পাহাড়ের গায়ে আপন ধারায় ঝর্ণা ঝড়ে,
প্রকৃতি হাসে তার মাঝে।
পাখিদের কোলাহল মনোরম স্নিগ্ধ বাতাস_
খেলছে সাগরের উত্তল ঢেউ।
নাচে গাছের পাতারা।
ভোর আকাশে সূর্যের আগমনে,
হালকা রৌদ্রে মেঘের ভেলা ভাসে।
পাহাড়ের গায়ে পাথরের ঝিকিমিকি
সেই পরিবেশের স্নিগ্ধ আখি তুলি।
আর ভাবি স্রষ্টার সৃষ্টি কতই না নিখুঁত।
যেখানে গাছের ঢাল থেকে পড়েনা পাখির ছানারা।
তারা ঘুরে বেড়ায় আপন গতিতে।
ফুল আর ফলে_ মেলে তাদের জীবন।
তাদের উপস্থিতিতে প্রকৃতি যেন আনন্দে নেচে ওঠে।
আর প্রকৃতি বলে দাড়াও! দাড়াও!
সঙ্গে করে আমায় নিয়ে যাও।
রং-ধনু সাজে রং-বে-রংঙের “রং” দিয়ে।
মেঘ হাঁসে,চুপি চুপি আর বলে_আমাকেও নাও আমাকেও নাও
তোমার রঙের ভেলার সঙ্গী করে।
নিচ থেকে উঁকি মারে,বড় বড় গাছেরা_আর বলে আসছে তারা মেঘের ভেলা,
ভিজবে এবার আমার মাথা।
সেই সুবাদে ঝড় করেছে খেলা।
আর বলে ভাঙ্গবো এবার মেঘের ভেলা।
এবার এসেছে নেমে বৃষ্টির মেলা,
কখনো পরে ঝিরি জিরি_ কখনো বা খাড়া লম্বাকৃতি।
মাটিতে পড়া মাত্রই দেয় যে বৃষ্টির ফোঁটা হাসি!
সেই হাসি ফোটে যেন কদম ফুলের রাশি রাশি।
মন মাতাল করা এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ,
সৃষ্টি জগতের মহান স্রষ্টার মানবকুলের শ্রেষ্ঠ উপহার।