হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭ হুমায়ূন আহমেদ

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

স্যার, আমি ডাক্তার না। কিন্তু আমার কিছু ক্ষমতা আছে। আমি কিছু কিছু জিনিস আগে আগে বুঝতে পারি। আমি মৃত্যুর গন্ধ পাই। আপনাকে তো স্যার আগেও বলেছি আমার কিছু বিশেষ ক্ষমতা আছে। মৃত্যুর গন্ধ কেমন আপনাকে একটু ব্যাখ্যা করি।কোনো ব্যাখ্যা করতে হবে না। তুমি মেয়েটকে হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করে।এক কাপ চা খেয়ে নেই। স্যার? পাঁচ মিনিট লাগবে। পানি গরম দিয়েছি। আপনি আরেক কাপ খাবেন?

মিসির আলি জবাব দিলেন না।তিনি মনসুরের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন।আঁখিতারাকে শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর ডাক্তার এনে সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে দেখানোর ব্যবস্থা মনসুর অতি দ্রুত করে ফেলল। মিসির আলি তার কর্মক্ষমতার প্রশংসা না করে পারলেন না। সব কিছুই যেন তার হাতের মুঠোয়।

সিস্টারদের সঙ্গে হাসিমুখে আপা আপা করে কথা বলছে। যেন কত দীর্ঘদিনের পরিচয়। এক ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলার সময় ডাক্তারের বাড়ি মাদারীপুর শুনে মনসুর এমন ভঙ্গি করল যেন মাদারীপুর বাড়ি হওয়াটা বিস্ময়কর ঘটনা। এমন বিস্ময়কর ঘটনা শতাব্দীতে একটা-দুটার বেশি ঘটে না। গলা অন্যরকম করে সে দু’বার বলল ও, আচ্ছা আপনার বাড়ি মাদারীপুর। বলেন কি!

মিসির আলি হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন। মেয়েটা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি খানিকটা স্বস্তি পাচ্ছেন। চিকিৎসা শুরু হবে। ডাক্তাররা দেখবেন। দেশের ডাক্তারদের প্রতি তাঁর আস্থা আছে। আস্থার পেছনের লজিক হচ্ছে। এ দেশের সব ডাক্তারকেই অসংখ্য রোগী দেখতে হয়। রোগীর প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের ওপর ডাক্তাররা তেমন ভরসা করেন না। কারণ প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলির অবস্থা তারা জানেন। ডাক্তারদের নির্ভর করতে হয় অভিজ্ঞতার ওপর। লক্ষণ বিচার করে রোগ নির্ণয়ে তাদের দক্ষতা অসামান্য।

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

সব কমপ্লিট করে দিয়ে এসেছি স্যার।বলতে বলতে সিগারেট হাতে মনসুর এসে তার সামনে দাঁড়াল। তাকে কেমন যেন হাসি-খুশি মনে হচ্ছে।মনসুর সিগারেটে লম্বা টান দিয়ে বলল, রোগীর যদি কিছু হয়ে যায় কেউ আমাদের দোষ দিতে পারবে না। আমরা প্রপার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমাদের দিক থেকে কোনো ভুল নেই। রোগীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে।মিসির আলি বললেন, তুমি বারবার মৃত্যুর প্রসঙ্গ আনিছ কেন? মৃত্যু কেন হবে?

মানুষ তো স্যার অমর না। মানুষের মৃত্যু হয়। মানুষ মরণশীল।তোমার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে।বলুন।মিসির আলি বললেন, তুমি এত নিশ্চিত কীভাবে যে মেয়েটা মারা যাবে? সব মানুষের মৃত্যুর ব্যাপারেই আমি নিশ্চিত। তবে আঁখিতারার মৃত্যু যে ঘনিয়ে এসেছে এটা বুঝতে পারছি।আঁখিতারা মেয়েটাকে তুমি চিনতে?

জি না। আমি চিনিব কী করে? সে কাজ করে আপনার এখানে।মিসির আলি বললেন, চৌধুরী খালেকুজ্জামান মিয়া কি তোমার আসল নাম? নাকি এটাও ছদ্মনাম? চৌধুরী খালেকুজ্জামান মিয়া? হ্যাঁ, চৌধুরী খালেকুজ্জামান মিয়া।মনসুর সিগারেটে ঘন ঘন কয়েকটা টান দিয়ে সিগারেট ছুড়ে ফেলে সেই দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, আমার এই নাম আপনি কীভাবে জানলেন?

মিসির আলি বললেন, একেকজনের পদ্ধতি একেক রকম। তুমি একটা পদ্ধতিতে বের করেছ যে আঁখিতারা আজ রাতে মারা যাবে। আমি অন্য পদ্ধতিতে তোমার নাম-ধাম-পরিচয় বের করেছি। দু’জনের পদ্ধতি দু’রকম।আমার নাম-ধাম-পরিচয় বের করেছেন? হ্যাঁ, বের করেছি। আমার কথা কি তোমার বিশ্বাস হচ্ছে?

বিশ্বাস হচ্ছে। স্যার, আসুন আমরা কোথাও বসে চা খাই। রেস্টুরেন্টে বসে চা খেতে কি আপনার আপত্তি আছে।না, আপত্তি নেই।মনসুর বলল, আমার নাম যে চৌধুরী খালেকুজ্জামান এই তথ্য আপনাকে কে দিল?

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

মিসির আলি বললেন, তুমিই দিয়েছ! অন্য কেউ দেয় নি।আমি দিয়েছি? হ্যাঁ তুমি দিয়েছ। কিভাবে দিয়েছ। শুনতে চাও? না।হাসপাতালের কাছাকাছি একটা চায়ের দোকানে দু’জন ঢুকল। চায়ের দোকানের মালিক মনসুরের দিকে তাকিয়ে আনন্দিত গলায় বলল, আরে ময়না ভাই। কেমন আছেন?

মনসুর জবাব দিল না। একবার শুধু আড়চোখে মিসির আলিকে দেখল। চৌধুরী খালেকুজ্জামানের আরেক নাম ময়না এটা জেনে মিসির আলির তেমন কোনো ভাবান্তর হলো না। রেস্টুরেন্ট ফাঁকা। যে তিনজন খদের চা-পাউরুটি খাচ্ছে তারা রেস্টুরেন্টের বাইরে বেঞ্চিতে বসে আছে। ভেতরে মানুষ বলতে তারা দু’জন এবং সাত-আট বছরের একটা ছেলে। ছেলেটা বেঞ্চির ওপর কান্নাকান্না মুখ করে বসে আছে। চেহারা দেখে মনে হচ্ছে মালিকের ছেলে। কোনো অপরাধ করায় কিছুক্ষণ আগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

তখন কান্নাকাটি করেছিল। চোখে পানির দাগ রয়ে গেছে। মিসির আলি আগ্রহ নিয়ে ছেলেটির দিকে তাকিয়ে রইলেন।দোকানের চা ভালো। এই ব্যাপারটা মিসির আলির খুব অদ্ভুত লাগে। নামিদামি রেস্টুরেন্টের চায়ের চেয়ে রাস্তার পাশের সস্তা দোকানগুলোর চা ভালো হয়। সম্ভবত চা বানানোর কোনো বিশেষ কায়দা আছে। বিশেষ কায়দাটা শিখে নিতে হবে।মনসুর বলল, স্যার, আপনি মনে হয় ধরেই নিয়েছেন। আমি খারাপ লোক।

মিসির আলি বললেন, আমি আগেভাগে কিছু ধরে নেই না। তুমি আমার কাছে আসল নাম গোপন করেছ। নাম গোপন করলেই মানুষ খারাপ হয়ে যায় না। পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত মানুষ নাম গোপন করতে ভালোবাসতেন। অন্য কোনো পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করতে চাইতেন। এই অস্বাভাবিকতা অনেকের ভেতর আছে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নিজের নাম গোপন করে নাম নিয়েছেন নীল লোহিত। বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়ের আরেক নাম বনফুল।

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

মনসুর বলল, স্যার, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় না, বলাই চাঁদও না। তবে আমি খারাপ লোক না।আমি বলি নি তুমি খারাপ লোক। আমার কাজের মেয়েটার নাম যে আঁখিতারা এটা কীভাবে জানলে? মনসুর তাকিয়ে আছে। চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছে। মনে হচ্ছে না। এই প্রশ্নের জবাব সে দেবে।মিসির আলি বললেন, মেয়েটার জন্য থার্মোমিটার আনার কথা বলে তুমি দৌড় দিয়ে বের হলো। থার্মোমিটার তোমার পকেটেই ছিল। তুমি কি থার্মোমিটার পকেটে নিয়ে চলাফেরা করে?

জি।

কেন?

থার্মোমিটার দিয়ে আমি একটা মেন্টাল ম্যাজিক দেখাই। থার্মোমিটারের দিকে তাকিয়ে থেকে আমি থার্মোমিটারের পারদ ওপরে উঠাতে পারি। আপনাকে এটা দেখাব বলে থার্মোমিটার সঙ্গে করে এনেছিলাম।দেখি তোমার এই খেলাটা।থার্মোমিটার। আপনার বাসায় রেখে এসেছি। আপনি সত্যি দেখতে চান?

হ্যাঁ, দেখতে চাই।আমি থার্মোমিটার একটা কিনে নিয়ে আসি। দু’মিনিট লাগবে। আপনি আরেক কাপ চা নিন। চা শেষ করার আগেই আমি চলে আসব।মিসির আলি দ্বিতীয় কাপ চা শেষ করার পরেও আরো আধঘণ্টা বসে রইলেন। মনসুর ফিরল না। আর অপেক্ষা করা ঠিক হবে না। আঁখিতারার খোঁজ নেওয়ার জন্য হাসপাতালে যাওয়া দরকার। মনসুরকে নিয়ে এই মুহুর্তে কিছু না ভাবলেও চলবে। মিসির আলি চায়ের দাম দিতে গেলেন।

রেস্টুরেন্টের মালিক খুবই অবাক হয়ে বলল, আপনে ময়না ভাইয়ের লোক, আপনার কাছে থাইক্যা চায়ের দাম নিব এইটা কেমন কথা! ময়না ভাই এই মানুষটার কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। কেন গুরুত্বপূর্ণ কে জানে। জানতে ইচ্ছা করছে না। কোনো সমস্যা মাথার ভেতর ঘুরপাক থাক তা চাচ্ছেন না। তাঁর নিজেরই শরীর খারাপ লাগছে। ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। মনে হচ্ছে চায়ের দোকানের বেঞ্চিতে শুয়ে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে থাকলে ভালো হতো।

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

রাত প্ৰায় আটটা। মিসির আলি তাঁর ঘরে। ঘরের কোনো বাতি জ্বালানো হয় নি। এতক্ষণ অন্ধকারেই হাঁটাহাঁটি করছিলেন। বসার ঘর থেকে রান্নাঘরে যাওয়া, রান্নাঘর থেকে আবার বসার ঘর। জায়গাটা খুব ভালো করে চেনা। হাঁটতে অসুবিধা হচ্ছে না। অন্ধকারে কেন হাঁটাহাঁটি করছেন তা তিনি জানেন না। অস্থিরতা কাটানোর কোনো চেষ্টা হতে পারে। অস্থিরতা কাটানোর এই প্রক্রিয়া মিসির আলির চরিত্রের সঙ্গে মানাচ্ছে না। খুব অস্থির অবস্থায় তিনি চুপচাপ বসে থাকেন।

আঁখিতারাকে নিয়ে তিনি হঠাৎ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। মনে হচ্ছে মনসুরের কথা ঠিক। মেয়েটা বাঁচবে না। অথচ হাসপাতালের ডাক্তার বলে দিয়েছেন ভয়ের কিছু নেই। এশিয়া জোনে ভাইরাসের নতুন কিছু ষ্ট্রেইন দেখা দিয়েছে। এতে হাই ফিভার হয়। ডেঙ্গু তার মধ্যে একটা।মিসির আলি ডাক্তারকে বললেন, মেয়েটার কি ডেঙ্গু হয়েছে?

ডাক্তার সাহেব ভরসা দেয়ার মতো গলায় বললেন, হতে পারে। তবে চার-পাঁচদিন পার না হলে কিছুই বলা যাবে না। আমরা সিস্টেমেটিক চিকিৎসা চালিয়ে যাব। আপনি নিশ্চিত থাকুন।ডাক্তারের কথায় তাঁর ভরসা পাওয়া উচিত। ভরসা পাচ্ছেন না। ভরসা না পাওয়ার কারণ কি মনসুর? সে পীর-দরবেশের মতো বলে বসিল মেয়েটা বাঁচবে না। সে কোনো পীর-দরবেশ না। পীর-দরবেশদেরও মানুষের মৃত্যু নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা থাকে বলে তিনি মনে করেন না। তারপরেও কি কোনো কারণে মনসুরের কথা তার মনের গভীরে ঢুকে গেছে। হিপনোটিক সাজেশান?

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

আচ্ছা বাড়িওয়ালার পীর ভাই-এর এখানে কোনো ভূমিকা আছে! এই মানুষটিও তো ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন–মহাবিপদ আসছে। জীবন সংশয় হবার মতো বিপদ। তাই তো হয়েছে। শুধু জীবন সংশয়টা তার না হয়ে আঁখিতারার হয়েছে।মিসির আলি হাঁটাহাঁটি বন্ধ করে খাটে উঠে বসলেন। এখনো বাতি জ্বালাতে ইচ্ছা করছে না। একটা ছোট্ট হিসাব মিলছে না। তিনি ঠিক করলেন ছোট্ট হিসাবটা না মেলা পর্যন্ত তিনি বাতি জ্বালাবেন না। হিসাব মেলানোর জন্য তিনি তাড়াহুড়ো করে হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন। এখন মনে হচ্ছে ফেরা ঠিক হয় নি।

হাসপাতালে মেয়েটার পাশে থাকা উচিত ছিল। মেয়েটার মা-বাবা মেয়েটাকে হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে আসতে পারত না। তার বিছানার পাশে সারা রাত জেগে বসে থাকত।বেচারি আঁখিতারা প্রবল জুরের ঘোরে আশপাশে অপরিচিত মানুষজন দেখবে, নার্স দেখবে, ডাক্তার দেখবে। কাউকেই সে চিনতে পারবে না। কী প্ৰচণ্ড ভয়ই না সে পাবে। কী করে তিনি মেয়েটাকে ফেলে চলে এলেন?

মিসির আলি ঠিক করলেন রাতের খাবার খেয়ে আবার হাসপাতালে ফিরে যাবেন। থাকবেন মেয়েটার পাশে। যত বার সে চোখ মেলবে তত বার তিনি বলবেন, ভয় পেও না, আমি আছি। ভালো হয়ে যাও। এক ধরনের হিপনোটিক সাজেশান দেওয়া হবে। মেয়েটা এই সাজেশানের মর্ম বুঝতে পারবে না। তাতে কোনো ক্ষতি নেই।

আপনি ঘর অন্ধকার করে বসে আছেন কেন? মিসির আলি চমকে উঠে বললেন, কে? কী আশ্চৰ্য, আমার গলা চিনতে পারছেন না। আমি রেবু। আপনার সুইচবোর্ড কোনদিকে বলুন তো। আমি বাতি জ্বেলে দেই।মিসির আলি খাটে হেলান দিয়ে বসে ছিলেন। তার হাতের কাছেই সুইচবোর্ড। তিনি সুইচ টিপলেন। রেবু বলল, আপনার দরজা খোলা, ঘর অন্ধকার।

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৭

আমি ভাবলাম চোর এসে দরজা খুলে সবকিছু নিয়ে গেছে। কি কি নিয়েছে তা দেখার জন্যে এসেছিলাম। আপনি ঘর অন্ধকার করে বসে ছিলেন কেন? আপনি কি বসে বসে ঘুমুচ্ছিলেন।মিসির আলি জবাব দিলেন না। জবাব দেবার কিছু নেই। তিনি কি বলবেন, না, আমি বসে বসে ঘুমুচ্ছিলাম না।

রেবু বলল, আমি একবার পরীক্ষার হলে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। জিওগ্রাফি ফাইনাল পরীক্ষার দিন। সারারাত জেগে পড়েছি। হলে বসার পর লক্ষ করলাম। এমন ঘুম ধরেছে, চোখ মেলে রাখতে পারছি না। টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লাম। ইনভিজিলেটর আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললেন। সেই থেকে আমার নাম হয়ে গেল ঘুম রাবেয়া। আমাদের ক্লাসে দু’জন রাবেয়া ছিল। একজন খুব নামাজ পড়ত। বোরকা পরে স্কুলে আসত। তাকে সবাই ডাকত তাপসী রাবেয়া, আমাকে ডাকত ঘুম রাবেয়া।

মিসির আলি বললেন, তোমার নাম রাবেয়া?

হুঁ। শুধু রাবেয়া না। ঘুম রাবেয়া।

তোমার ভালো নাম শেফালী না?

না তো! আমি কি কখনো আপনাকে বলেছি আমার নাম শেফালী? তবে আপনার যদি আমাকে শেফালী ডাকতে ভালো লাগে আপনি ডাকতে পারেন। আমি রাগ করব না। আপনার কোনো কিছুতেই আমি রাগ করব না।

 

Read more

হরতন ইশকাপন পর্ব – ৮ হুমায়ূন আহমেদ

Leave a comment

Your email address will not be published.