এসি)                                        ১,১৫০/-                             ০২-৯০০৩৩১,৮০৩৪২৭৫

সোহাগ পরিবহন                              ১,৫২৫/-                           ৭১০০৪২২ (আরামবাগ), ৯১৩২৩৬০

(এসি)(কমলাপুর), ৮০৫৫৯০২ (কল্যানপুর)

সৌদিয়া পরিবহন                            ৭০০/-                              ০১৯১৯-৬৫৪৮৫৬(সায়েদাবাদ),

(এসি)                                         ১,৬০০/-                          ০১৯১৯-৬৫৪৮৬৩(গাবতলী), ০১৯১৯-

৬৫৪৮৫৯ (কমলাপুর)

এসি                                                                                     ০১৯১৯-৬৫৪৯২৮(কল্যাণপুর),

০১৯১৯-৬৫৪৯২৯ (সায়েদাবাদ)

 

এস.আলম পরিবহন                          ৭০০/-                              ০২-৮০৫৫৮৫১, ০১৮১৯-৭২০৩৯৫

(গাবতলী),০২-৮৩১৫০৮৭,

০১৯১৭-৭২০৩৯৫(কমলাপুর )।

Leave a comment

Your email address will not be published.